দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা তৃতীয় সেমিস্টার সাজেশন । ক্লাস ১২ বাংলা সাজেশন ৩য় সেমিস্টার। HS বাংলা ৩য় সেমিস্টার সাজেশন ২০২৫। HS Bengali 3rd Semester exam suggestion
হাতে আর মাত্র কয়দিন। ইতিমধ্যে তোমাদের পাঠ্যবই আশাকরি সমস্তটা খুঁটিয়ে পড়েছ। এবার একটু নিজেকে শেষ মুহূর্তে যাচাই করে নেওয়ার জন্য প্রতিটি অধ্যায় ধরে ধরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দেওয়া হলো। একবার করে সমস্তটা পড়ে নিলে আশাকরি তোমাদের প্রস্তুতি আরও অনেকটা ভালো হবে।
যদি কোন জিজ্ঞাসা থাকে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবে না।
গল্প: 'আদরিণী'
'আদরিণী' গল্পটি প্রকাশিত হয়েছিল - সাহিত্য পত্রিকায় ।
'আদরিণী' গল্পটি কোন্ গল্পগ্রন্থের অন্তর্গত? গল্পাঞ্জলি ।
'আদরিণী' গল্পের মোট পরিচ্ছদ কয়টি? ৭ টি ।
জয়রাম মুখোপাধ্যায় পেশায় ছিলেন - মোক্তার ।
আদরিণীকে জয়রাম মোক্তার কার কাছ থেকে কিনে নেন? উমাচরণ লাহিড়ী ।
আদরিণীর বিদায়ের পর জয়রাম মোক্তার তার জন্য কোন্ কোন্ মিষ্টি নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিলেন? সন্দেশ ও রসগোল্লা ।
কুঞ্জবিহারীবাবু পেশায় ছিলেন - উকিল ।
"এক জোড়া নূতন বলদ কিনে এনেছে খুব দ্রুত যায়?” -কে কিনে এনেছে? ইদামদ্দি শেখ ।
"জয়রাম মুখুয্যেকে তাহারা কেহই হটাইতে পারে নাই।” – তাহারা কারা? ইংরাজিওয়ালা মোক্তার ।
পীরগঞ্জের বাবুদের বাড়িতে বিয়ে ছিল -মেজোবাবুর মেয়ের ।
পীরগঞ্জে মেজোবাবুর মেয়ের বিয়ে হয়েছিল - সোমবারে ।
"... বিজ্ঞাপনটি মুসাবিদা করিলেন।” - এই বিজ্ঞাপনের শিরোনামটি কী ছিল?-হস্তী ভাড়ার বিজ্ঞাপন ।
মেজোবাবুর মেয়ের বিয়েতে বাইজি এসেছিল - বেনারস থেকে।
"জানতে পেরেছে।”- আদরিণী কী জানতে পেরেছে? ও আর এ বাড়িতে ফিরবে না ।
" সেও জোগাড় হওয়া মুশকিল।"- এখানে বলা হয়েছে- পালকির কথা ।
"হস্তী ভাড়ার বিজ্ঞাপন"-এর শেষে জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের ঠিকানা দেওয়া ছিল- চৌধুরী পাড়া ।
জয়রাম মুখোপাধ্যায় প্রতিদিন সকালে করতেন - আহ্নিক ।
জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের আহ্নিক পুজো শেষ হয়েছিল - সকাল ন-টাই ।
নগেন ডাক্তারের সঙ্গে কে পান চিবোতে চিবোতে
জয়রাম মুখোপাধ্যায় এস্টেটের মহারাজকে সম্বোধন করেছিলেন - আশ্রিত-জনপ্রতিপালক ।
"আমি আজ বিশ বছর ধরে তাদের এস্টেটের বাঁধা মোক্তার।" - বিশ বছর ।
জয়রাম মুখোপাধ্যায় কত বছর ধরে পীরগঞ্জের বাবুদের এস্টেটের বাঁধা মোক্তার? ২০ বছর ।
"তাঁহার তীব্র অভিমান উপস্থিত হয়।"- কার এই অভিমান হয়? জয়রামবাবুর ।
নগেন ডাক্তার ও কুঞ্জবিহারীবাবু কখন জয়রাম মোক্তারের বাড়িতে প্রথম এসেছিলেন? বিকেলে ।
নিমন্ত্রণ রক্ষা করিয়া পীরগঞ্জ হইতে ফিরিবার পরদিন বিকালেই মুখোপাধ্যায় মহাশয় সাক্ষাৎ করিতে গেলেন- নরেশচন্দ্রের সহিত ।
"মস্ মস্ করিয়া আদরিণী ঘরে ফিরিয়া আসিল।" -আদরিণী কবে ঘরে ফিরে এল? ১ বৈশাখ ।
"সেইখানেই আদরিণীকে পাঠাইবার পরামর্শ হইল।”- কোথায় পাঠাবার পরামর্শ হল? রসুলগঞ্জের হাটে ।
জয়রাম মহারাজের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন - সুশীল ও সুবোধ একটি হাতি ।
"হাতিটিকে মেলায় পাঠিয়ে দিন, বিক্রি হয়ে যাবে এখন।”-বিক্রি হলে কত হাজার টাকা লাভ হবে বলে ধারণা? এক হাজার ।
"এ জেলার মধ্যে এমন কে বিষয়ী লোক আছে যে আপনার কাছে উপকৃত নয়?” – বক্তা কে? কুঞ্জবিহারীবাবু ।
জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের আদিবাস হল - যশোহর ।
"কয়েকমাস পরেই আরও দুইটি জীবের অন্নসংস্থান করিতে হইবে।"- কারণ - বড়োবউ ও মেজোবউ অন্তঃসত্ত্বা ।
জয়রাম মুখোপাধ্যায় মাসিক কত সিকায় বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন? তেরো সিকায় ।
"ভায়রা বসো বলে জয়রামবাবু নগেন ডাক্তার ও কুঞ্জবিহারীবাবুকে কোথায় বসতে বলেছিলেন? বেঞ্চিতে ।
জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের জরিমানা হয়েছিল - পাঁচ টাকা ।
"ওঁর মুখ দিয়ে ব্রহ্মবাক্য বেরিয়েছে।” - ব্রহ্মবাক্যটি হল- "আদর, যাও মা মেলা দেখে এসো" ।
"গোরুর গাড়ি করে যেতে হলে” – আসতে যেতে কতদিন সময় লাগবে? ৪ দিন ।
'পীরগঞ্জে গিয়ে নিমন্ত্রণ রক্ষা করা' জয়রামবাবুর পক্ষে একটু কঠিন কারণ তাতে দু-দিন কাছারি কামাই হয়। এই দুদিন কোন্ কোন্ দিন? সোম ও মঙ্গল ।
জয়রাম মুখোপাধ্যায় পাঁচ টাকা জরিমানার হুকুম রদ করার জন্য খরচ করেছিলেন - ১৭০০ টাকা ।
'পাঁচটা টাকা জরিমানার হুকুম রহিত করবার জন্য জয়রাম মোক্তার কত টাকা খরচ করেছিলেন? ১৭০০ টাকা ।
জয়রাম মুখোপাধ্যায় বাগান পরিষ্কার করছিল - হাতি বাঁধার জন্য ।
প্রতি রবিবার কখন পাড়ার যুবক ও বুড়োর দল মোক্তারমশাইয়ের বৈঠকখানায় একত্রিত হয়ে তাস-পাশা খেলেন? বিকালের সময় ।
প্রতি রবিবার জয়রাম মোক্তারের বৈঠকখানায় বিকালে কী খেলা হত? তাস ।
"তাহার ললাট রঞ্জিত করিয়া দিলেন।"- এখানে কার ললাট রঞ্জিত করা হয়েছিল - আদরিণীর ।
"আদরিণী তখন জানু পাতিয়া বসিল।” কার
জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের শেষ মোকদ্দমাটি ছিল- খুনের ।
জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের পুত্র ক-টি? তিনটি ।
জয়রাম মোক্তারের ছোটো ছেলেটি কোন্ পরীক্ষায় ফেল করেছে? বিএ ।
জয়রাম মোক্তারের কোন্ পুত্রটি কলকাতায় লেখাপড়া করছিল? ছোটোছেলে ।
জয়রাম মুখোপাধ্যায় হাতি ভাড়া দিয়ে আয় হত- সর্বাধিক ১৫-২০ টাকা ।
আদরিণীকে বামুনহাটের মেলায় বিক্রি করতে যাওয়ার সময় মাহুতের সঙ্গে কে যাবে ঠিক হয়েছিল? মেজো ছেলে ।
জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের জ্যেষ্ঠা পৌত্রীর নাম ছিল - কল্যানী ।
"সেটি যদি কালক্রমে মানুষ হয় এইমাত্র ভরসা।" -ভরসাটা কীসের? টাকা পয়সার অভাব মোচনের ।
জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের জ্যেষ্ঠা পৌত্রীর বিয়েতে পাত্রপক্ষের দাবি ছিল - ২০০০ টাকা ।
"সেই মোকদ্দমার আসামী জয়রাম মুখোপাধ্যায়কে নিজ মোক্তার নিযুক্ত করিল।" - তখন জয়রামবাবুর বয়স কত ছিল? ৬১ বছর
'আদরিণী' গল্পে বামুনহাটে মেলা হয় - চৈত্র সংক্রান্তিতে ।
রবিবার জয়রাম মোস্তার আহ্নিক পূজা ও জলযোগ সেরে সকাল নয়টা সময় বৈঠকখানায় এসে বসলেন? নয়টা ।
আদরিণী মারা যাওয়ার ৬০ দিন পরে জয়রাম মোক্তার মৃত্যু হয়েছিল? ৬০ দিন পরে ।
সপ্তাহের কোন্ দিনটি জয়রামবাবু প্রভাতের আহ্নিক পূজাটা একটু ঘটা করেই করেন, কী বারে? রবিবার ।
জয়রাম মোক্তারের গাই গোরুর নাম ছিল? মঙ্গলা।
"এই সময় দায়রায় একটি খুনী মোকদ্দমা উপস্থিত হইল।” - এই মোকদ্দমা কতদিন যাবৎ চলছিল? ৩ দিন যাবৎ ।
"শ্রীযুক্ত জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের বয়স এখন পঞ্চাশৎ পার হইয়াছে।" পঞ্চাশৎ ।
বৈশাখ মাস পড়লেই কল্যাণীর আশীর্বাদ সম্পন্ন হবে? বৈশাখ ।
মহারাজা নরেশচন্দ্র রায়ের বৈঠকখানা তলবিশিষ্ট ছিল? দ্বিতল ।
"এই কথা শুনিবামাত্র জয়রাম ক্ষোভে লজ্জায় রোষে যেন একেবারে ক্ষিপ্তপ্রায় হইয়া উঠিলেন।" ক্ষিপ্তপ্রায় ।
আদরিণীর খাওয়ার জন্য গাছ কেটে আনা হয়েছিল? কলা গাছ
'কল্যাণী'র বয়স কত? ১১ বছরের বেশি ।
পত্রবাহক জয়রামবাবুদের জন্য হাতি চাইতে গেলে মহারাজা কীভাবে আসতে বলেছিলেন? গোরুর গাড়িতে ।
"আর তোমরা বসে শুনবে”- কোন্ গান শোনার কথা এখানে বলা হয়েছে? পেয়ালা মুঝে ভর দে ।
".... একটি বড়ো মেলা হয়।"- কোথায় মেলা হয়? বামুনহাটে চৈত্র সংক্রান্তিতে ।
"একটি ঘটিতে জল লইয়া সভয় পদক্ষেপে বাহির হইয়া আসিলেন।" কে বার হয়ে এল? বড়ো বউমা
কল্যাণীর বিবাহের দিন হয়েছিল - ১০ জ্যৈষ্ঠ ।
উমাচরণ লাহিড়ীর কাছ থেকে কত টাকায় জয়রাম মোক্তার আদরিণীকে কিনেছিলেন? ২০০০ টাকায়।
বামুনহাটের মেলার কত ক্রোশ উত্তরে রসুলগঞ্জের মেলা বসে? দশ ক্রোশ উত্তরে ।
"আমি কাল সকালেই রাজবাড়িতে চিঠি লিখে পাঠাচ্ছি।” – তাহলে হাতি কখন এসে যাবে? সন্ধ্যা নাগাদ ।
'পীড়িত হইয়া পড়িল'- জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের কে? বড়োছেলের বড়োছেলে ।
জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে পীড়িত হয়েছিল - তাঁর জ্যেষ্ঠ পৌত্র
"উনি উকিল নহেন, মোক্তার। - বক্তা কে? পেশকার
"আপনি মোক্তার।" - শব্দ দুটি জজসাহেব মোট কতবার উচ্চারণ করেছিলেন? দুই বার ।
কথায় বলে ব্রহ্মবাক্য - বেদবাক্য ।
কত হাজার টাকা হলে জয়রাম মোক্তারের বড়ো নাতনির বিয়ে সম্পন্ন হবে বলে ধারণা? আড়াই হাজার ।
আদরিণী রসুলগঞ্জের মেলায় যাওয়ার সময় চোখের জল ফেলছিল ।
"হাতিটি আর কেন, ওকে বিক্রি করে ফেলুন।” – বিক্রি করে দিলে মাসে মাসে কত টাকা বেঁচে যাবে? ত্রিশ-চল্লিশ টাকা ।
"এই কথা? তার জন্যে আর ভাবনা কি ভাই?”- সংশ্লিষ্ট বিষয়টি কী? হাতি আনিয়ে নেওয়া ।
"...ওদের একে একে বিক্রি করে ফেল।” – বক্তা 'ওদের' বলতে কাদের কথা বলেছেন? নাতি-পুতি।
মহারাজা নরেশচন্দ্রের বৈঠকখানাটি ছিল - দ্বিতল ।
জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের জ্যেষ্ঠা পৌত্রীর বিয়েতে পাত্রপক্ষে দাবি করেছিল- ২০০০ টাকা ।
আদালত অবমাননার জন্য মোক্তার মহাশয়ের জরিমানা হয়েছিল- পাঁচ টাকা ।
"অপমান করিয়া তাহাদিগকে বহিষ্কৃত করিয়া দিল।”- তাহাদিগকে বলতে এখানে কাদের কথা বলা হয়েছে? অশিষ্ট বালকদিগকে ।
জয়রাম মুখোপাধ্যায় অবসরের কথা ভেবেছিলেন - ৬০ বছর বয়সে ।
"মাঝে মাঝে লোকে হস্তী ভাড়া লইতে লাগিল বটে" -কিন্তু তাতে কত টাকার বেশি আয় হল না? ১৫-২০ টাকা ।
"কম্পিতস্বরে ঘাড়, বাঁকাইয়া বারংবার বলিতে লাগিলেন- 'হাতি দিলে না...!" – বারংবার বলতে এখানে কত বার বলার কথা উল্লেখ করা আছে? ৩ বার ।
উমাচরণ লাহিড়ি তার হাতির দাম চেয়েছিলেন - ২০০০ টাকা ।
পীরগঞ্জের বাবুদের বাড়িতে বিয়ে উপলক্ষ্যে কোথা থেকে খেমটা আসছে? কলকাতা ।
মেজোবাবুর মেয়ের বিয়েতে কোথা থেকে বাই আসছে? বেনারস
জয়রাম মোস্তার যেন 'একেবারে ক্ষিপ্তপ্রায় হইয়া উঠিলেন'। তাতে তাঁর কাঁপতে লাগল- হাত পা ঠক্ ঠক্ করে
জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের কে হাতির পায়ে জল দিয়ে বরণ করেছিল - জ্যেষ্ঠ পুত্রবধূ ।
আদরিণীর ললাট 'তৈল ও সিন্দুরে' রাঙিয়ে দিয়েছিল কে? বড়োবধূ ।
"এর কারণ হল- 'মুখের জবাব মুখেই রহিয়া যায়।" জুনিয়র উকিলদের মুখের ইংরেজি ভাষা না বুঝতে পেরে তর্জমাকারীর সাহায্য নেওয়া ।
"প্রাণ ধরিয়া বিদায়বাণী উচ্চারণ করিতে পারিলেন না।”- তাই জয়রাম মোক্তার কীসের আশ্রয় নিয়েছিলেন? ছলনার ।
বিবৃতি (A): বেনারস থেকে বাইজি আসছে। কারণ (R): পীরগঞ্জের মেজোবাবুর মেয়ের বিয়ে। (A) ও (R) উভয়ই ঠিক ।
বিবৃতি (A): জয়রাম মুখোপাধ্যায়কে কয়েক মাস পরে আরও দুটি জীবনের অন্য সংস্থান করতে হবে। কারণ (R): বড় বধু ও মেজবধূ উভয়ই অন্তসজ্জা। (A) ও (R) উভয়ই ঠিক এবং R, A এর যথার্থ কারণ
বিবৃতি (A): জয়রাম হাকিমকে বলেছিলেন যে তার স্ত্রীর আইন জ্ঞান হাকিমের চেয়ে বেশি। কারণ (R): হাকিম জয়রামের মতামতে সায় দিচ্ছিলেন না। (A) ও (R) উভয়ই ঠিক এবং R, A এর যথার্থ কারণ ।
জয়রাম মুখোপাধ্যায় নরেশচন্দ্র রায়কে চিঠি লেখার সময় কোন্ বিশেষণটি ব্যবহার করেননি? প্রজাদরদি ।
"মেজবাবুর মেয়ের বিয়ে" - কী বার? সোমবার ।
বাড়ি থেকে কত দূরে আদরিণী অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়ে? সাত ক্রোশ ।
"ফুলুট বাজাইয়া বেড়াইতেছে।”-কে? জয়রাম মোক্তারের বড়োছেলে ।
কবিতা: 'ধর্ম' (শ্রীজাত)
শ্রীজাত-র লেখা 'ধর্ম' কবিতা 'অন্ধকার লেখাগুচ্ছ' কাব্যগ্রন্থের কত সংখ্যক? ১৪ সংখ্যক ।
নিচের কে নতুন পতাকায় ধর্মকে চিহ্নিত করেছিলেন- লেনিন ।
'দিগন্ত পেরনো' কার ধর্ম ছিল- আইনস্টাইনের
মানুষকে কবীর কোন পথে থাকতে বলেছিলেন- সত্যের
'ধর্ম' কবিতায় চরণসংখ্যা কয়টি? ১৪টি
শ্রীজাতর লেখা 'ধর্ম' কবিতাটি - সনেট
আবদুল করিম খাঁ কোথায় জন্মেছিলেন? উত্তরপ্রদেশ ।
ভ্যান গঘের ধর্ম ছিল কী? উন্মাদনা, আঁকা ।
'ভ্যান গঘের ধর্ম ছিল উন্মাদনা।'- ভ্যান গঘ ছিলেন একজন- চিত্রশিল্পী ।
আগুনের ধর্ম আজও ভস্মের চরিত ।
ভ্লাদিমির ইলিচ উলিয়ানভ যে নামে বেশি পরিচিত- লেনিন ।
আইনস্টাইনের বিখ্যাত আবিষ্কার- আপেক্ষিকতাবাদ।
ভ্যান গঘ কোথাকার চিত্রশিল্পী ছিলেন? হল্যান্ড ।
'তোমার ধর্মের পথে কেন অপব্যয় ভাবায় তোমাকে? অপব্যয়
'কবীরের ধর্ম ছিল সত্যের বয়ান।'- কবীর ছিলেন- সন্ত
এ-ওকে, সে-তাকে আরও- জায়গা করে দেয় ।
'তবে কেন অন্য পথ ভাবায় তোমাকে? পথ
সুফিধারা ও মরমিয়াবাদের সঙ্গে কার গান ও কবিতার সাদৃশ্য আছে? কবীরের ।
কোন্ শিল্পকর্মটি ভ্যান গঘের সৃষ্ট নয়? গণেশ জননী
কবি শ্রীজাত ধর্মের নামে দখলদারিকে কী বলেছেন। প্রতিষ্ঠান-এর প্রতি আনুগত্য
সমস্ত ধর্ম কোথায় থাকে বলে 'ধর্ম' কবিতার কবি বলেছেন?- একই গ্রহে
কবিতা: 'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' (নবনীতা দেবসেন)
'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' কবিতাটি কোথা থেকে গৃহীত?- রক্তে আমার রাজপুত্র
'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' কবিতায় কবির জননী হল - দুঃখিনী ।
'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' কবিতায় কবির কাছে দিগবিজয়ে যাওয়ার সময়ে শুধু দুটি সরঞ্জাম ছিল- উপহার ।
কবিতায় কবি ভালোবাসাকে বলেছেন- মন্ত্রপূত অসি
"আকাশে পুষ্পক আর সপ্তডিঙ্গা সাজে সিন্ধুজলে,"- পুষ্পক হল - রথ ।
রাজপুত্রের মূল উদ্দেশ্য ছিল - দিগবিজয় ।
"দিগ্বিজয়ের রূপকথা" কবিতায় 'জাদু-অশ্ব' বলতে বোঝানো হয়েছে- বিশ্বাস
'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' কী ধরনের কবিতা? গদ্য কবিতা ।
কবি বিশ্বাস আর ভালোবাসাকে সম্বল করে পৌঁছে যেতে চান - খজুরের দ্বীপে ।
কবিতায় 'দুঃখিনী জননী' বলতে বোঝানো হয়েছে- দুয়োরানিকে ।
'পূতঃ' শব্দের অর্থ হল- পবিত্র ।
'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' কবিতায় 'তৃষ্ণাহর খজুরের দ্বীপ' বলতে বোঝায় - পরমশান্তি ।
'দিগ্বিজয়' - এর প্রকৃত অর্থ হল - পৃথিবী জয় ।
'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' কবিতায় ব্যবহৃত প্রধান দুটি অস্ত্র হল - বিশ্বাস ও ভলোবাসা
'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' কবিতায় 'বিশ্বাস' ও 'ভালোবাসা হল- প্রতীকী শক্তি ।
'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' কবিতায় 'বিশ্বাস 'নামক অশ্বটির মাধ্যমে বোঝায় - আত্মবিশ্বাস ও সংকল্প ।
জাদু-অশ্বের নাম হল - বিশ্বাস ।
'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' কবিতায় 'সপ্তডিঙ্গা' হল - জলযান
কবির 'হৃদয়ের খাপে' ভরা মন্ত্রপূত অসি - অভঙ্গুর।
'কবচকুন্ডল নেই' - কবচকুন্ডল হল - কর্ণের অস্ত্র
'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' কবিতার কেন্দ্রীয় বার্তা বা মূল বিষয় হল - বাহ্যিক শক্তি নয়, মানসিক শক্তিই আসল
'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' কবিতায় কবি রক্তে নিজেকে মনে করেছেন- রাজপুত্র ।
"এই হৃদয়ের খাপে ভরা"- 'হৃদয়ের খাপে' কী ভরা আছে? মন্ত্রপূত অসি
"নিশ্চিত পৌঁছুবো..."-কে পৌঁছোবে? কবি-কথক
"শাণিত ইস্পাত খন্ড।”- 'শাণিত' শব্দের অর্থ- অতি ধারালো বা তীক্ষণ ।
"নিশ্চিত পৌঁছুবো..." কোথায় পৌঁছোনোর কথা বলা হয়েছে? খজুরের দ্বীপে ।
কবিতানুসারে 'শাণিত ইস্পাত খন্ড' বলতে কীসের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? মন্ত্রপূত অসি ।
কবিতানুসারে 'অসি' কোথায় ভরা আছে? হৃদয়ের খাপে
শাণিত ইস্পাত খন্ড ছাড়াও মন্ত্রপূত অসির আর কোন্ বৈশিষ্ট্যসূচক শব্দ কবিতায় উল্লিখিত আছে? অভঙ্গুর ।
'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' কবিতা অনুযায়ী মানুষের দিগ্বিজয়ী হতে প্রয়োজন- বিশ্বাস ও ভালোবাসা ।
"এই হৃদয়ের খাপে ভরা" হৃদয়ের খাপে বলতে বোঝানো হয়েছে আত্মপ্রত্যয়ী বীরত্বে পূর্ণ হৃদয়ের গভীরতা
কবিতায় উক্ত 'মন্ত্রপূতঃ অসি'-র নাম রাখা হয়েছে- ভালোবাসা
কবি-কথক কীভাবে খজুরের দ্বীপে পৌঁছোবেন? বিশ্বাস আর ভালোবাসার জোরে ।
'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' কোন্ কাব্যের অন্তর্গত? 'রক্তে আমি রাজপুত্র' ।
'আমি, অনুপম' উপন্যাসটিতে কোন্ আন্দোলনের কথা বর্ণিত হয়েছে? বাংলার নকশাল আন্দোলন ।
"পুষ্পক” কী? রথ
'জনশূন্য বিস্তীর্ণ প্রান্তর'-এর যে প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দটি কবিতায় ব্যবহৃত হয়েছে, তা হল- তেপান্তর ।
'পুষ্পক' কোথায় পাড়ি দেয়? আকাশে ।
কবিতানুসারে 'পক্ষীরাজ'-এর রূপ ধারণ করে- জাদু-অশ্ব ।
পক্ষীরাজ আসলে কী? কাল্পনিক অশ্ব ।
কবিতায় উক্ত 'জাদু-অশ্ব'-এর নাম রাখা হয়েছে- বিশ্বাস ।
পক্ষীরাজরূপে জাদু-অশ্ব কোথায় ঘুরে-ফেরে? তেপান্তরে
"...সপ্তডিঙ্গা সাজে সিন্ধুজলে”- 'ডিঙ্গা' শব্দটির চলিত রূপটি হল – ডিঙা বা ডিঙি ।
কবিতায় জাদু-অশ্ব একটি রূপকমাত্র। এক্ষেত্রে কবিতানুসারে 'জাদু-অশ্ব' কার রূপক? বিশ্বাস ।
"রক্তে আমি রাজপুত্র।”- রাজপুত্রের জননীকে নিম্নোক্ত কোন্ বিশেষণে বিশেষিত করা হয়েছে? দুঃখিনী ।
"রক্তে আমি রাজপুত্র।”- এখানে 'রক্তে' অর্থে- চারিত্রিক দৃঢ়তায় ।
"রক্তে আমি রাজপুত্র”- এখানে প্রকৃত অর্থে 'আমি' কে? নারীজাগরণে প্রত্যয়ী স্বয়ং কবি
'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' কবিতাটি কোন্ ছন্দে রচিত? মিশ্রবৃত্ত ছন্দে ।
কবিতায় ব্যবহৃত 'রাজপুত্র' শব্দটির প্রতিশব্দ কোনটি? রাজকুমার ।
'শুধু আশীর্বাদী দুটি সরঞ্জাম” 'সরঞ্জাম' দুটি হল- জাদু-অশ্ব ও মন্ত্রপূত অসি ।
"কিছুই ছিল না।”- কী ছিল না? কবচকুণ্ডল, ধনুক তৃণীর, শিরস্ত্রাণ ।
"শুধু আশীর্বাদী দুটি সরঞ্জাম” – সরঞ্জাম দুটি আশীর্বাদি, কারণ – সরঞ্জাম দুটি স্বয়ং দুঃখিনী জননী কর্তৃক প্রদত্ত ছিল
"কিছুই ছিল না।” – শুধু ছিল - আশীর্বাদি দুটি সরঞ্জাম
"শিরস্ত্রাণ” শব্দের অর্থ কি? মস্তকবর্ম ।
'তৃণীর' শব্দের অর্থ- বাণ বা শর রাখার আধার
"এক: এই জাদু-অশ্ব" 'জাদু-অশ্ব' বলার কারণ- অশ্বটি নানান পরিস্থিতিতে ভিন্ন ভিন্ন রূপ ধারণ করতে পারত ।
"মরুপথে সেই হয় উট"- সে' কে? জাদু-অশ্ব
জাদু-অশ্বটি উটের রূপ ধারণ করে যেখানে বিচরণ করত সেই স্থানটি কবিতায় যে নামে প্রযুক্ত হয়েছে, তা হল – মরুপথ
"হলেনই বা দুঃখিনী জননী"- জননী দুঃখিনী, কারণ- জননী স্বামীর নিকট উপেক্ষিতা দুয়োরানি ।
"দুয়োরানী দিলেন সাজিয়ে।" দুয়োরানি কাকে সাজিয়ে দিলেন? দিগ্বিজয়ে যাত্রাকারীকে
দিগ্বিজয়ের জন্য ছিল – জাদু-অশ্ব
"কবচকুন্ডল নেই,” – কবিতায় 'কবচকুণ্ডল' কোন্ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে? অভেদ্য বর্ম ও বলয়াকার কর্ণবেষ্টনী (রক্ষাকবচ) অর্থে
কবি-কথক দিগ্বিজয়ে যাবেন- এক্ষেত্রে তাঁর চরিত্রের কোন্ দিক প্রকাশিত হয়েছে? সে বীরধর্ম পালনে ব্রতী
"দিগ্বিজয়ে যেতে হবে – কাকে যেতে হবে? কবি-কথককে ।
"কবচকুন্ডল নেই” – কারণ- জননী দুয়োরানির, কথককে কবচকুণ্ডল দেওয়ার সামর্থ্য নেই
'দিগ্বিজয়' শব্দের অর্থ কী? চতুর্দিক বা নানা দেশ জয় করা ।
প্রবন্ধ: 'বাঙ্গালা ভাষা' (স্বামী বিবেকানন্দ)
'বাঙ্গালা ভাষা' প্রবন্ধটির রচয়িতা - স্বামী বিবেকানন্দ ।
স্বামীজি 'বাঙ্গালা ভাষা'-এর উৎসপত্রটি কোন্ পত্রিকার সম্পাদককে লিখেছিলেন? উদ্বোধন পত্রিকার ।
'বাঙ্গালা ভাষা' প্রবন্ধটি কোন্ গ্রন্থের অন্তর্গত? 'ভাববার কথা' ।
প্রাবন্ধিকের মতে উন্নতির প্রধান উপায় এবং লক্ষণ হল- ভাষা ।
প্রাচীনকাল থেকে আমাদের সমস্ত বিদ্যা বিষয়ের অবলম্বন - সংস্কৃত ভাষা ।
ভাবের বাহক হল – ভাষা ।
বুদ্ধ, চৈতন্য, রামকৃষ্ণ প্রমুখ মনীষী এসেছেন লোকহিতায় ।
যেসব মনীষী 'লোকহিতায়' এসেছেন তাঁরা কোন্ ভাষায় শিক্ষা দিয়েছেন? সাধারণের ভাষায় ।
প্রাচীনকালে ভারতবর্ষের সমস্ত বিদ্যা ছিল – সংস্কৃত ভাষায় ।
'বাঙ্গালা ভাষা -র উৎসপত্রটি স্বামীজি লেখেন - স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দ-র উদ্দেশে ।
প্রাবন্ধিক কোন্ ভাষাকে 'কিম্ভূতকিমাকার' বলেছেন? লেখার ভাষাকে ।
লেখার উপযুক্ত ভাষা সেটাই, যার মাধ্যমে আমরা - মনের ভাব সহজে প্রকাশ করি ।
প্রাবন্ধিকের মতে 'কলকেতার ভাষা' বিস্তৃত হবে - চট্টগ্রাম থেকে বৈদ্যনাথ পর্যন্ত ।
ক্রোধ, দুঃখ, ভালোবাসা জানানোর ভাষাকে প্রাবন্ধিক কী বলে চিহ্নিত করেছেন? লেখার জন্য আদর্শ ভাষা ।
পূর্ব-পশ্চিমী ভেদ উঠে যাবে যখন – রেল এবং গতাগতির সুবিধা হবে ।
'বাঙ্গালা দেশের স্থানে স্থানে রকমারি ভাষা, কোনটি গ্রহণ করব? কলকেতার ভাষা।
চট্টগ্রাম থেকে বৈদ্যনাথ পর্যন্ত কোন্ ভাষা চলবে? কলকেতার ভাষা ।
পাঠ্য প্রবন্ধ অনুযায়ী যাঁরা 'লোকহিতায়' এসেছেন তাঁরা হলেন- বুদ্ধ, চৈতন্য, রামকৃষ্ণ ।
'মহাভাষ্য'-এর রচয়িতা হল - পতঞ্জলি ।
'মীমাংসাভাষ্য- এর রচয়িতা ছিলেন - শবরস্বামী ।
প্রাকৃতিক নিয়মে কী বলবান হচ্ছে? কলকেতার ভাষা ।
ধ্রুপদি সংগীতের বিভিন্ন ভাবভঙ্গিযুক্ত কঠিন গানের ভাব, উদ্দেশ্য কে বুঝতে পারেন না? ভরত ঋষি ।
প্রাবন্ধিক কথ্য ভাষার যে দুটি বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন সেগুলি হল- ভাব এবং ভঙ্গি ।
অপ্রাকৃতিক এবং কল্পিত ভাষাকে প্রাবন্ধিক বলেছেন- কটমট ।
মানুষ জ্যান্ত ভাষায় তখন কথা বলে, যখন সে- বেঁচে থাকে
'মুচড়ে মুচড়ে যা ইচ্ছে কর'- কাকে নিয়ে যা ইচ্ছে করার কথা এখানে বলা হয়েছে? ইস্পাতকে।
'কটমট ভাষা' বলতে প্রাবন্ধিক বুঝিয়েছেন- যে ভাষা অপ্রাকৃতিক এবং কল্পিত ।
'বাঙ্গালা ভাষা'-র উৎসপত্রটি স্বামীজি কোন্ স্থান থেকে প্রেরণ করেছিলেন? আমেরিকা। ।
মরণ নিকট হলে মানুষের কী ক্ষয় হয়? চিন্তাশক্তির।
সমগ্র দেশের কল্যাণের জন্য যা করতে হবে, তা হল - জেলা বা গ্রামের ভাষার প্রাধান্যকে ভুলে যেতে হবে ।
স্বামী বিবেকানন্দের মত অনুসারে সাধারণ জনগণের মধ্যে শিক্ষাবিস্তারের প্রধান বাধা হল সংস্কৃত ভাষার আধিপত্য ।
'তখন এই সব চিহ্ন উদয় হল'- কখন? যখন দেশটা উৎসন্নে যেতে আরম্ভ হল ।
স্বামী বিবেকানন্দর মতে অন্তরের প্রকাশ্য ভাবরাশি আসবে- চলিত কথায়
অল্প দিনে 'সমস্ত বাঙ্গালা দেশের ভাষা' হয়ে যাবে- কলকেতার ভাষা ।
একবার 'কলকেতার হাওয়া' খেলেই লোকজন কী করে? কলকাতার ভাষাতেই কথা বলে ।
'বাঙ্গালা ভাষা' প্রবন্ধে কত সংখ্যক বিশেষণের কথা বলা হয়েছে? দুই হাজার ছাঁদি ।
প্রাচীনকালে ভারতের সমস্ত বিদ্যা সংস্কৃত ভাষায় থাকায় কাদের মধ্যে পার্থক্য তৈরি হয়েছিল? বিদ্বান এবং সাধারণের মধ্যে ।
'যেদিক হতেই আসুক না', এখানে কোন্ দুটি দিকের কথা প্রাবন্ধিক উল্লেখ করেছেন? পূর্ব-পশ্চিম
প্রাবন্ধিক ঘোড়ার কীরূপ সাজসজ্জার কথা লিখেছেন? হীরেমতির সাজ ।
'বাঙ্গালা ভাষা' প্রবন্ধে স্বামী বিবেকানন্দ ভাষাকে তুলনা করেছেন- ইস্পাতের সঙ্গে ।
কলকেতার ভাষাকে ভিত্তি স্বরূপ গ্রহণ করবেন যিনি, তিনি - বুদ্ধিমান
প্রাচীন ভারতে সংস্কৃত ভাষায় সমস্ত পঠনপাঠন হওয়ায় বিদ্বান এবং সাধারণের মধ্যে তৈরি হয়েছে – অপার সমুদ্র ।
পুস্তকের ভাষা আর ঘরে কথা বলার ভাষাকে এক করার জন্য কোন্ ভাষাকে ভিত্তি স্বরূপ গ্রহণ করতে হবে? কলকেতার ভাষা ।
প্রাবন্ধিকের মতে জাতীয় জীবনে যেরকম উৎসাহ আসবে সেরকমই ভাষা, শিল্প, সংগীত নিজে থেকেই - ভাবময়, প্রাণপূর্ণ হয়ে উঠবে ।
গানের মধ্যে কীসের ধুম লেগেছিল? প্যাঁচের ।
কী জাতীয় ভাষা, শিল্প এবং সংগীত কোনো কাজের নয়? ভাবহীন, প্রাণহীন সংগীত
রেল এবং গতাগতির সুবিধা হলে কী হবে? পূর্ব-পশ্চিমী ভেদ উঠে যাবে
সমগ্র দেশের কল্যাণের জন্য কোন্ জিনিসকে প্রাবন্ধিক জলে ভাসান দিতে বলেছেন? গ্রাম্য ঈর্ষাকে ।
আলোচ্য প্রবন্ধে 'হীরেমতির সাজ-পরানো ঘোড়ার উপর বাঁদর' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ভাষা ও ভাবের সামঞ্জস্যহীনতা ।
মৃত্যু নিকটে এলে বা চিন্তাশক্তির ক্ষয় হলে দু-একটা পচা ভাব ছাপাবার চেষ্টা করা হয় কীসের মাধ্যমে? রাশিকৃত ফুল-চন্দন দিয়ে ।
প্রাবন্ধিকের মতে চলিত কথায় অন্তরের ভাবরাশি প্রকাশের ভক্তি হবে ।
ভরত ঋষির বুঝতে না পারা গানের ডামাডোলের প্রকৃতি কেমন ছিল? আঁকাবাঁকা ।
'রাজা আসীৎ' শব্দের অর্থ হল- রাজা ছিলেন ।
যারা লোকহিতায় এসেছেন তাঁরা সকলেই সাধারণ লোকের ভাষায় সাধারণকে শিক্ষা দিয়েছেন। ।
গয়নাটা নাক কুঁড়ে ঘাড় ফুঁড়ে প্রবেশ করে ব্রাহ্মরাক্ষসীতে রূপান্তরিত করেছে? ব্রাহ্মরাক্ষসী ।
কলকাতার ভাষা প্রাকৃতিক নিয়মে রূপে বলবান হচ্ছে বলে প্রাবন্ধিক মনে করেছেন? প্রাকৃতিক নিয়মে ।
সংস্কৃত ভাষার গদাইলশকরি চাল নকল করে লেখ্য বাংলা ভাষা অস্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে? লেখ্য বাংলা ভাষা ।
মুসলমান ওস্তাদদের নকল করে ধ্রুপদি আঁকাবাঁকা গানের আবির্ভাব ঘটেছিল? মুসলমান ওস্তাদদের
স্বামীজি সংস্কৃত ভাষার ভাবভঙ্গিকে বলেছেন? গদাইলশকরি চাল
Column Matching: (স্তস্ত মিলকরণ) a-iii, b-i, c-iv, d-ii
প্রাবন্ধিক গানের ব্যাপারে কোন্ দুটি বিভ্রমের কথা লিখেছেন? কান্না, ঝগড়া
স্বামী বিবেকানন্দ সংস্কৃত রচনায় ব্যবহৃত বিশেষণ, সমাস, শ্লেষ ইত্যাদিকে বলেছেন- মড়ার লক্ষণ ।
গয়নায় কী ধরনের নকশার আধিক্যের কথা প্রাবন্ধিক উল্লেখ করেছেন? লতা-পাতা চিত্র-বিচিত্র ।
স্বামী বিবেকানন্দ যে শহরের ভাষাকে গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছেন তা হল - কলকাতা
'বাঙ্গালা ভাষা' প্রবন্ধে 'রাজা আসীৎ'-এই কথার পূর্বে সুদীর্ঘ বিশেষণ কত পাতা জুড়ে রয়েছে বলে আমরা জানতে পারি? দশ পাতা ।
নীচের কোন ভাষাকে 'মৃত ভাষা' বলা হয় - সংস্কৃত ভাষাকে ।
Assertion-Reasoning Type Questions: (বিবৃতি- কারণধর্মী প্রশ্ন) (A) ঠিক ও (R) ভুল ।
যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে ভাষার পরিবর্তন ঘটে। যোগাযোগ ব্যবস্থার ।
দশপাতা লম্বা লম্বা বিশেষণের পর দুম করে কী লেখা হয়েছিল? রাজা আসীৎ ।
ভাষার যে বৈশিষ্ট্যকে স্বামী বিবেকানন্দ গুরুত্ব দিয়েছেন তা হল - সহজতা ও স্পষ্টতা ।
ভাষার পরিবর্তন নীচের কোন উপাদানের উপর নির্ভরশীল - সামাজিক পরিবর্তন
'বাঙ্গালা ভাষা' প্রবন্ধ অনুসারে লেখার সময়ে পন্ডিতেরা যে ভাষা ব্যবহার করেন, সেটি হল - কিম্ভুতকিমাকার
'বাঙ্গালা ভাষা' প্রবন্ধে ভাষার উন্নতির প্রধান লক্ষণ হল - জাতীয় উন্নতি ।
যে ভাষা ভবিষ্যতে বাংলা ভাষার মূলভিত্তি হবে তা হল - কলকাতার ভাষা
"যত রেল এবং গতাগতির সুবিধা হবে তত ... পূর্ব-পশ্চিমি ভেদ উঠে যাবে"। ।
'ভরত ঋষিও বুঝতে পারেন না"- ভরত ঋষি বুঝতে পারেন না - গানের ভাব বা উদেশ্য ।
'বাঙ্গালা ভাষা' প্রবন্ধ অনুসারে ভাষা হবে - সহজ ও প্রাঞ্জল ।
স্বামী বিবেকানন্দের মতে চলিত ভাষাতেও হতে পারে - শিল্পনৈপুন্য ।
"প্রাকৃতিক নিয়মে যেটি বলবান হচ্ছে এবং ছড়িয়ে পড়ছে, সেইটিই নিতে হবে।"- সেটি হল কলকাতার ভাষা
"যত রেল এবং গতাগতির সুবিধা হবে, তত ভেদ উঠে যাবে"। পূর্ব-পশ্চিমী ।
ভাষার শক্তির মূল উপাদান হল - সাধারণ মানুষের ভাষা
দর্শন-বিজ্ঞান ইত্যাদি লেখার উপযুক্ত ভাষা হল- যে ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করা হয় ।
'রাজা আসীৎ' এ কথার অর্থ হল - রাজা ছিলেন ।
সাধারণ মানুষের ভাষায় ধর্মীয় শিক্ষাপ্রচার করে - বুদ্ধ, চৈতন্য, রামকৃষ ।
স্বামী বিবেকানন্দের মতে, ভাষার প্রকৃত রূপ হওয়া উচিত - সহজ ও প্রাণবন্ত ।
একটি ভারতীয় গল্প: পোটরাজ (শঙ্কর রাও খারাট)
'পোটরাজ' গল্পটি অনুবাদ করেছেন - সুনন্দন চক্রবর্তী ।
গ্রামের সমস্ত লোকেরা হাঁটুর উপর মাথা রেখে বসে আছে কারণ- গ্রামে মহামারি লাগায় তারা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত
গ্রামের পোটরাজের নাম ছিল - দামা ।
পোটরাজের স্ত্রীর নাম ছিল - দুরপত ।
'পোটরাজ' গল্পের কাহিনি - আষাঢ় মাসের ।
'পোটরাজ' গল্পটি কোন্ গ্রন্থ থেকে গৃহীত? 'বড় বালুতেদার'
দামার বউয়ের চোখগুলি ছিল - জল ভরা ।
পোটরাজ-রা কোন্ দেবীর উপাসক? মারীয়াই ।
দামার বাড়ির দরজায় চিৎকার করেছিল - একটা কুকুর ।
পোটরাজ দামার বাড়ির আবহাওয়া কীরূপ? ভারী
'দামা বাড়ি আছে নাকি?' - বক্তা হলেন - মোড়ল আর তার চেলা ।
পোটরাজ দামাকে দেখতে মোড়লরা এসেছিল - মোট চার জন ।
"পোটরাজ কেমন আছে দেখতে লোকে তো আসবেই।"- বক্তা হলেন - বঞ্চলাবাঈ ।
মোড়ল গ্রামের লোকজনকে অসুখ থেকে বাঁচানোর জন্য করতে চেয়েছিল - যাত্রা ।
দুরপত-দামার বড়ো ছেলের নাম - আনন্দ ।
আনন্দ সূর্য ওঠার পর - নদীতে স্নান করতে গিয়েছিল ।
পোটরাজ রোদে বেরোয় না- তিনদিন হয়ে গেল
গ্রামে সবাই উদবিগ্ন ছিল, কারণ - একটি মারাত্মক রোগ ছড়িয়ে পড়েছিল ।
গ্রামের সমস্ত লোকেরা কীভাবে বসে? হাঁটুর উপর মাথা রেখে
দুরপতের বাড়ির পাশে রাত্রিতে তীক্ষণ চিৎকার করেছিল - একটা ফেউ ।
দামার বড়ো ছেলে- হাইস্কুলে পড়াশোনা করত ।
দূরপাতের ছেলে হাইস্কুলে পড়ে - ইংরেজি ।
দামার বউ-এর নাম কী? দুরপত ।
গ্রামের সমস্ত লোকেরা হাঁটুর উপর মাথা রেখে বসে আছে, কারণ- গ্রামে মহামারি লাগায় তারা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ।
দামার বউয়ের চোখ জলভরা ছিল। কারণ - তার স্বামী পোটরাজ অসুস্থ ছিল ।
দুরপাতের ছেলে কাকের দিকে ছুঁড়েছিল - ঢিল ।
আনন্দ গল্পের শেষে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল - সে মন্দিরে গিয়ে কিছু ঘটায় ।
গ্রামের লোকেরা দেবীর লীলা সম্পর্কে বলেছিল - দেবীর ইচ্ছাই শেষ কথা ।
পোটরাজের জীবন ছিল - কঠোর ও ত্যাগের ।
"এখনও প্রাণটুকু আছে খালি বাবা।” বক্তা হলেন- দুরপত ।
".... তার দিকে ঢিল ছোঁড়ে।" - ঢিল ছুঁড়েছিল - দুরপতের ছেলে ।
"ভবিষ্যতের কথা বলছে গো।" - বক্তা হলেন দুরপতের পাশে বসা বউটি ।
মারী-আই দেবীর কাছে ছাগল না পেলে বলি দেওয়া হত - কুঁকড়ো
'পোটরাজ' গল্পের কাহিনি যেদিন শুরু, সেদিন আকাশ ছিল - মেঘে ঢাকা
দেবী মারীয়াইকে দূরপত কোন্ জিনিসটি দেয়নি? কুমড়ো ।
দামা পোটরাজের বাড়িতে পাড়া থেকে কারা আসছে? পাড়ার বউঝিরা ।
'পোটরাজ' গল্পে কার, খালি প্রাণটুকু রয়েছে? দামা পোটরাজের ।
গ্রামের প্রায় প্রত্যেক বাড়ির অন্তত ক-জন করে বিছানায় শয্যাশায়ী? একজন ।
"তাও ভয় লাগে।"-কার? দুরপতের ।
"তাও ভয় লাগে”- কীসের ভয়? দেবীর প্রকোপ ও দামা পোটরাজের মৃত্যুর আশঙ্কাজনিত ভয়
"কেউ না বলেছে?”- কোন্ কথায় কেউ দ্বিমত পোষণ করেননি? মারীয়াইয়ের যাত্রা করার কথায়
'এখন'- কীসের সময়? ঠাকুরের মুখে চাওয়ার সময়
"হয়তো এবার মা ঝেটিয়ে নিয়ে যাবেন।"- এই 'ঝেটিয়ে' নিয়ে যাওয়ার অর্থ হল- মহামারিতে গ্রামের অধিকাংশ জনবসতি সাফ হয়ে যাওয়া
'পোটরাজ' গল্পে কার কাছে সকলে সমান? দেবী মারীয়াইয়ের কাছে
দামা পোটরাজের বাড়ির সামনের নিম গাছে চেঁচিয়ে ওঠে একটা- কাক
পোটরাজের বাড়ির সামনে কাকটি কোন্ গাছে বসে চেঁচিয়েছিল? নিম গাছ ।
আশঙ্কাগ্রস্ত দুরপত কাককে কী বলে ডেকেছিল? বেজন্মা
'বেজম্মা' কাক চেঁচিয়ে কাকে ডাকছে বলে দুরপতের ধারণা? অসুস্থ দামা পোটরাজকে
"পোটরাজকে ডাকে রে।"-কে ডাকে? কাক ।
আষাঢ় মাসে গ্রামের মাটির অবস্থা হয় কীরূপ? মাটি কাদায় আঠালো ।
"গাছের পাতা একটুও নড়ছে না, স্থির।” – কারণ আবহাওয়া- গুমোট
"শুনে দূরপতের প্রাণ শুকোয়।” – কী শুনে? কুকুরের চিৎকার
"ছেড়ে দাও। ভবিষ্যতের কথা বলছে গো।”- বক্তা হলেন- দুরপতের পাশে বসা বউটি ।
"ভবিষ্যতের কথা বলছে গো।”- কে ভবিষ্যতের কথা বলছে? কুকুর ।
বেজন্মা কাক পোেটরাজের পরিবারকে কী করে? শাপমন্যি ।
বঞ্চলাবাঈ, দূরপতকে কোন্ যাত্রায় যাওয়ার কথা জিজ্ঞেস করে? দেবী মারীয়াইয়ের যাত্রায়
"যেতে ভুলি কী করে?” – কোথায় যেতে না ভোলার কথা বলা হয়েছে? গ্রামের দেবী মারীয়াইয়ের যাত্রায়
"সব দেবতার মধ্যে ওঁরে তুচ্ছি করি সাধ্যি কী।”- কাকে তুচ্ছ করার সাধ্য দুরপতের নেই? গ্রামের দেবী মারীয়াইকে
"ওঁরে তুষ্ট রেখে ভালো করেছিস। এবার..."- এবার কী হবে? এবার দামা পোটরাজ ভালো হয়ে যাবে
দেবী মারীয়াইকে তুষ্ট রাখার ফলে, পোটরাজের আরোগ্যলাভের আশ্বাসবাণীটি ছিল- বঞ্চলাবাঈয়ের।
দেবী মারীয়াইকে তুষ্ট রেখেছিল- দুরপত
"মা ওকে দেখবেন।"- কাকে? দুরপতের স্বামীকে
দামা কেন পোটরাজ হয়েছে? দামার বাবা-মা দেবী মারীয়াইয়ের কাছে মানত করে তাকে পেয়েছিল বলে ।
দেবী মারীয়াইকে, দূরপত স্নান করায় - দুধ-দই দিয়ে ।
মারীয়াইকে কোন্ রঙের শাড়ি পরানো হয়? সবুজ
প্রতি আষাঢ়ে অমাবস্যায় দুরপত, মারীয়াইয়ের সম্মুখে কী করে? স্নানের পর ভেজা শাড়িতে গড়ান দেয়
দূরপত, ছাগল বলি দিতে না পারলে দেবী মারীয়াইয়ের কাছে কীসের বলি দেয়? কুঁকড়ো
"তার গলায় আর্তি”- কার? দুরপতের
দূরপত কোন্ দিকে মুখ করে প্রার্থনা করে? মারীয়াইয়ের মন্দিরের দিকে
গাঁয়ের সর্বত্র কীসের আওয়াজ? কান্না-চিৎকারের
"শুনে তার হাত-পা স্থির।"- কী শুনে? নিম গাছে বসা কাকের ডাক ।
দুরপত দিন দেবীর জন্য উপোস করেছে? মঙ্গল-শুক্রবারে ।
পোটরাজ যদি নাও হয় এখন ওকেই পোর্টরাজ বলে ধরতে হবে। পোর্টরাজ
বঞ্চলাবাঈ, দূরপতকে দুরপা নামে সম্বোধন করে? দুরপা
বাড়ির সামনের নিম গাছে চিৎকার করে উঠেছিল একটি কাক। নিম গাছ
মারীয়াইয়ের ক্রোধ বর্ণনাতীত? মারীয়াইয়ের
'পোটরাজ' গল্পটা আষাঢ় মাসের সময়ের? আষাঢ় মাসের
ঢাক বাজছে, ঘন্টা বাজছে, গান হচ্ছে। ঘন্টা ।
"শুনে তার হাত-পা স্থির।' কি শুনে হাত-পা স্থির হয়েছিল? নিম গাছে কাকের ডাক
একটি আন্তর্জাতিক কবিতা: 'তার সঙ্গে' (পাবলো নেরুদা)
'তার সঙ্গে' কবিতাটি বাংলায় তরজমা করেছেন কে? শক্তি চট্টোপাধ্যায় ।
শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের 'তার সঙ্গে' কবিতাটি যাঁর কবিতার অনুবাদ - পাবলো নেরুদা ।
".... একে পার করতে হবে।"- কবি মতে পার করতে হবে- সময়কে ।
কবি সময়টি সুবিধার নয় বলে তাঁর সন্ধীকে অপেক্ষা করতে বলেছেন- কবির জন্য
'তার সঙ্গে' কবিতাটি পাবলো নেরুদা-র কোন্ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত? 'Extravagaria' ।
".... অপেক্ষা করো।" এখানে অপেক্ষা করতে বলেছেন- কবির জন্য
"... আমার হাতে রাখো" কবি রাখতে বলেছেন- প্রিয়তমার দুটি ছোট্ট হাত ।
'তার সঙ্গে' কবিতায় কবি সঙ্গে নিতে বলেছেন- ঝুড়ি-শাবল ।
'তার সঙ্গে' কবিতাটি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কোন্ গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে? 'খ' ও 'গ' উভয়ই।
যখন সময় সুবিধার না তখন কী করতে হবে ? সমঝে পার হতে হবে
"তুমি তোমার ঐ ছোট্ট দুটি হাত আমার হাতে রাখো " - এখানে তুমি হল - প্রিয়জন
"আমার আবার সেরকম এক জুড়ি" - 'জুড়ি' বলতে বোঝানো হয়েছে- জীবনসঙ্গীকে ।
'তার সঙ্গে' কবিতায় কবি শাবল, ঝুড়ি ও কাপড় চোপড় নিতে বলেছেন - লড়াইয়ের প্রস্তুতির জন্য ।
'তার সঙ্গে' কবিতাটি কোন্ যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত? স্পেনের গৃহযুদ্ধ
'তার সঙ্গে' কবিতায় 'চার হাত চার চোখ' বলতে বোঝানো হয়েছে- সহযোগিতা ও ঐক্য ।
সময়টা কীরূপ? খুব সুবিধের না ।
"... খুব সুবিধের না।”- কীসের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? সময়ের প্রতি ।
"... আমার হাতে রাখো"- কী রাখার কথা বলা হয়েছে? হাত ।
"ঐ ছোট্ট দুটি হাত আমার হাতে রাখো”- কে হাত রাখবে? কথকের প্রেমিকা
আগুন জ্বালানোর জন্য লাগবে - একে অপরকে ।
'তার সঙ্গে' কবিতায় কবির মতে, তাঁদের হাতগুলো লাগবে - আগুন জ্বালানোর জন্য ।
'রোসো' শব্দের অর্থ হল - অপেক্ষা করো
খুব সর্ব্বে একে পার করতে হবে।- কারা পার করবে? কথক ও তাঁর সঙ্গিনী
'তার সঙ্গে' কবিতায় কবি প্রতিকূল সময়কে মোকাবিলা করতে বলেছেন- একসঙ্গে থেকে
যখন সময় সুবিধের না তখন কী করতে হবে? সমঝে পার হতে হবে।
"ধুয়ে মুছে আগুন বানাবার জন্যে"- এখানে আগুন হল - নব সূচনার প্রতীক
আমাদের দুজনের হাতগুলোই লাগবে। হাতগুলোই ।
দুজনে মিলে খুব সমঝে একে পার করতে হবে। সমঝে ।
বোসো, আমার জন্যে দাঁড়াও। কথক উদ্দেশে এই কথাগুলি বলেছেন? সঙ্গিনীর
কাঁকে ঝুড়ি নাও, শাবল নাও। শাবল
'কষ্টেসৃষ্টেও' কবি-কথক উঠে দাঁড়াবেন বলে জানিয়েছেন? উঠে দাঁড়াবেন
কবি কুঠার সঙ্গে নিতে বলেননি।
অস্থির এই পরিস্থিতিতে কবি-কথক সঙ্গ প্রার্থনা করেছেন। প্রিয়তমার ।
ধুয়ে মুছে আগুন বানাবার জন্যে। আগুন
আমাদের দুজনের হাতগুলোই লাগবে"। দুজনের ।
'তার সঙ্গে' কবিতার মূল বিষয় হল - সংকট মোকাবিলার জন্য ঐক্য প্রয়োজন ।
এখন আমাদের একে অপরকে লাগবে।- কথক তাঁর সঙ্গিনীর উদ্দেশে একথা বলেছেন কেন? প্রতিকূল পরিস্থিতিতে লড়াই করার জন্য। ।
"ব্যাপারটা বুঝবো..."- কোন্ 'ব্যাপার'-টি বোঝার কথা বলা হয়েছে? অস্থির সময়ের কথা ।
আলোচ্য কবিতায় কোন্ ফুলের কথা বলা হয়েছে? কারনেশন।
'আমাদের দুজনের হাতগুলোই লাগবে'- কীসের জন্য? ধুয়ে মুছে আগুন বানানোর জন্য।
ধুয়ে মুছে আগুন বানাবার জন্য কী লাগবে ? কথক ও তাঁর প্রিয়তমার হাতগুলো ।
কবির মত অনুসারে, একে অপরের প্রয়োজন নেই - মধু তালাশের জন্য
আমরা আবার সেরকম এক জুড়ি- এই জুড়ি কীরকম? এই জুড়ি স্থানে-অস্থানে বেঁচেবর্তে এসেছে
... স্থানে-অস্থানে বেঁচেবত্তে এসেছে- কারা? কথক ও তাঁর সঙ্গিনী
... বেঁচেবত্তে এসেছে' - কোথায় বেঁচেবর্তে থাকার কথা বলা হয়েছে? স্থানে-অস্থানে
পাথরে-ফাটলে কথক ও তাঁর সঙ্গিনীর কী বানাতে আটকায়নি? বাসা ।
পাথরে-ফাটলেও যাদের বাসা বানাতে আটকায়নি।- কাদের? কবি-কথক ও তাঁর সঙ্গিনীর ।
'কাঁকে ঝুড়ি নাও, শাবল নাও'- কথক, কাকে এই নির্দেশ দিয়েছেন? তাঁর সঙ্গিনীকে ।
'এখন আমাদের একে অপরকে লাগবে'। - একথা কবি-কথক কাকে বলেছেন? সঙ্গিনীকে ।
'... একে যুঝবোই'।- কার বিরুদ্ধে যুঝবার কথা বলা হয়েছে? সুবিধের-নয়-সময়টার বিরুদ্ধে
কবিতাটিতে ক-টি স্তবক রয়েছে? পাঁচটি
সময়টা খুব সুবিধের না।- এর জন্য প্রয়োজন মানুষের- ঐক্যবদ্ধতা ।
'... সঙ্গে নিয়ে যাও, যা পারো।'- কী সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে? কাপড়চোপড়
কথক তাঁর সঙ্গিনীকে ঝুড়ি ছাড়া আর কী কী সঙ্গে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন? শাবল, কাপড়চোপড়
'বোসো, আমার জন্যে দাঁড়াও'। কারণ- সময়টা মোটেই সুবিধের না
'... যাদের বাসা বানাতে আটকায়নি'।- কোথায় বাসা বানাতে আটকায়নি? পাথরে-ফাটলে ।
"... অপেক্ষা করো"- কে অপেক্ষা করতে বলেছে? কথক
ভাষা: প্রথম অধ্যায়:
ভাষাবিজ্ঞান ও তার শাখা-প্রশাখা
ভাষাবিজ্ঞানের বহুল প্রচলিত শাখা হল- তিনটি ।
কোনো লেখকের লেখার নিজস্ব রচনারীতির বিশ্লেষণকে বলা হয় - শৈলীবিজ্ঞান ।
'শৈলী' শব্দের অর্থ- রচনারীতি ।
তুলনামূলক ভাষাবিজ্ঞানের সূত্রপাত করেছিলেন- স্যার উইলিয়াম জোন্স ।
স্যার উইলিয়াম জোন্স ভাষাবিজ্ঞানের সূত্রপাত করেছিলেন কত খ্রিস্টাব্দে? ১৭৮৬ খ্রিস্টাব্দে ।
সংস্কৃত, গ্রিক, লাতিন প্রভৃতি ভাষাগুলির উৎপত্তির মূলে প্রধান ভাষাটি কী? ইন্দো-ইউরোপীয় ।
বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞানের সূত্রপাত হয়েছিল- বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে
LAD শব্দটির পুরো নামক Language Acquisition Device ।
প্রধান ভাষাবিজ্ঞান যে পাঁচটি শাখায় ভাষা আলোচনা করে, সেই শাখাগুলির অন্তর্গত নয়- শৈলীবিজ্ঞান ।
কোথায় প্রথম বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞানের জন্ম হয়েছিল? ইউরোপে
বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে কীভাবে ধ্বনিসমষ্টি উচ্চারিত হয়, তা আলোচনা করে- ধ্বনিবিজ্ঞান
বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞান আলোচনা করে- সমকালীন ভাষার গঠনরীতি নিয়ে ।
ভাষাবিজ্ঞানের কোন্ শাখাটি ফলিত ভাষাবিজ্ঞানের অন্তর্গত, চিহ্নিত করো- সমাজভাষাবিজ্ঞান ।
'Dictionary' শব্দটি প্রথম পাওয়া যায়- ১৫৩৮ সালে স্যার থমাস এলিয়েট-এর ল্যাটিন-ইংরেজি অভিধানে ।
স্যার উইলিয়াম জোন্স সংস্কৃত ভাষার সঙ্গে যেসব ভাষার প্রচুর মিল খুঁজে পেয়েছিলেন, তার মধ্যে কয়েকটি ভাষা হল- গ্রিক, লাতিন, ফারসি ।
বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়গুলি হল ধ্বনিবিজ্ঞান ও ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব এবং শব্দার্থতত্ত্ব ।
অভিধান বিজ্ঞানের পথিকৃৎ হল- যাস্ক
ভাষা সৃষ্টি ও প্রয়োগে মস্তিষ্কের বাম গোলার্ধ বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করে? বাম
ভাষার নানা উপাদান এবং তাদের পারস্পরিক সম্পর্কের মূল সংবিধি, ভাষার বিভিন্ন উপাদান এবং উপাদানগুলির পারস্পরিক সম্পর্কের জালবিন্যাসকে বলা হয়- লাঙ্ ।
কোনো ব্যক্তি বিশেষ উপভাষার যে বিশেষ রীতি ব্যবহার করে তাকে বলে- কোড ।
এক ভাষার শব্দকে সেই ভাষাতেই ব্যাখ্যা করা হলে, তাকে বলে- একভাষিক অভিধান ।
'লাহ্' ও 'পারোল' ধারণার প্রবক্তা- সোস্যুর
এক ভাষার শব্দ অন্য ভাষায় ব্যাখ্যা করা হলে, তাকে বলে- দ্বিভাষিক অভিধান ।
ভাষাবিজ্ঞানের মূল আলোচ্য বিষয়- মুখের ভাষা ।
ভাষাবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য হল- ভাষা নিয়ে বিজ্ঞানসম্মতভাবে চর্চা করা
ভাষা ব্যবহারের উপাদান নির্বাচন ও প্রতিস্থাপনের মধ্যে দিয়ে নিজস্ব বিন্যাসে স্পষ্ট ও প্রকট বাচনক্রিয়াকে বলে- পারোল ।
LAS হল- মানুষের মস্তিষ্কে ভাষা শেখার প্রক্রিয়া
পৃথিবীর প্রাচীনতম অভিধান হল- নিরুক্ত ।
ভারতে অভিধান রচনার সূত্রপাত হয়- যাস্কের 'নিরুক্ত' থেকে
এক বা একাধিক ভাষার কালগত ধারাবাহিক রূপান্তর আলোচনা করে ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান
ভাষাবিজ্ঞানে তিনটি বহুল প্রচলিত শাখার নাম হল- তুলনামূলক, ঐতিহাসিক, বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞান ।
LAD হল- মানুষের মস্তিষ্কে অবস্থিত একটা ভাষাপ্রত্যঙ্গ
LAD ও LAS ধারণার জনক কে? অথবা, 'সর্বজনীন ব্যাকরণ' কার রচিত।- চমস্কি
ভাষা: দ্বিতীয় অধ্যায়: ধ্বনিতত্ত্ব
'Phonology' বলতে বুঝি- ধ্বনিতত্ত্ব ।
বাংলায় ১১টি স্বরবর্ণের মধ্যে ৭টি স্বরধ্বনিকে বলা হয়- মৌলিক স্বরধ্বনি ।
পাশাপাশি উচ্চারিত দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির সমাবেশকে বলে- গুচ্ছধ্বনি
পাশাপাশি উচ্চারিত দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির সমাবেশকে বলে- গুচ্ছধ্বনি ।
ভাষার অর্থহীন এবং ক্ষুদ্রতম একক হল- বাগধ্বনি
বিভাজ্যধ্বনির অপর নাম- খণ্ডধ্বনি
দৈর্ঘ্য, শ্বাসাঘাত, যতি ও সুরতরঙ্গ যে ধ্বনির অন্তর্গত, সেটি হল- অবিভাজ্যধ্বনি
ধ্বনির ক্ষুদ্রতম একক অর্থের পার্থক্য সৃষ্টি করে? ধ্বনিমূল ।
উষ্মধ্বনিগুলি হল- স্, শ্, হ ।
একটি তাড়িত মহাপ্রাণধ্বনি হল- ঢ় ।
উষ্মধ্বনিটি হল- শ্ ।
'ল্' ধ্বনিটি- পার্শ্বিকধ্বনি
যখন কোনো শব্দের অন্তর্গত কোনো বিশেষ ধ্বনি বা অক্ষরকে উচ্চারণ করার সময় অপেক্ষাকৃত বেশি জোর দিয়ে উচ্চারণ করা হয়, সেই জোরের মাত্রাকে বলে - শ্বাসাঘাত ।
খণ্ডধ্বনি অপর নাম - বিভাজ্য ধ্বনি ।
'Phonetics'-এর বাংলা প্রতিশব্দ হল- ধ্বনিতত্ত্ব ।
একের বেশি স্বরধ্বনির সমন্বয়ে যে স্বরধ্বনি সৃষ্টি হয়, তাকে বলে- যৌগিক স্বরধ্বনি
মুখের মান্য বাংলায় স্বরধ্বনির সংখ্যা ৭ টি ও ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা ৩০ টি।-
লোকসাধারণের জ্ঞান ও বিশ্বাস অনুসারে নির্ণীত ব্যুৎপত্তির ওপর নির্ভর করে শব্দের ধ্বনি পরিবর্তনকে বলা হয়- লোকনিরুক্তি ।
মুক্ত বৈচিত্র্যের ধ্বনিগুলিকে ভাষায় যা বলে গণ্য করা হয়- ধ্বনিমূল ।
দৈর্ঘ্য, শ্বাসাঘাত, যতি ও সুরতরঙ্গ হল- অবিভাজ্য ধ্বনি
বাগযন্ত্রের সাহায্যে আমরা যা উচ্চারণ করি তার সামঞ্জস্যপূর্ণ সমষ্টি হল ধ্বনি, ধ্বনির লিখিত সাংকেতিক রূপ হল- বর্ণ ।
বাগযন্ত্রের সাহায্যে ধ্বনিগুলির উচ্চারণ আলোচিত হয় যেখানে, তা হল- ধ্বনিবিজ্ঞান
ভাষায় এমন কিছু ধ্বনি থাকে, যেগুলিকে বিভাজ্য ধ্বনির মতো খন্ড করা যায় না, তাদের বলে- অবিভাজ্য ধ্বনি ।
'অ্যা' হল একটি- মৌলিক স্বরধ্বনি
যে সব ধ্বনিকে ধ্বনিপ্রবাহ থেকে বিভাজন করা যায়, তাকে বলে- বিভাজ্য ধ্বনি
কণ্ঠনালীয় ধ্বনিটি হল- হ
যৌগিক স্বরধ্বনির উদাহরণ- ঐ, ঔ ।
দল বা শব্দসীমার অপেক্ষাকৃত লম্বা ছেদকে বলে- যতি
ধ্বনিমূল ও সহধ্বনি ধ্বনিতত্ত্বের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা হল
প্রদত্ত কোনটি বাগযন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত নয়? কর্ণ
যে ব্যঞ্জনধ্বনির সমাবেশগুলি শব্দের বা দলের শুরুতে উচ্চারিত হতে পারে, তাদের বলে- যুক্তধ্বনি
অর্থপূর্ণ ক্ষুদ্রতম ধ্বনিসমষ্টিকে বলে- ধ্বনিমূল ।
ম্, ন্, ধ্বনিগুলি হল- নাসিক্য ধ্বনি
দুটি শব্দের মধ্যে যদি একটিমাত্র ধ্বনির ন্যূনতম উচ্চারণ পার্থক্য থাকে, তাকে বলে- ন্যূনতম শব্দজোড় ।
ভাষা: তৃতীয় অধ্যায়: শব্দার্থতত্ত্ব
'Semantics' -শব্দটি প্রথম কে ব্যবহার করেন? মাইকেল ব্রেল ।
'থিসরাস' শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হল- রত্নাগার ।
'থিসরাস' হল একটি- গ্রিক শব্দ
শব্দার্থ পরিবর্তনের ধারা হল- সবকটি ঠিক
শব্দার্থের বিশাল জগৎকে সুশৃঙ্খলভাবে বিন্যাস করার একটি নিদর্শন হল- থিসরাস ।
'উজবুক' শব্দটি শব্দার্থ পরিবর্তনের যে ধারায় পড়ে- অর্থের রূপান্তর ।
'ধন্য' শব্দের ক্ষেত্রে কীরকম অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে?- অর্থের প্রসার
'গোষ্ঠী' শব্দের আদি অর্থ 'গবাদি পশুর থাকার জায়গা' এবং বর্তমান অর্থ 'সমূহ'- এটি শব্দার্থের পরিবর্তনের কোন ধারা? শব্দার্থের রূপান্তর ।
একটি শব্দের অর্থ অপর শব্দের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হলে অথবা, একটি শব্দের অর্থ ব্যাপকতর হলে তার মধ্যে অন্য এক বা একাধিক শব্দের অর্থ যুক্ত হলে, তাকে বলে- 'ব্যাপকার্থকতা' বা 'অর্থান্তরভূক্তি'
কোনো কোনো সময়ে একটি শব্দের আদি অর্থের তুলনায় পরিবর্তিত অর্থের ব্যাপকতা কমে যায়, তাকে বলে- শব্দার্থের সংকোচন
সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভাষার ব্যবহার ভাষার অর্থের উপর যে প্রভাব ফেলে, তার আলোচনাকে বলে- প্রয়োগতত্ত্ব
সংস্কৃত ভাষায় লিখিত প্রাচীন ভারতের একটি থিসরাস হল- অমরকোষ
অনেক সময় শব্দের অর্থ পরিবর্তন এমনভাবে হয় যে, আদি অর্থের সঙ্গে পরিবর্তিত নতুন অর্থের যোগসূত্র পাওয়া সম্ভব হয় না। একেই বলে- শব্দার্থের রূপান্তর
'থিসরাস' হল একটি- গ্রিক শব্দ ।
'অন্ন' শব্দটির আদি অর্থ ছিল- খাদ্য ।
'সন্দেশ' শব্দের আদি অর্থ 'সংবাদ' ও বর্তমান অর্থ 'মিষ্টান্ন'-এটি শব্দার্থ পরিবর্তনের কোন্ ধারা? অর্থের রূপান্তর
থিসরাসে শব্দ বিন্যস্ত থাকে- অর্থ, ভাব বা বিষয়ানুক্রমিক
'মৃগ' শব্দের আগে অর্থ ছিল 'বন্যজন্তু', কিন্তু বর্তমানে অর্থ হল 'হরিণ'। এক্ষেত্রে ঘটেছে - অর্থের সংকোচ
'মুনিশ' শব্দটির আদি অর্থ 'মানুষ' এবং পরিবর্তিত অর্থ 'মজুর' এটি শব্দার্থ পরিবর্তনের কোন্ ধারা?- শব্দার্থের সংকোচ
বাংলা শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাস: প্রথম অধ্যায়: বাংলা গানের ইতিহাস
বাংলা সংগীতের আদিতম লিখিত নিদর্শন হল- চর্যাপদ
একজন উল্লেখযোগ্য কবিয়ালের নাম- হরু ঠাকুর।
টপ্পা গান প্রচলনের অন্যতম পুরোধা ছিলেন- কালী মির্জা ।
টপ্পা গান বাংলায় জনপ্রিয় করেছিলেন- রামনিধি গুপ্ত ।
যাঁর মাধ্যমে আখড়াই গান সর্বাধিক জনপ্রিয়তা লাভ করে, তিনি হলেন- রামনিধি গুপ্ত
কে প্রথম 'জুড়ির গান' প্রবর্তন করেন? মদনমোহন চট্টোপাধ্যায়
চপকীর্তনের প্রবর্তক হলেন- রূপচাঁদ অধিকারী
রবীন্দ্রনাথের প্রথম সংগীত শিক্ষক ছিলেন- বিষ্ণুচন্দ্র চক্রবর্তী ।
বাংলা ভাষায় গজল রচনায় পথিকৃৎ হলেন- অতুলপ্রসাদ সেন ।
বাংলার দুটি লোকসংগীতের ধারা হল - সারিগান, ভাটিয়ালি
'ভাওয়াইয়া' গানগুলি নিজস্ব সম্পদ- উত্তরবঙ্গের ।
'ধনধান্য পুষ্পভরা' গানটির রচয়িতা- দ্বিজেন্দ্রলাল।
জারি গানে 'জারি' শব্দের অর্থ- ক্রন্দন
পৃথিবী বিখ্যাত গান 'We shall overcome'-এর বাংলা অনুবাদ 'আমরা করব জয়'-এর রচয়িতা- শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
ঠুংরি গানের প্রবর্তক কে? নবাব ওয়াজেদ আলি শাহ ।
ঢপর্কীর্তন গানের 'ঢপ' শব্দের অর্থ কী?- শুদ্ধ সৌষ্ঠবসম্পন্ন
'তুমি নির্মল করো মঙ্গঙ্গল করে' গানটির রচয়িতা- রজনীকান্ত সেন
বাংলায় প্রথম ধ্রুপদ রচনা করেন- রামশঙ্কর ভট্টাচার্য
'চারণ কবি' নামে প্রসিন্ধ- মুকুন্দদাস
"মায়ের দেওয়া মোটা কাপড়"-গানটির রচয়িতা হলেন- রজনীকান্ত সেন
কোন্ চলচ্চিত্রের সূত্রে গীতিকার সত্যজিৎ-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে? গুপী গাইন বাঘা বাইন ।
শাক্ত সংগীতের প্রথম ও প্রধান কবি হলেন- রামপ্রসাদ সেন
বাংলাদেশে প্রথম খেয়াল চর্চা শুরু করেন- রঘুনাথ রায়
'বলো বলো বলো সবে' গানটি লিখেছেন- অতুলপ্রাসাদ
সত্যজিৎ রায়ের 'পথের পাঁচালী' ছবির সংগীত পরিচালনা করেছিলেন- পণ্ডিত রবিশঙ্কর ।
পক্ষীর দলের গানের শ্রেষ্ঠ প্রতিনিধি ছিলেন- রূপচাঁদ ।
অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি বিখ্যাত ছিলেন- কবিগানের জন্য
'নবজীবনের গান' কার রচনা। জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র
'হাফ আখড়াই' গানের জন্ম দেন- মোহনচাঁদ বসু ।
'ভারতবর্ষ সূর্যের এক নাম' গানটি লিখেছেন- শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
বাংলা গানে সঞ্চারীর প্রবর্তন কার অমর কীর্তি? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
মাঝিমাল্লার গান হল- ভাটিয়ালি ।
বাংলা শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাস: দ্বিতীয় অধ্যায়: বাঙালির বিজ্ঞান চর্চার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনের আদি নাম কী ছিল? রয়্যাল বোটানিক্যাল গার্ডেন ।
শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনের অপর নাম কী? আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু বোটানিক্যাল গার্ডেন ।
'ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইন্সটিটিউট' কে প্রতিষ্ঠা করেন।- প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ
'স্কুল বুক সোসাইটি' প্রতিষ্ঠা করেন – ডেভিড হেয়ার
ইন্সটিটিউট অব নিউক্লিয়ার ফিজিক্স (১৯৪৮) গড়ে ওঠে যাঁর প্রচেষ্টায়, তিনি হলেন- মেঘনাদ সাহা ।
'বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ' প্রতিষ্ঠা করেন- সত্যেন্দ্রনাথ বসু ।
শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেন' কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল? ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে।
'ভারতীয় উদ্ভিদবিদ্যার জনক' কাকে বলা হয়? ডঃ উইলিয়াম রক্সবার্গকে
কলকাতায় কবে এশিয়াটিক সোসাইটি স্থাপিত হয়? ১৭৮৪ সালের ১৫ জানুয়ারি
এশিয়াটিক সোসাইটির প্রাণপুরুষ কে ছিলেন? উইলিয়াম জোন্স
বাংলা ভাষায় গদ্যচর্চার পথিকৃৎ কাকে বলা হয়? উইলিয়াম কেরিকে
শ্রীরামপুর মিশন প্রতিষ্ঠা করেন – উইলিয়াম কেরি।
শ্রীরামপুর মিশনের পৃষ্ঠপোষকতায় সর্বপ্রথম বাংলা মুদ্রাক্ষর কে খোদাই করেন? পঞ্চানন কর্মকার
'হিন্দু কলেজ' প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে
কোন্ দিনটিকে 'চিকিৎসক দিবস' হিসেবে পালন করা হয়?- ১ জুলাই
'ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স'-এর প্রতিষ্ঠাতা- মেঘনাদ সাহা
'বসু বিজ্ঞান মন্দির' স্থাপিত হয়- ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে ।
'বেঙ্গল কেমিক্যালস'-এর প্রতিষ্ঠাতা- প্রফুল্লচন্দ্র রায়
বৈজ্ঞানিক জগদীশচন্দ্র বসু বিজ্ঞানের চর্চা ও গবেষণার জন্য কলকাতায় যে সংস্থা তৈরি করেছিলেন তা বসু বিজ্ঞান মন্দির নামে পরিচিত।
'অব্যক্ত' বইটির লেখক- জগদীশচন্দ্র বসু
আধুনিক ভারতীয় রাশিবিজ্ঞানের জনক হলেন- প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ ।
কালাজ্বরের প্রতিষেধক ইউরিয়া স্টিবামাইন আবিষ্কার করেন- স্যার উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী
'ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভেশন অফ সায়েন্স' প্রতিষ্ঠা কার শ্রেষ্ঠ কীর্তি?- মহেন্দ্রলাল সরকার
প্রথম বাঙালি মনোবৈজ্ঞানিক, তথা এশিয়ার প্রথম মনোরোগ চিকিৎসক ছিলেন – গিরীন্দ্রশেখর বসু
রবীন্দ্রনাথ তাঁর 'বিশ্বপরিচয়' গ্রন্থটি কোন্ বিজ্ঞানীকে উৎসর্গ করেছিলেন?- সত্যেন্দ্রনাথ বসু
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কোন্ শিল্পে অবদানের জন্য উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরি পরিচিতি লাভ করেছিলেন। মুদ্রণশিল্প
'মারকিউরাস নাইট্রাইট' আবিষ্কার করেন- প্রফুল্লচন্দ্র রায়
এশিয়ার প্রথম মনোরোগ চিকিৎসক হলেন- গিরীন্দ্রশেখর বসু
কলকাতা মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে
'ইন্ডিয়ান কেমিক্যাল সোসাইটি' কে প্রতিষ্ঠা করেন? প্রফুল্লচন্দ্র রায় ।
কোয়ান্টাম সংখ্যাতত্ত্বের জনক কোন্ বাঙালি বিজ্ঞানী? সত্যেন্দ্রনাথ বসু ।
বাংলা শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাস: তৃতীয় অধ্যায়: বাঙালির ক্রীড়াসংস্কৃতি
ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের জন্ম হয়- ১৮৯০ খ্রি. ।
কুস্তি কোন্ দেশের জাতীয় খেলা। জাপান ।
প্রথম বাঙালি ফুটবল ক্লাব হল- শোভাবাজার ক্লাব।
প্রদত্ত খেলোয়াড়দের মধ্যে যিনি ক্রিকেট খেলায় যুক্ত ছিলেন- ঝুলন গোস্বামী ।
ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় ব্যস্তিত্ব- নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারী ।
কলকাতার প্রথম ফুটবল ক্লাবের নাম হল- ক্যালকাটা এফ সি ।
প্রথম বাঙালি সাঁতারু, যিনি বিখ্যাত হয়েছিলেন- মিহির সেন ।
বাঙালির ক্রীড়া ঐতিহ্য ফুটবলের সূত্রপাতের সঙ্গে যে বিখ্যাত ব্যক্তিত্বের নাম জড়িয়ে আছে- নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারী ।
বাংলায় ক্রিকেট খেলার প্রচলন করেছিলেন? সারদারঞ্জন রায় ।
কলকাতায় বাঙালির প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা প্রথম স্বদেশি সার্কাসের নাম হল- ন্যাশনাল সার্কাস
প্রথম ভারতীয় দল হিসেবে ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা ফুটবল লিগ জিতেছিল- মহামেডান ।
রামায়ণে বর্ণিত কাহিনি অনুসারে দাবা খেলার স্রষ্টা কে? মন্দোদরী ।
বাঙালির সার্কাসের প্রাণপুরুষ ছিলেন- প্রিয়নাথ বসু।
কুস্তি খেলার একটি প্যাঁচের নাম হল- ঢাক ।
বেঙ্গল টেনিস অ্যাসোসিয়েশন গড়ে উঠেছিল- ১৯৩৩ খ্রি.
নারায়ণচন্দ্র ঘোষ পশ্চিমবঙ্গে কোন্ খেলার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ স্থান গ্রহণ করেন? কবাডি
দোলা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাই রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় তিরন্দাজি খেলার সঙ্গে যুক্ত।
ব্রতচারীর উদ্ভাবক হলেন- গুরুসদয় দত্ত
কুস্তি প্রতিযোগিতায় প্রথম এশীয় হিসেবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের খেতাব পান- গোবর গুহ
গোবর গৃহের নাম কুস্তি খেলার সঙ্গে যুক্ত।
'উত্তরবঙ্গের টেবিল টেনিস শহর' কোনটি? শিলিগুড়ি
'গ্রেট বেঙ্গল সার্কাস' প্রতিষ্ঠা করেন- প্রিয়নাথ বসু
কে গ্র্যান্ডমাস্টার? সূর্যশেখর গাঙ্গুলি
মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৯২ খ্রিস্টাব্দে? ১৮৯২ সালে
0 মন্তব্যসমূহ
Thank you so much for your kindness and support. Your generosity means the world to me. 😊