মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা, ডাম্পারের ধাক্কায় গুরুতর জখম যুবক
আরিফ হোসেন, মুখ্য সম্পাদক: আধুনিক বিজ্ঞানের (Modern Science) উন্নতির সাথে সাথে থেমে গেছে দৈহিক শ্রম, বেঁচে যাচ্ছে সময়, কমছে ঝুঁকি, কমছে শ্রমের যন্ত্রনা। দিন যতই গড়াচ্ছে ততই সেই পরিস্থিতি বেড়েই চলছে। সভ্যতার অগ্রগতিতে টেকনোলজি (Technology) নির্ভর জীবনে পা দিয়েছে মানব জাতি, ব্যস্ত থাকছে ল্যাপটপ বা মোবাইলে বা ট্যাবে। মেশিনকে কাজে লাগিয়ে শরীরে ফিরছে আরাম আয়েস আর যার জেরেই সুস্থ থাকতে মানুষ ব্যর্থ হয়ে পড়ছে। সেই ব্যর্থতা থেকে রেহাই পেতে শরীরচর্চা বা ব্যায়াম (Exercise) খুবই প্রয়োজনীয়। তাছাড়াও, দৈহিক পরিশ্রম করলেও দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গকে সুস্থ রাখতে শরীরচর্চা জরুরী নাহলে এক সময় পেশি বিপর্যস্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। সভ্যতার শুরু থেকেই দেহের শক্তির জন্য শরীরচর্চা (Exercise) এবং সুস্বাস্থ্যের অধিকারী করতে যোগ (Yoga) ব্যায়ামের সূত্রপাত ঘটে।
আজ থেকে প্রায় পাচ হাজার বছর আগে দ্রাবিড় সাধকেরা যোগ (Yoga) ব্যায়াম উদ্ভাবন করেন। দ্রাবিড় সভ্যতা থেকে ব্যবিলনীয় সভ্যতাতেও যোগচর্চা ও শরীরচর্চা ছিল শিক্ষার প্রধান অঙ্গ। প্রাচীনকালে শরীরকে সুস্থ রাখতে মানুষ যোগ-কেই বেছে নিয়েছিল। এছাড়াও একাধিক রোগের সাথে লড়াই করতেও যোগ বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে। হাঁপানি, ডায়াবেটিসসহ একাধিক রোগকে নিরাময়ে যোগ ব্যায়ামের উপকারিতা ছড়িয়ে পড়ছে মানুষও ধীরে ধীরে যোগ ব্যায়ামের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছে।
অস্তিত্বের একক অনুভব করাকে যোগ (Yoga) বলে। যোগী তাঁদের বলা হয় যারা স্বাধীন অবস্থায় মুক্তি, নির্বাণ বা মোক্ষ হিসেবে সাধিত হয়। যোগ একটি আধাত্মিক সুক্ষ্ম বিজ্ঞান, যা মন ও শরীরের সাদৃশ্য স্থাপনে গুরুত্ব দেয়। দক্ষতা এবং স্বাস্থ্যকর জীবন যাত্রার বিজ্ঞান।
যোগ (Yoga) শব্দটি এসেছে সংস্কৃত শব্দ যুজ থেকে যার অর্থ সংযোগ। যোগ (Yoga) ব্যায়াম একটি শারীরিক, মানসিক, আধাত্মিক অনুশীলন। জীবন, স্বাস্থ্য ও সম্প্রীতির সর্বস্তরে স্বাধীনতার সঙ্গে বসবাসই হল যোগচর্চার মূল উদ্দেশ্য। যোগের (Yoga) লক্ষ্য হল আত্মপোলব্ধি যার মাধ্যমে সব ধরনের কষ্টভোগকে পরাস্ত করা যায়। যোগ হল অদম্য ইচ্ছার চাষ। যোগচর্চা আত্মনিয়ন্ত্রন, আত্মবিশ্বাস এবং স্বপ্রভুত্ব বাড়ায়। স্বাধীন বিচার ক্ষমতা বাড়ায়। বিতর্ক এড়াতেও সাহায্য করে যোগ।
যোগ (Yoga) ব্যায়ামের উদ্ভব প্রাক বৈদিক যুগে যা ভারতীয় ঐতিহ্যের ইতিহাস থেকে অনুমান করা হয়। কিন্তু সম্ভবত খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম ও ষষ্ট শতাব্দীর আশেপাশে ভারতের তপস্বী এবং শ্রমণ আন্দোলনের সময় উদ্ভব হয়। ভারতবর্ষে যোগের প্রসারতা লাভ করে প্রথম সহস্রাব্দের প্রথম দিকে ঋষি পতঞ্জলির হাত ধরে।
যোগের (Yoga) সুযোগ বা বৃস্তৃতি ভগবতগীতা ও উপনিষদে ব্যাপকভাবে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। ভারতবর্ষে যোগ গুরু স্বামী বিবেকানন্দের সাফল্যে পশ্চিমের দেশ গুলিতে আটের উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে সূত্রপাত ঘটে। যোগ (Yoga) ব্যায়াম আটের দশকে পশ্চিমের দেশ গুলোতে শারীরিক ব্যায়াম হিসেবে প্রাধান্য পেয়েছিল।
স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, "এটি একটি একক জীবন বা কয়েক মাস বা এমনকি কয়েক ঘণ্টার শারীরিক অস্তিত্ব যা একজনের বিবর্তন সংকোচনশীল একটি মাধ্যম।"
"It is a means o compressing one's evolution into a single life or a few months or even a few hours of one's bodily existence"- Swami Vivekananda
যোগ (Yoga) একটি ব্যবহারিক দিক, কোনও ধর্ম নয়। যোগ (Yoga) শরীর, মন ও আত্মার বিকাশের একটা সমন্বয়পূর্ণ পদ্ধতি, একটি প্রাচীন কলা বা দক্ষতা। যোগ (Yoga) ব্যায়াম মনে শান্তি প্রদান করে এবং পরিবেশে নিজেকে মঙ্গলময় রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও যোগের (Yoga) বিভিন্ন ঐতিহ্যগত সংজ্ঞা রয়েছে। যেমন- যোগ হল মানসিক অবস্থার নিয়ন্ত্রন, যোগ হল চিরবৃত্তি নিরোধের উপায়, যোগ হল সমাধি, যোগ হল পরম আত্মার সাথে জীবাত্মার মিলন। দেহ, মন ও আত্মার সুসংহত ও সামগ্রিক উন্নতি সাধনের প্রক্রিয়া হল যোগ।
যোগ-কে অনেকে ধর্ম বলে মনে করলেও তা একটি ভুল ধারনা। যোগ আসলে কোনও ধর্ম নয় বা ধর্ম প্রচারের গোপন পথও নয়। যদিও যোগ প্রাচীন ভারতবর্ষ থেকে উদ্ভব হয়েছিল তবে এটি হিন্দুধর্মের স্বরূপ বা ফর্ম নয়। হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, ইহুদি, নাস্তিক আনন্দের সাথে চর্চা করে থাকে। যোগের একটা আধাত্মিক দিক ঠিকই রয়েছে কিন্তু কারও কোনও বিশ্বাসের স্বাক্ষর বহন করে না। যদি কেউ কোনও শব্দ উচ্চারন করে যোগ করে তবে মনে করার কিছুই নেই কারণ যোগ একটি মানসিক বিষয়।
ভারতবর্ষের বেশির ভাগ মানুষ সিদ্ধি, জাদু, মন্ত্রতন্ত্র ইত্যাদিকে যোগ বলে মনে করে কিন্তু এগুলো যোগ নয়। যোগ একটি সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বা উন্নত বিজ্ঞান বা জীবনের একটি উপায় যা লিঙ্গ, পেশা, রাষ্ট্র, শর্ত, সমস্যা, দুর্ভোগের ওপর প্রয়োগ করা যেতে পারে। এমনকি যোগ ব্যক্তিত্ব, পেশাদারি, সামাজিক ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা যেতে পারে।
যোগের ভিত্তি হল সুখের জন্য অনুসন্ধান করা। সুখ আমাদের মধ্যে অবস্থিত। এটি মনকে নীরব করে। এটি চিন্তা ভাবনা বর্জিত অবস্থা। এটি স্বর্গবাস, স্বাধীনতা, জ্ঞান ও সৃজনশীলতা মূলক একটি অবস্থা।
কিছু মানসিক কারণে যোগের উৎপত্তি। কারণ গুলি হল- সুখ প্রবৃত্তি দুঃখ নিবৃত্তি, জীবনের বাস্তবতা ও নিজের সম্বন্ধে জানার কৌতূহল।
যোগ ব্যায়াম ব্যক্তিত্বের পূর্ণাঙ্গ বিকাশের একটি প্রক্রিয়া। যোগ ব্যায়ামের উপকারিতা অবিরম ও অসীম।
২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস (International Yoga Day)। ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘে ভাষণ দেওয়ার সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi) ২১ জুন (21st June) তারিখটিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস (International Yoga Day) বলে ঘোষণা করার প্রস্তাব দেন। সেই বছরই প্রধানমন্ত্রী মোদীর সেই প্রস্তাবকে সায় দিয়ে ১১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রসংঘ সাধারণ পরিষদ ২১ জুন তারিখটিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস (International Yoga Day) বলে ঘোষণা করেন।
Sangbad Ekalavya
👇 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন (Connect With Us) 👇
© ২০২৬ সংবাদ একলব্য। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
নিজস্ব প্রতিনিধি, নাটাবাড়ি: রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর কাটমানি ও দুর্নীতি রুখতে প্রশাসনের কড়া অবস্থানের মাঝেই এক নজিরবিহীন ও চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী থাকল কোচবিহার। আবাস যোজনার বাড়ি পাইয়ে দেওয়ার নামে নেওয়া ‘কাটমানি’র টাকা উপভোক্তাদের হাতে হাতে ফেরত দিতে বাধ্য হলেন এক পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর স্বামী। কিন্তু টাকা ফেরত পেলেও ক্ষোভ কমেনি জনমানসে। উল্টে টাকা ফেরত দেওয়ার পরপরই ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা ওই পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর স্বামীকে লক্ষ্য করে ডিম ছুড়ে তীব্র বিক্ষোভ দেখালেন। শুক্রবার নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের পানিশালা অঞ্চলের ১৮৮ নম্বর বুথ এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়ায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পানিশালা অঞ্চলের ১৮৮ নম্বর বুথের তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য সুনন্দা রায় সরকার এবং তাঁর স্বামী চিরঞ্জিত সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে বেআইনিভাবে মোটা অঙ্কের টাকা (কাটমানি) নেওয়ার অভিযোগ উঠছিল। রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে বকেয়া টাকা ফেরতের দাবিতে তাঁদের ওপর চাপ বাড়াচ্ছিলেন গ্রামবাসীরা। বেগতিক বুঝে এদিন ওই দম্পতি উপভোক্তাদের ডেকে এনে সেই কাটমানির টাকা হাতে হাতে ফিরিয়ে দেওয়া শুরু করেন।
সাধারণত কাটমানির টাকা ফেরত পেলে পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার কথা থাকলেও, পানিশালায় ঘটল ঠিক তার উল্টো। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে কেন তাঁদের ঘাম ঝরানো টাকা কাটমানি হিসেবে দিতে হবে এবং এতদিন ধরে কেন তাঁদের হেনস্থা করা হলো? টাকা ফেরত দেওয়া শেষ হতেই বুথের ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা একজোট হয়ে ওই পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করেন। উত্তেজনা এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, ক্ষিপ্ত জনতা সুনন্দা রায় সরকার ও চিরঞ্জিত সরকারকে লক্ষ্য করে একের পর এক কাঁচা ডিম ছুড়তে শুরু করেন। গোটা এলাকা মুহূর্তের মধ্যে রণক্ষেত্রের রূপ নেয়।
টাকা ফেরত দেওয়ার ঘটনাটি পরোক্ষভাবে দুর্নীতির অভিযোগকেই সিলমোহর দিল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তবে এই ডিম ছুড়ে প্রতিবাদের ঘটনা নিয়ে মহকুমা বা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাটাবাড়ি তথা গোটা কোচবিহার জেলার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিনহাটা: পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে কুর্শাহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে সারাদিনব্যাপী বিভিন্ন মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রভাতফেরি, সঙ্গীত, নৃত্য, অঙ্কন, কুইজ ও বিতর্ক প্রতিযোগিতাসহ নানা সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি সাড়ম্বরে উদযাপিত হয় দিনহাটার এই স্বনামধন্য বিদ্যালয়ে।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কোচবিহার জেলার প্রায় ৪০০টি বিদ্যালয়ের আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান মূল্যায়ন করে সেরা দুটি বিদ্যালয়ের নাম রাজ্য স্তরে প্রেরণ করা হয়েছে। অত্যন্ত গর্বের বিষয়, সেই সেরার তালিকায় কুর্শাহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের নামও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অনিমেশ সরকার জানান, “বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং আন্তরিক সহযোগিতার ফলেই আমরা এই বিরাট সাফল্য অর্জন করতে পেরেছি। ভবিষ্যতেও বিদ্যালয়ের পঠনপাঠন ও পরিকাঠামো নিয়ে আরও ভালো কিছু করার লক্ষ্যে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছি।”
দিনহাটা বামনহাট চক্রের এস.আই. (SI) ওয়াহেদুর রহমান বিদ্যালয়ের এই অসামান্য সাফল্যে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “কুর্শাহাট উচ্চ বিদ্যালয়কে নিয়ে আমাদের সবসময়ই বিশেষ আশা থাকে। আজকের এই অর্জন আগামী দিনে বিদ্যালয়টিকে আরও বড় সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।”
এই সাফল্য কুর্শাহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সমগ্র পরিবার তথা দিনহাটা এলাকার জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয় বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। জেলা ছাড়িয়ে রাজ্য স্তরে স্কুলের নাম পৌঁছে যাওয়ায় কুর্শাহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের কুর্ণিশ ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা।
উত্তর: প্রভাতফেরি, সঙ্গীত, নৃত্য, অঙ্কন, কুইজ ও বিতর্ক প্রতিযোগিতাসহ নানা সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি সাড়ম্বরে উদযাপিত হয়।
উত্তর: জেলা প্রশাসনের মূল্যায়নে কোচবিহার জেলার প্রায় ৪০০টি বিদ্যালয়ের মধ্যে সেরা দুটি বিদ্যালয়ের তালিকায় রাজ্য স্তরে কুর্শাহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
উত্তর: বামনহাট চক্রের এস.আই. ওয়াহেদুর রহমান বিদ্যালয়ের এই সাফল্যে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীদের বিশেষ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
Sangbad Ekalavya
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
© ২০২৬ সংবাদ একলব্য। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিনহাটা, ২০ জুন: পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে দিনহাটা ও সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি টিচার্স সেলের উদ্যোগে দিনহাটার নৃপেন্দ্র নারায়ণ স্মৃতি পাঠাগারে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এদিন প্রথমে দিনহাটার সংহতি ময়দান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি দিনহাটা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে নৃপেন্দ্র নারায়ণ স্মৃতি সদনে এসে পৌঁছায়। র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক গৌরবের বার্তা তুলে ধরেন। র্যালি শেষে নৃপেন্দ্র নারায়ণ স্মৃতি সদনে প্রদীপ প্রজ্বলন ও উদ্বোধনী সংগীতের মধ্য দিয়ে মূল অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় পশ্চিমবঙ্গ গঠনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং পশ্চিমবঙ্গ দিবসের গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা আহ্বায়ক চিত্তরঞ্জন দত্ত, জেলা সহ-আহ্বায়ক তপু সরকার, জেলা কমিটির সদস্য মানস রায়, জেলা কমিটির সদস্য লক্ষন বিশ্বাস, দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের আহ্বায়ক হরিশ অধিকারী এবং সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রের আহ্বায়ক উত্তম বর্মন।
সংগঠনের তরফে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গ দিবস কেবল একটি রাজ্যের প্রতিষ্ঠা দিবস নয়, এটি বাঙালির ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয় রক্ষার সংগ্রামের স্মারক। নতুন প্রজন্মের কাছে এই ইতিহাস তুলে ধরতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সমীর হোসেন, দিনহাটা: পুরসভার আবাস যোজনায় সরকারি টাকা তছরুপ, জালিয়াতি এবং আর্থিক আত্মসাতের মামলায় ধৃত প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা দিনহাটার প্রাক্তন বিধায়ক উদয়ন গুহকে নিয়ে তদন্তের গতি নাটকীয়ভাবে বাড়াল রাজ্য পুলিশ। শনিবার সকালে দিনহাটা থানায় পৌঁছে ধৃত প্রাক্তন মন্ত্রীকে মুখোমুখি বসিয়ে ম্যারাথন জেরা শুরু করলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই হাইপ্রোফাইল জিজ্ঞাসাবাদকে কেন্দ্র করে থানা চত্বরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিমের (SIT) পদস্থ আধিকারিক তথা আইপিএস (IPS) কে. জয়রামন এবং কোচবিহারের জেলা পুলিশ সুপার (SP) জসপ্রীত সিং এক বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে আচমকাই দিনহাটা থানায় হাজির হন। ১৭ জুন কলকাতায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই উদয়ন গুহ দিনহাটা থানার লক-আপে রয়েছেন। এদিন শীর্ষ আধিকারিকেরা সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদের ঘরে গিয়ে সাড়ে ৪ কোটি টাকার এই পুর-আবাস দুর্নীতির উৎস এবং এর সাথে জড়িত অন্যান্য প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম জানতে উদয়ন গুহকে একের পর এক প্রশ্নবাণে কোণঠাসা করেন বলে সূত্রের খবর।
উল্লেখ্য, গত ১৭ জুন কলকাতার ফুলবাগান থানা এলাকা থেকে পুলিশ চারিদিক থেকে ঘিরে ধরে নাটকীয়ভাবে গ্রেফতার করেছিল উদয়ন গুহকে। তাঁর বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ হলো, দিনহাটা পুরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন সরকারি আবাসন প্রকল্পের কোটি কোটি টাকা নিয়ম বহির্ভূতভাবে তছরুপ ও জাল নথির মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার দুর্নীতির হদিস পেয়েছে পুলিশ। এরপর ১৮ জুন ব্যাপক জনরোষ এবং ক্ষোভের মধ্যে দিয়ে তাঁকে দিনহাটা মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ৬ দিনের পুলিশি হেফাজতের (Police Custody) নির্দেশ দেন।
পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, সরকারি টাকা কোন কোন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে সরিয়ে কোথায় পাঠানো হয়েছিল এবং এই আর্থিক কেলেঙ্কারির সুবিধাভোগী (Beneficiaries) আর কারা কারা, সেই সংক্রান্ত নথিপত্র ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কে. জয়রামনের মতো দুঁদে অফিসারের নেতৃত্বে এই ম্যারাথন জেরা থেকে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য এবং এই সিন্ডিকেটের সাথে যুক্ত থাকা আরও কিছু রাঘববোয়ালের নাম সামনে আসতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
প্রাক্তন মন্ত্রীর এই পুলিশি হেফাজতের দিন যত এগোচ্ছে, দিনহাটা তথা সমগ্র উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক পারদ ততই চড়ছে। আগামী দিনে আদালতে তোলার সময় পুলিশ নতুন কোনও বিস্ফোরক তথ্য পেশ করে কি না, সেদিকেই আপাতত নজর রাজনৈতিক মহলের।
উত্তর: দিনহাটা পুরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন আবাস যোজনায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে জেরা করছে পুলিশ।
উত্তর: রাজ্য পুলিশের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিমের আইপিএস কে. জয়রামন এবং কোচবিহারের জেলা পুলিশ সুপার জসপ্রীত সিং তাঁকে জেরা করতে আসেন।
উত্তর: গত ১৮ জুন দিনহাটা মহকুমা আদালত তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৬ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।
সমীর হোসেন, দিনহাটা: ফের খবরের শিরোনামে দিনহাটা। এবার দিনহাটা পুটিমারি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান রফিকুল হকের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। শুক্রবার গভীর রাতে একদল দুষ্কৃতী তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বাড়ির পাঁচটি ঘর এবং ঘরে থাকা সমস্ত আসবাবপত্র, পোশাক-আশাক ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত প্রায় ১০টা ৪৫ মিনিট নাগাদ বেশ কয়েকটি মোটরবাইকে করে ৫০ থেকে ৬০ জন মুখোশধারী দুষ্কৃতী প্রাক্তন প্রধান রফিকুল হকের বাড়ির কাছে এসে জড়ো হয়। অভিযোগ, হামলাকারীরা প্রথমেই অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে বাড়ির পাশের ট্রান্সমিটার থেকে গোটা এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। চারিদিকে ঘন অন্ধকার নেমে আসার পর বাড়ির সামনে পরপর দুটি তীব্র শব্দে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, রাতে আচমকা বোমার বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে তাঁরা প্রাণভয়ে বাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে যান। সেই সুযোগে দুষ্কৃতীরা ছোট ছোট প্লাস্টিকের প্যাকেটে করে পেট্রোল এনে বাড়ির বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই আগুন পুরো বাড়িতে ভয়ানকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
পরিবারের এক আতঙ্কিত সদস্য সংবাদমাধ্যমকে জানান, “হঠাৎ বাড়ির সামনে বিস্ফোরণের শব্দ শুনে আমরা প্রাণভয়ে বেরিয়ে যাই। এরপর পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল যে ঘরের ভেতর থেকে কোনও জিনিসপত্রই বের করার সুযোগ আমরা পাইনি।”
এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাক্তন প্রধানের বাড়ির পাঁচটি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। ঘরের চাল থেকে শুরু করে ভেতরে থাকা সমস্ত আসবাবপত্র, পোশাক-পরিচ্ছদ এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তবে ঠিক কারা বা কী উদ্দেশ্যে গভীর রাতে এই পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট ধারণা দিতে পারেননি পরিবারের সদস্যরা। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার জেরে কোচবিহারের পুটিমারি এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে দিনহাটা থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
উত্তর: কোচবিহার জেলার দিনহাটা পুটিমারি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান রফিকুল হকের বাড়িতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে।
উত্তর: পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, একদল দুষ্কৃতী প্রথমে এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়, এরপর বোমাবাজি করে এবং বাড়িতে প্লাস্টিকের প্যাকেটে পেট্রোল ছুঁড়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।
উত্তর: আগুনে বাড়ির পাঁচটি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। এর পাশাপাশি ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, পোশাক এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রও পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।
সমীর হোসেন, দিনহাটা: তৃণমূল কংগ্রেসের দাপুটে নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহর গ্রেফতারির পর এবার নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল দিনহাটায়। ধৃত প্রাক্তন মন্ত্রীর পক্ষে আদালতে সওয়াল করার জেরে সামাজিক মাধ্যমে (Social Media) আইনজীবীদের কুৎসিত আক্রমণ ও চরম হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুললো দিনহাটার বার অ্যাসোসিয়েশন। এই ‘থ্রেড কালচার’ বা হুমকির সংস্কৃতির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে শনিবার এক জরুরি সাংবাদিক বৈঠক করল দিনহাটা বার অ্যাসোসিয়েশন (Dinhata Bar Association)। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই দিনহাটা থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।
এদিন দিনহাটা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাগৃহে আয়োজিত এই সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ আইনজীবী অজিত কুমার দাস, নিহার রঞ্জন গুপ্ত, রতন কানু, মাসুদ হাসান সহ বার অ্যাসোসিয়েশনের অন্যান্য বিশিষ্ট সদস্য ও কর্মকর্তারা। উপস্থিত আইনজীবীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে স্পষ্ট জানান, "ভারতবর্ষের সংবিধান ও আইনের প্রতি দায়বদ্ধ থেকেই যে কোনও অভিযুক্ত বা ব্যক্তি আইনি সহায়তা চাইলে, তাঁর পক্ষে আদালতে সওয়াল করা আমাদের পেশাগত ও নৈতিক দায়িত্ব। এই কাজে বাধা দেওয়া কিংবা সামাজিক মাধ্যমে আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে হুমকি দেওয়া স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার ওপর বড়সড় আঘাত এবং অত্যন্ত উদ্বেগজনক।"
আইনজীবীদের অভিযোগ, উদয়ন গুহর গ্রেফতারির পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একদল মানুষ আইনজীবীদের পেশাগত স্বাধীনতাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে এবং তাঁদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে। এই ধরণের অপসংস্কৃতি আইনজীবীদের নির্ভীকভাবে কাজ করার পরিবেশ নষ্ট করছে। বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে পুলিশ প্রশাসনের কাছে দাবি করা হয়েছে, যেন অবিলম্বে এই ঘটনার তদন্ত করে সামাজিক মাধ্যমে হুমকি দেওয়া ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে কড়া আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। একই সাথে সমস্ত আইনজীবীদের পেশাগত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়েছে সংগঠনের পক্ষ থেকে।
কোচবিহারের রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর উদয়ন গুহর মতো দাপুটে ও হাইপ্রোফাইল নেতার গ্রেফতারি নিয়ে জনমানসে তীব্র আবেগ ও উত্তেজনা রয়েছে। কিন্তু আইনের আঙিনায় দাঁড়িয়ে পেশাদার আইনজীবীদের এভাবে নিশানা করা এবং হুমকি দেওয়ার ঘটনাকে তাঁরা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন।
উত্তর: গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন মন্ত্রী উদয়ন গুহের পক্ষে আদালতে সওয়াল করায় সামাজিক মাধ্যমে আইনজীবীদের কুৎসিত আক্রমণ ও হুমকি দেওয়ার প্রতিবাদেই এই সাংবাদিক বৈঠক করা হয়।
উত্তর: দিনহাটা বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এই 'থ্রেড কালচার'-এর তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই দিনহাটা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
উত্তর: আইনজীবীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংবিধান মেনে যে কোনও অভিযুক্তের পক্ষে আদালতে সওয়াল করা তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব। এই কাজে বাধা দেওয়া স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার ওপর বড়সড় আঘাত।
নিজস্ব প্রতিবেদন, কোচবিহার: ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সাড়ম্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবস (West Bengal Day) পালিত হলো কোচবিহার জেলার বাসন্তীরহাট কুমুদিনী উচ্চ বিদ্যালয়ে (Basantirhat Kumudini High School)। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে পরিচালনার দায়িত্বে ছিল বিদ্যালয়ের জাতীয় সেবা প্রকল্প (NSS) ইউনিট। দিনব্যাপী নানান মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়।
বিদ্যালয়ের প্রকাশিত কর্মসূচী অনুযায়ী, সকাল ৮টায় ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সমবেত হওয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অঙ্কন ও ক্যুইজ প্রতিযোগিতায় পড়ুয়ারা বিপুল উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করে।
বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ পড়ুয়াদের মধ্যে বাংলার সংস্কৃতি ও ইতিহাস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশেও বিশেষ সাহায্য করেছে বলে মনে করছেন উপস্থিত শিক্ষক ও অভিভাবকরা। উল্লেখ্য, এই বিদ্যালয়টি এর আগে বিশ্ব যোগ দিবসের প্রাক্কালে একটি সচেতনতামূলক পদযাত্রারও আয়োজন করেছিল।