করোনারে জেরে লকডাউন। লক ডাউনের জেরেই রাজ্যগুলির রাজস্ব আদায় কার্যত তলানিতে। বিপর্যস্ত আর্থিক অবস্থা। এদিকে কোভিড-১৯ সংক্রমণ পরিস্থিতিতে প্রতিটি রাজ্যেরই স্বাস্থ্য খাতে খরচ বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তাই প্রত্যেক মুখ্যমন্ত্রী-ই আর্থিক সহায়তা করার জন্য দাবি জানিয়েছিলেন। এছাড়াও জিএসটি-র বকেয়া টাকা দেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছিল। করোনা বিপর্যস্ত অর্থনীতিকে দ্রুত চাঙ্গা করা ধীরে ধীরে পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে কেন্দ্র।
পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের সুপারিশে ১৪ রাজ্যের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ৬.১৯৫.০৮ কোটি টাকার আর্থিক সহায়তার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এরফলে করোনা সংকটের সময় রাজ্যগুলির হাতে অতিরিক্ত টাকা আসবে। টাকা প্রাপক রাজ্যগুলির তালিকায় আছে বাংলার নামও। বাংলার জন্য ৪১ হাজার ৭৭৫ লাখ টাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ টুইট করে জানান, "করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলায় এই অর্থ দেওয়া হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতির মোকবিলায় এটা সহায়ক হবে।"
এদিন দেশের আর্থিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে নির্মলা সীতারমণ সহ অন্য সিনিয়র মন্ত্রীদের সঙ্গে একপ্রস্থ বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মূলত, 'আত্মনির্ভর ভারত' প্রকল্পের রোডম্যাপ অনুযায়ী-ই সমস্ত পদক্ষেপ করছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। লক্ষ্য একটাই, করোনা বিপর্যস্ত অর্থনীতিকে দ্রুত চাঙ্গা করা। সেই কাজেরই কতটা অগ্রগতি হয়েছে, আজ তারই রিভিউ বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
