নির্ধারিত সময়ে শুরু হয়নি শুনানি, বিডিও অফিসে সুপারভাইজারকে ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, মারধরের চেষ্টার অভিযোগ
নিজস্ব সংবাদদাতা: সুপারভাইজারের দেরিতে উপস্থিত হওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল দিনহাটা ১ নং বিডিও অফিস চত্বরে। ঘটনাটি ঘটেছে শুনানির কাজ চলাকালীন। অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ে শুনানি শুরু না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, কর্তব্যরত সুপারভাইজারকে মারধরের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও পাল্টা অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন নবী করিম মিয়া নামের এক ব্যক্তি শুনানির জন্য সকাল ১১টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, ফর্মে শুনানির সময় দেওয়া ছিল দুপুর ১২টা। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সুপারভাইজার অফিসে এসে পৌঁছান দুপুর ১২:৩০ নাগাদ। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পর আধিকারিক দেরিতে আসায় ক্ষোভ উগরে দেন ওই ব্যক্তি। নবী করিম মিয়া অভিযোগ করেন, "আমরা ১১টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে, অথচ উনি আসেন সাড়ে ১২টায়। দেরি নিয়ে প্রশ্ন করতেই উনি তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এছাড়া আমার ফর্মে প্রথমে সই করেও পরে তা কেটে দেওয়া হয়, যা নিয়ে আমি বিডিওর দ্বারস্থ হব।"
অন্যদিকে, অভিযুক্ত সুপারভাইজার তথা ওকরাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের সচিব মীর কাসেম প্রধান তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, তাঁর সন্তান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি সময়মতো পৌঁছাতে পারেননি এবং বিষয়টি তিনি আগেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন। মীর কাসেমের দাবি, "আমি বাইক থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গেই আমাকে আক্রমণাত্মকভাবে প্রশ্ন করা হয় এবং আমার গায়ে হাত তোলার উপক্রম হয়। সেই সময় অফিসে কোনও পুলিশি নিরাপত্তা ছিল না, ফলে আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলাম।"
যদিও এই বাদানুবাদের জেরে সাময়িকভাবে শুনানির কাজ ব্যাহত হয় এবং অফিস চত্বরে উত্তেজনা ছড়ায়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও, সরকারি দপ্তরে পুলিশি নিরাপত্তা ও আধিকারিকদের সময়ানুবর্তিতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

0 মন্তব্যসমূহ
Thank you so much for your kindness and support. Your generosity means the world to me. 😊