Latest News

6/recent/ticker-posts

Ad Code

পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়ার পথে টোটো উল্টে বিপত্তি, জখম দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী! হাসপাতালেই পরীক্ষার ব্যবস্থা

পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়ার পথে টোটো উল্টে বিপত্তি, জখম দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী! হাসপাতালেই পরীক্ষার ব্যবস্থা

Madhyamik Examination 2026, Chalsa Toto Accident, Meteli High School, Mangalbari Rural Hospital, Madhyamik Candidate Injured, West Bengal Board Exam News, Chalsa Goyanath Vidyapith, মাধ্যমিক পরীক্ষা ২০২৬, চালসা দুর্ঘটনা


নিজস্ব সংবাদদাতা, চালসা: জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথেই ঘটল বিপত্তি। পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়ার সময় টোটো উল্টে গুরুতর আহত হলো দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। মঙ্গলবার সকালে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে চালসা-মেটেলি রাজ্য সড়কের চালসা রেলগেট সংলগ্ন এলাকায়। আহত ছাত্রীদের নাম অনন্যা তালুকদার এবং মৃত্তিকা মজুমদার। দুজনেই মেটেলি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। দুর্ঘটনার পর প্রশাসনের তৎপরতায় এক ছাত্রীর পরীক্ষা হাসপাতালেই নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে মেটেলি থেকে একটি টোটো ভাড়া করে চালসা গয়ানাথ বিদ্যাপীঠ পরীক্ষাকেন্দ্রে যাচ্ছিল ওই দুই ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকরা। চালসা রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় একটি বাঁকের মুখে টোটোটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় উল্টে যায়। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী প্রদীপ রায় জানান, "টোটোটির গতি কিছুটা বেশি ছিল, হিরু বাবুর দোকানের আগের বাঁকটিতে চালক নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেননি। টোটো উল্টে গিয়ে দুই পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা রাস্তায় পড়ে যান।"

ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা এবং ট্রাফিক পুলিশের সহায়তায় তড়িঘড়ি আহতদের উদ্ধার করে চালসার মঙ্গলবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়েই হাসপাতালে ছুটে যান মেটেলি থানার পুলিশ আধিকারিক এবং মেটেলির অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক বিজয় চন্দ্র রায়।

চিকিৎসকরা জানান, অনন্যা তালুকদারের আঘাত গুরুতর না হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং সে নির্দিষ্ট সময়েই চালসা গয়ানাথ বিদ্যাপীঠ কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষায় বসে। তবে অপর পরীক্ষার্থী মৃত্তিকা মজুমদারের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়। তার শিক্ষাবর্ষ যাতে নষ্ট না হয়, সেই কারণে শিক্ষা দপ্তর ও প্রশাসনের উদ্যোগে হাসপাতালেই তার পরীক্ষা দেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। এ বিষয়ে অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক বিজয় চন্দ্র রায় জানান, হাসপাতালেই যাতে ওই ছাত্রী নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিতে পারে, তার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

আহত এক ছাত্রীর অভিভাবক জয়দীপ মজুমদার বলেন, "মানসিকভাবে ওরা একটু ভয় পেলেও মনের জোর আছে, তাই পরীক্ষা দিচ্ছে। তবে প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, ছাত্রছাত্রীদের সিট যদি বাড়ির কাছাকাছি দূরত্বে ফেলা হয়, তবে এই ঝুঁকিগুলো কমে। রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা কম থাকায় অনেক সময় বাধ্য হয়েই ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়।"

হাসপাতাল সূত্রে খবর, বর্তমানে চিকিৎসাধীন ছাত্রীর অবস্থা স্থিতিশীল এবং পুলিশি পাহারায় সে পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code