Latest News

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Kolkata Earthquake: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ! আতঙ্কে রাস্তায় সাধারণ মানুষ

Kolkata Earthquake: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ! আতঙ্কে রাস্তায় সাধারণ মানুষ

Kolkata Earthquake, West Bengal Tremor, Myanmar Earthquake, Richter Scale 6, National Center for Seismology, Kolkata News, Earthquake in Bangladesh, ভূমিকম্প কলকাতা, মায়ানমার ভূমিকম্প

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: সপ্তাহের ব্যস্ততম দিনে ফের ভূমিকম্পের আতঙ্ক। মঙ্গলবার রাত ৯টা নাগাদ আচমকাই কেঁপে ওঠে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (National Center for Seismology) সূত্রে খবর, এই কম্পনের উৎপত্তিস্থল (Epicenter) প্রতিবেশী দেশ মায়ানমার। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও বাংলাদেশ এবং ইন্দোনেশিয়াতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

মঙ্গলবার রাত তখন প্রায় ৯টা। অফিস ফেরত যাত্রীদের ভিড় বা শপিং মলগুলোতে তখন জমজমাট কেনাকাটা। ঠিক সেই মুহূর্তেই মৃদু থেকে মাঝারি কম্পন অনুভূত হয়। কম্পন স্থায়ী ছিল কয়েক সেকেন্ড। আর তাতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বহুতল আবাসন এবং শপিং মলগুলি থেকে মানুষ ভয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। মধ্য কলকাতার ই-মলে কেনাকাটা করতে আসা ভদ্রেশ্বরের বাসিন্দা স্বপন ঘোষ বলেন, “দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ মনে হল, সব কিছু নড়ছে। তার পর অন্যেরাও বলাবলি করছিলেন। অনেকে মলের বাইরের দিকেও চলে যান।”

কলকাতা ছাড়াও হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাজ্য বা শহরে বড়সড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। কলকাতা পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।

উল্লেখ্য, ভারতীয় উপমহাদেশে গত ৪৮ ঘণ্টায় ভূ-প্রকৃতি বেশ অস্থির। এর আগে সোমবার গভীর রাতে (সাড়ে ৩টে নাগাদ) আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জেও ভূমিকম্প হয়, যার মাত্রা ছিল ৪.৬। পরপর এই কম্পনে ভূতত্ত্ববিদদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

বিগত এক বছরে এই নিয়ে একাধিকবার কেঁপে উঠল বাংলা। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে নেপালের গোকর্ণেশ্বরের কাছে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের প্রভাব পড়েছিল বাংলাতেও। এরপর গত বছরের ২১ নভেম্বর সকালেও কেঁপে উঠেছিল কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ। সেবার উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশের নরসিংদী। বারবার এই কম্পন প্রমাণ করছে, এই অঞ্চলটি সিসমিক জোনে কতটা সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মায়ানমার প্লেট এবং ইন্ডিয়ান প্লেটের সংযোগস্থলে ঘর্ষণের ফলেই মঙ্গলবারের এই কম্পন। তবে আফটারশক বা পরবর্তী কম্পন হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি আবহাওয়া দপ্তর।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code