Latest News

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Union Budget 2026: শেয়ার বাজারে বড় ধাক্কা! F&O এবং বাইব্যাকে কড়াকড়ি, ট্রেডারদের খরচ বাড়ল কতটা?

Union Budget 2026: শেয়ার বাজারে বড় ধাক্কা! F&O এবং বাইব্যাকে কড়াকড়ি, ট্রেডারদের খরচ বাড়ল কতটা?

Budget 2026 Share Market, STT Hike on F&O, Share Buyback Tax Rules, Stock Market Budget Analysis, Nirmala Sitharaman, Securities Transaction Tax, বাজেটে শেয়ার বাজার, ফিউচার অ্যান্ড অপশনস ট্যাক্স, শেয়ার বাইব্যাক নিয়ম ২০২৬, বাজেট ২০২৬ খবর

নয়াদিল্লি: ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট শেয়ার বাজার, বিশেষ করে ডেরিভেটিভস ট্রেডারদের জন্য মোটেই সুখকর হয়নি। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন ফিউচার অ্যান্ড অপশনস (F&O) সেগমেন্টে সিকিউরিটিজ ট্রানজ্যাকশন ট্যাক্স (STT) বৃদ্ধির ঘোষণা করেছেন। পাশাপাশি, কোম্পানিগুলোর শেয়ার বাইব্যাক থেকে প্রাপ্ত আয়ের ওপর করের নিয়মও বদলে ফেলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাজারে ফাটকাবাজি বা স্পেকুলেশন কমানোর লক্ষ্যে নেওয়া হলেও, এর ফলে নিয়মিত ট্রেডারদের লাভের অংক কমবে।

১. ডেরিভেটিভস (F&O) ট্রেডিংয়ে খরচ বৃদ্ধি

শেয়ার বাজারে খুচরো বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ার সাথে সাথে ফিউচার ও অপশনস ট্রেডিংয়ে ঝুঁকিও বেড়েছে। সরকার এই ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং রাজস্ব বাড়াতে STT বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।

ফিউচার (Futures): ফিউচার ট্রেডিংয়ের ওপর সিকিউরিটিজ ট্রানজ্যাকশন ট্যাক্স (STT) বর্তমানের ০.০২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ০.০৫ শতাংশ করা হয়েছে। অর্থাৎ খরচ প্রায় আড়াই গুণ বাড়ল।

অপশনস (Options): অপশনস বিক্রির ওপর STT ০.১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ০.১৫ শতাংশ করা হয়েছে।

প্রভাব: যারা হাই-ফ্রিকোয়েন্সি ট্রেডিং (HFT) বা স্ক্যাল্পিং করেন, তাদের জন্য এই সামান্য বৃদ্ধিও দিনশেষে বড় অংকের খরচ হয়ে দাঁড়াবে। ট্রেডারদের এখন লাভ করতে হলে আগের চেয়ে বেশি পয়েন্ট বা মার্জিন নিশ্চিত করতে হবে।

২. শেয়ার বাইব্যাক (Buyback) এর নিয়মে বড় বদল

এতদিন কোম্পানিগুলি যখন শেয়ার বাইব্যাক করত, তখন কোম্পানি নিজেই তার ওপর কর দিত এবং শেয়ারহোল্ডারদের হাতে আসা টাকা করমুক্ত থাকত। কিন্তু নতুন নিয়মে এই সুবিধা তুলে নেওয়া হয়েছে।

নতুন নিয়ম: এখন থেকে শেয়ার বাইব্যাক বাবদ কোম্পানি থেকে প্রাপ্ত অর্থ শেয়ারহোল্ডারের হাতে 'ডিভিডেন্ড' বা 'মূলধন লাভ' (Capital Gains) হিসেবে গণ্য হবে এবং শেয়ারহোল্ডারকে তার নিজস্ব কর স্ল্যাব অনুযায়ী বা ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স দিতে হবে।

উদ্দেশ্য: ডিভিডেন্ড এবং বাইব্যাকের কর ব্যবস্থার মধ্যে সমতা আনা। অনেক সময় প্রোমোটাররা ডিভিডেন্ডের বদলে বাইব্যাকের মাধ্যমে কর বাঁচাতে চাইতেন, যা এখন বন্ধ হবে।

৩. কেন এই কঠোর পদক্ষেপ?

সরকারের মতে, বিগত কয়েক বছরে রিটেইল বা সাধারণ বিনিয়োগকারীরা না বুঝে অপশনস ট্রেডিংয়ে বিপুল অর্থ হারাচ্ছেন। অর্থনৈতিক সার্ভেতেও এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। STT বৃদ্ধি করে সরকার মূলত অপ্রয়োজনীয় স্পেকুলেশন বা ফাটকাবাজি ট্রেডিংকে নিরুৎসাহিত করতে চাইছে।

৪. বাজারের প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বল্প মেয়াদে এর ফলে বাজারের ভলিউম বা লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। বিশেষ করে যারা খুব ছোট মার্জিনে ট্রেড করেন, তারা বাজার থেকে সরে যেতে পারেন। তবে দীর্ঘমেয়াদে যারা ভ্যালু ইনভেস্টর বা দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকারী, তাদের ওপর এর প্রভাব খুব বেশি পড়বে না।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code