West Bengal Budget 2026: চা বলয়ের দাবি থেকে পর্যটনের 'শিল্প' মর্যাদা—কী প্রত্যাশা উত্তরবঙ্গের?
শিলিগুড়ি: আগামী ২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (সোমবার) রাজ্য বিধানসভায় পেশ হতে চলেছে বাজেট (West Bengal Budget 2026) । ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটিই বর্তমান রাজ্য সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। স্বভাবতই, উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে এই বাজেট ঘিরে পাহাড় থেকে সমতলে প্রত্যাশার পারদ এখন তুঙ্গে।
উত্তরবঙ্গের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো চা শিল্প। দার্জিলিং, তরাই ও ডুয়ার্সের লক্ষাধিক চা শ্রমিক তাকিয়ে আছেন বাজেটের (West Bengal Budget 2026) দিকে। শ্রমিক সংগঠনগুলির দীর্ঘদিনের দাবি, বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দৈনিক মজুরি সম্মানজনক স্তরে বৃদ্ধি করা হোক। মজুরি ছাড়াও শ্রমিকদের অন্যতম বড় ক্ষোভের জায়গা হলো প্রভিডেন্ট ফান্ড (PF) বা পিএফ-এর বকেয়া টাকা না পাওয়া। পাশাপাশি, চা বাগানের ভেতরের হাসপাতালগুলির বেহাল দশা এবং পর্যাপ্ত ওষুধের অভাব নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। চা বলয়ের মানুষের আশা, বাজেটে (West Bengal Budget 2026) চা বাগানের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়নে এবং রুগ্ন বা বন্ধ বাগানগুলির শ্রমিকদের সুরক্ষায় অর্থমন্ত্রী বিশেষ কোনো আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করবেন।
পাহাড় ও ডুয়ার্সের অর্থনীতির মেরুদণ্ড পর্যটন। পর্যটন ব্যবসায়ী ও ট্যুর অপারেটরদের দীর্ঘদিনের দাবি, উত্তরবঙ্গের পর্যটনকে সরকারিভাবে 'শিল্প' বা 'ইন্ডাস্ট্রি'-র মর্যাদা দেওয়া হোক। তাঁদের মতে, শিল্পের মর্যাদা পেলে বিদ্যুৎ বিল থেকে শুরু করে ব্যাংক ঋণে বিশেষ সুবিধা পাওয়া যাবে, যা এই ক্ষেত্রের বিকাশে সহায়ক হবে। অন্যদিকে, গত কয়েক বছরে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ির প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে হোম-স্টে (Home-stay) ব্যবসার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। হোম-স্টে মালিকদের দাবি, পরিকাঠামো উন্নয়ন, পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাজেটে (West Bengal Budget 2026) সহজ শর্তে ঋণ বা এককালীন আর্থিক অনুদান (Subsidy) ঘোষণা করা হোক।
ভোটের আগে উত্তরবঙ্গের এই দুই প্রধান ক্ষেত্র—চা শিল্প এবং পর্যটন—বাজেটে কতটা গুরুত্ব পায়, এখন সেটাই দেখার।

0 মন্তব্যসমূহ
Thank you so much for your kindness and support. Your generosity means the world to me. 😊