Latest News

6/recent/ticker-posts

Ad Code

ট্রাম্পের ‘বিস্ময়কর’ ঘোষণা! গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ন্যাটোর সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তির পথে আমেরিকা

ট্রাম্পের ‘বিস্ময়কর’ ঘোষণা! গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ন্যাটোর সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তির পথে আমেরিকা

Donald Trump, Greenland Deal, NATO Alliance, World Economic Forum 2026, Board of Peace, US Foreign Policy, Davos Summit, Tariff War, ডোনাল্ড ট্রাম্প, গ্রিনল্যান্ড চুক্তি, বিশ্ব অর্থনীতি ফোরাম


২২ জানুয়ারি, ২০২৬ দাভোস (সুইজারল্যান্ড): বিশ্ব অর্থনীতি ফোরামের (WEF) মঞ্চ থেকে এক ‘বিস্ময়কর’ ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। দীর্ঘদিনের জল্পনা এবং কূটনৈতিক টানাপড়েনের পর তিনি জানালেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ন্যাটোর (NATO) সঙ্গে একটি ‘ভবিষ্যৎ চুক্তির রূপরেখা’ (Framework of a future deal) তৈরি হয়েছে। এর ফলে ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর থেকে শুল্কের (Tariff) হুমকিও সরিয়ে নিলেন তিনি।


প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (Donald Trump) তাঁর ভাষণে স্পষ্ট করেছেন যে, আমেরিকা গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য কোনো শক্তি প্রয়োগ করবে না, তবে আর্কটিক অঞ্চলের এই বিশাল ভূখণ্ডের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ও মালিকানা নিশ্চিত করতে চায়।


ট্রাম্প (Donald Trump) জানিয়েছেন, ন্যাটোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি কাঠামো তৈরি হয়েছে যা গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা এবং আমেরিকার স্বার্থ রক্ষা করবে। যদিও এর বিস্তারিত শর্তাবলী এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।ইউরোপীয় দেশগুলো, যারা গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমেরিকার বিরোধিতা করছিল, তাদের ওপর চাপানো বর্ধিত শুল্কের হুমকি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “তারা হ্যাঁ বলতে পারে বা না বলতে পারে, কিন্তু আমরা বিষয়টি মনে রাখব।”


দাভোসের মঞ্চে আরও একটি বড় ঘোষণা করেন ট্রাম্প। তিনি বিশ্বশান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একটি নতুন আন্তর্জাতিক মঞ্চ—‘বোর্ড অফ পিস’(Board of Peace) গঠনের কথা জানান। আর্জেন্টিনা, সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE), পাকিস্তান, হাঙ্গেরি এবং মিশরের মতো দেশগুলো এতে যোগ দিতে সম্মত হয়েছে। তবে চীন, রাশিয়া, জার্মানি এবং ইতালির মতো শক্তিশালী দেশগুলো এখনও এই আমন্ত্রণে সাড়া দেয়নি।


ট্রাম্পের (Donald Trump) এই ঘোষণায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ইউরোপীয় নেতারা শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করলেও, গ্রিনল্যান্ডের ওপর আমেরিকার আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় ডেনমার্ক এবং স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে এখনও উদ্বেগ রয়েছে। অন্যদিকে, ‘বোর্ড অফ পিস’ গঠনের মাধ্যমে ট্রাম্প বিশ্ব রাজনীতিতে আমেরিকার প্রভাব আরও সুদৃঢ় করতে চাইছেন বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code