দরজা বন্ধ ঘরে তৃণমূল বিধায়কের টাকা ভাগের ভিডিও ভাইরাল, তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি
সঞ্জিত কুড়ি পূর্ব বর্ধমান :-
দরজা বন্ধ ঘরে পূর্ব বর্ধমানের গোলসি বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কের টাকা ভাগের ভিডিও ভাইরাল হতেই তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।
ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ব্যাগে করে টাকা ভরে এনেছেন পূর্ব বর্ধমানের গলসি ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী-সভাপতি অনুপ চ্যাটার্জ্জী। তিনিই টেবিলে নামিয়ে দিচ্ছেন গোছা গোছা টাকার বাণ্ডিল । কোথা থেকে এলো এই কাড়ি কাড়ি টাকা? সেই টাকা আবার গুনে গুনে ভাগ করছেন পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ পার্থ মণ্ডল। তিনি দিচ্ছেন বিধায়ক নেপাল ঘরুইকে। উভয়ে ভরছেন নিজেদের পকেটে।
বিধায়কের সঙ্গে সিগারেটে টান দিতে দিতে ডাইরিতে কি লিখছেন পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি অনুপ চ্যাটার্জ্জী। তিনি টাকা ভাগের হিসাব লিখছেন না তো ?
তৃণমূল নেতা মানেই তো কাড়ি কাড়ি টাকা। এর আগে বিভিন্ন জায়গা থেকে এমনই কাড়ি কাড়ি টাকা উদ্ধার করেছে ইডি। জেলও খাটছেন বেশ কয়েকজন দাপুটে নেতা। গলসির ওই সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা যাচ্ছে তার সত্যতা যাচাই করিনি আমরা।
তবে প্রশ্ন উঠছে ওই থোকা থোকা টাকা কিসের? এলোই বা কোথা থেকে? কেন গুনে গুনে ভাগ করছেন পার্থ মণ্ডল?
আবার আঙুলের হিসাবে বুঝিয়েও দিচ্ছেন। টেবিল নামাচ্ছেন ও গুনে বুঝিয়ে দিচ্ছেন। সাতটি বাণ্ডিলে লক্ষ টাকা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
জানা যায়, বর্তমানে গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সর্বেসর্বা অনুপ চ্যাটার্জ্জী। ভোটাভুটি করে তাকে দ্বিতীয়বার সমিতির চেয়ারে বসিয়েছেন পার্থ মণ্ডলই। পার্থ বিধায়ক নেপাল ঘরুই এর ছায়া সঙ্গী। সমিতির সবটাই কন্ট্রোল করে অনুপ ও পার্থ। পার্থকে আবার রাজ্য সরকার পুলিশি নিরাপত্তাও দিয়েছে।
তাহলে ওই কাড়ি কাড়ি টাকা সমিতির কাটমানির টাকা নয় তো? প্রশ্ন উঠছে। তাহলে কাটমানির টাকা নিরাপদে বহন করতেই ওই নিরাপত্তা নয় তো ? কি বলছেন বিরোধীরা?
উল্লেখ্য, বছর দু'য়েক আগে বিনা টেন্ডার, এমনকি কোন কাজ না করেই মিডডে মিলের রান্নাঘর সংস্কারের ১৩,৭১,৯০৫ টাকা পেয়ে গিয়েছিল অনুপ চ্যাটার্জ্জী ঘনিষ্ঠ এক ঠিকেদার। দুর্নীতির অভিযোগের খবর হবার পরই তড়িঘড়ি রান্নাঘর সারাইয়ের কাজ শুরু করেছিলেন তৎকালীন বিডিও দেবলীনা দাস।
0 মন্তব্যসমূহ
Thank you so much for your kindness and support. Your generosity means the world to me. 😊