ব্যর্থ স্মৃতি-হরমনপ্রীতের লড়াই, হারের হ্যাট্রিকে বিশ্বকাপে কোনঠাসা ভারত
ইনদোরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মহিলাদের একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শেষ পর্যন্ত মাত্র চার রানে হেরে গেল ভারত। জয়ের এত কাছ থেকে পরাজয়ের স্বাদ পাওয়া যেন এক গভীর আক্ষেপ হয়ে রইল দলের জন্য। ম্যাচের গোড়াতেই বোঝা গিয়েছিল, লড়াইটা হবে কঠিন। ইংল্যান্ড প্রথমে ব্যাট করে স্থিরভাবে রান তোলে, আর ভারতের বোলিং আক্রমণ শুরু থেকেই একটু অনিয়মিত ছন্দে পড়ে।
তবে ব্যাট হাতে দলকে আশার আলো দেখান স্মৃতি মন্ধানা। তাঁর সঙ্গে হরমনপ্রীত কৌরের জুটি ভারতের ইনিংসকে নতুন করে জাগিয়ে তোলে। দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের মধ্যে ১২৫ রানের জুটি গড়ে ওঠে, যা ম্যাচের মোড় ঘোরানোর সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। কিন্তু হরমনপ্রীত ৭০ রানে আউট হওয়ার পর সেই ছন্দ আর ধরে রাখতে পারেননি বাকিরা।
এরপর ব্যাট হাতে নামেন দীপ্তি শর্মা। ব্যাটিংয়ে অর্ধশতরান করার পাশাপাশি বল হাতে চারটি উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। তবু ভাগ্য যেন সেদিন ভারতের পক্ষে ছিল না। শেষ ওভারের আগ পর্যন্ত ম্যাচ ছিল খোলা, কিন্তু ইংল্যান্ডের অনবদ্য ফিল্ডিং আর ভারতীয় ব্যাটারদের সামান্য ভুলেই সব শেষ হয়ে যায়। মাত্র চার রানে থেমে যায় ভারতের ইনিংস।
ইংল্যান্ডের হয়ে হিদার নাইট ও ন্যাট স্কিভার-ব্রান্টের জুটি ভারতের জন্য সর্বনাশ ডেকে আনে। তাদের ব্যাট থেকে আসে ১১৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপ। নাইটের শতরানই মূলত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ভারতের বোলাররা উইকেট পেলেও, নির্দিষ্ট মুহূর্তে চাপ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হন।
এই পরাজয়ের ফলে ভারতের সেমিফাইনালে যাওয়ার রাস্তা এখন অনেকটাই কঠিন হয়ে গেল। বাকি দুই ম্যাচে জিতলেই কেবল আশা টিকে থাকবে। তবু স্মৃতি ও দীপ্তির লড়াই ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে এক অনুপ্রেরণার অধ্যায় হয়ে থাকবে। কারণ তারা প্রমাণ করেছেন, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই না ছাড়লে জয়-পরাজয়ের সীমারেখাও অনেক সময় ক্ষীণ হয়ে আসে।
0 মন্তব্যসমূহ
Thank you so much for your kindness and support. Your generosity means the world to me. 😊