স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া, মাথা ঠান্ডা করতে হাঁটতে বেরিয়ে ৪৫০ কিমি দূরে—‘ইতালির ফরেস্ট গাম্প’ এখন ভাইরাল
একটি পারিবারিক ঝগড়া থেকে শুরু হয়েছিল হাঁটা। কিন্তু সেই হাঁটা এক সপ্তাহে রূপ নেয় ৪৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এক যাত্রায়। ইতালির এক ব্যক্তি উত্তরাঞ্চলের কমো শহর থেকে হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছে যান অ্যাড্রিয়াটিক উপকূলের ফানো শহরে। ঘটনাটি ইতালির গণমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে, আর নেটিজেনরা তাকে ডাকছেন ‘ইতালির ফরেস্ট গাম্প’ নামে।
ঘটনার সূত্রপাত স্ত্রীর সঙ্গে এক তীব্র বাকবিতণ্ডা থেকে। মাথা ঠান্ডা করতে তিনি কমো শহর থেকে হাঁটতে শুরু করেন। উদ্দেশ্য ছিল কিছুটা দূর হাঁটা, কিন্তু সেই হাঁটা থামেনি। এক সপ্তাহ ধরে তিনি প্রতিদিন হাঁটতে থাকেন, আর পৌঁছে যান প্রায় ৪৫০ কিমি দূরের ফানো শহরে।
এই দীর্ঘ যাত্রায় পথে অচেনা মানুষ তাকে খাবার ও পানি দিয়ে সাহায্য করেন। ফলে তিনি বুঝতেই পারেননি কতটা দূর হেঁটে ফেলেছেন। তবে রাতের কারফিউ ভঙ্গের দায়ে পুলিশ তাকে €৪০০ জরিমানা করে। পরে খবর পেয়ে তার স্ত্রী এসে তাকে বাড়ি নিয়ে যান।
ইতালির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এই ঘটনা প্রকাশিত হওয়ার পর তা ভাইরাল হয়ে যায়। সামাজিক মাধ্যমে মানুষ তার এই অপ্রত্যাশিত যাত্রাকে মজার ছলে ‘ফরেস্ট গাম্প’-এর সঙ্গে তুলনা করছেন। কেউ কেউ বলছেন, “ভালোবাসা যেমন ঝড় তোলে, তেমনই হাঁটার অনুপ্রেরণাও দেয়।”
এই ঘটনা শুধু এক ব্যক্তির আবেগের বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং তা দেখায় কীভাবে মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে মানুষ কখনও কখনও অপ্রত্যাশিত পথ বেছে নেয়। হাঁটা যেমন শারীরিক সুস্থতার জন্য উপকারী, তেমনই তা মানসিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতেও কার্যকর হতে পারে।
‘ইতালির ফরেস্ট গাম্প’-এর এই যাত্রা আজ শুধু ভাইরাল কাহিনী নয়, বরং তা হয়ে উঠেছে এক অনন্য উদাহরণ—যেখানে হাঁটা হয়ে উঠেছে আত্মশুদ্ধির প্রতীক।
Sangbad Ekalavya Digital Desk
প্রতিদিনের ব্রেকিং নিউজ থেকে শুরু করে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনীতি এবং স্থানীয় সমস্যার বস্তুনিষ্ঠ খবর তুলে আনে সংবাদ একলব্য ডিজিটাল ডেস্ক। সমাজ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে সঠিক তথ্যটি দ্রুততম সময়ে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের এই এডিটোরিয়াল টিমের প্রধান উদ্দেশ্য। সত্য ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতাই আমাদের মূলমন্ত্র।
ইমেইল: editor@sangbadekalavya.in

0 মন্তব্যসমূহ