WB DA NEWS : রাজ্য সরকারী কর্মচারীদের ডিএ মামলার খবর , ডিএ মামলার সর্বশেষ আপডেট জানুন বিস্তারিত


wb da news



WB DA NEWS : ইতিমধ্যে ডিএ অবমাননা মামলার জন্য গঠিত হওয়া বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন এবং বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চে আজ দুপুর ২ টায় জোড়া মামলার শুনানি ছিলো। একসাথে রিভিউ পিটিশন ও অবমাননা মামলার শুনানি ছিলো আজ । কি হলো আজ রাজ্য সরকারী কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মামলার শুনানিতে ! এই প্রশ্ন রাজ্যজুড়ে সমস্ত সরকারী কর্মচারীদের মধ্যেই।



প্রসঙ্গত আদালতের দেওয়া তিন মাসের সময় সীমা শেষ। তবুও রাজ্যের সরকারী কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ (dearness allowance) দেয়নি রাজ্য। বকেয়া ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে সরকারী কর্মচারীদের একাংশ । ইতিমধ্যে আদালত জানিয়েছে মহার্ঘ্যভাতা বা ডিএ (dearness allowance) কর্মচারীদের মৌলিক অধিকার। তবু রাজ্যসরকার উদাসীন। আদালতের দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই অনলাইনে রিভিউ পিটিশন (Review Petition) দাখিল করে রাজ্য।


মূলত গত ২০/০৫/২২ তারিখের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন এবং রবীন্দ্র নাথ সামন্তর বেঞ্চ ডিএ (dearness allowance) নিয়ে যে রায় দিয়েছিলেন, সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে আবারও পুনর্বিবেচনা চেয়ে উচ্চ আদালতে সরকার পিটিশন দাখিল করেছেন৷



রাজ‍্যের দায়ের করা রিভিউ পিটিশনের শুনানির দিকেই তাঁকিয়ে রাজ্যের সরকারী কর্মীরা। রিভিউ পিটিশনের কপি তিনটি সংঠনের মধ্যে ১ টি মাত্র সংঠনকে সার্ভ করায় আজ ফের এই মামলা কোর্টে ওঠে। ১ নাম্বার কজ লিস্টে ছিলো দুটো মামলাই । 

আজ সরকারি এজি বকেয়া ডিএ  রিভিউ পিটিশন মামলায় তাদের বক্তব্য রাখেন। দুপুর ২ টা ৬ মিনিটে শুরু হয় শুনানি। প্রায় ৩ টা ২০ পর্যন্ত শুনানি চলে। সরকারি এজির বক্তব্য শেষ হয়ার পর মামলাকারীদের পক্ষের উকিল তার বক্তব্য পেশের জন্য আগামীকাল দুপুর ২ টায় বক্তব্য রাখবার আবেদন জানান বলে জানা গিয়েছে। 

আগামীকাল মামলাকারীদের পক্ষে সওয়াল করবেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, এমনটাই জানা যাচ্ছে।


ডিএ নিয়ে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশের পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেই মামলার শুনানির ছিল আজ । সেখানে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় বলেন, সরকারি কর্মীদের কোনও ডিএ বাকি নেই। পঞ্চম বেতন কমিশনের সুপারিশ মেনেই ধাপে ধাপে বকেয়া সব ডিএ মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে।


মামলাকারীদের বক্তব্য ছিল, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেয়নি রাজ্য সরকার। ফলে অনেক মহার্ঘ ভাতা বকেয়া রয়ে গেছে রাজ্য সরকারকে সেই বকেয়া মিটিয়ে দিতে হবে। এদিন আদালতে এজি বলেন, রাজ্য সরকার ২০০৯ সালের পঞ্চম বেতন কমিশনের সুপারিশ মেনেই ডিএ দিয়েছে। পরে ২০১৮-১৯ সালে ডিএ নিয়ে ষষ্ঠ, সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ করা হয়েছিল তা রাজ্য সরকার মানেনি। তাহলে কেন সেই হারে ডিএ দেওয়া হবে?


আগামীকাল দেখার পালা, মামলাকারীদের পক্ষে কি উত্তর দেওয়া হয়।