Breaking

Friday, May 14, 2021

রাজনৈতিক সংঘর্ষে ভাঙ্গা দোকানের ক্ষয়ক্ষতির আশ্বাস জেলা শাসকের

রাজনৈতিক সংঘর্ষে ভাঙ্গা দোকানের ক্ষয়ক্ষতির আশ্বাস জেলা শাসকের



সঞ্জিত কুড়ি পূর্ব বর্ধমান :- 

রাজনৈতিক সংঘর্ষে ভাঙ্গা দোকান পরিদর্শনে এলেন জেলা শাসক, জেলা পুলিশ সুপার,ডিএসপি,আই সি সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।সরকারী নানা স্কিম থেকে ক্ষয়ক্ষতি অর্থ পায়িয়ে দেবার আশ্বাস জেলা শাসকের।বললেন স্থানীয়রা।


গত ২রা মে ভোটের ফলাফল ঘোষনার পর থেকেই উত্তপ্ত গোটা বাংলা। উত্তপ্ত ছিলো পূর্ব বর্ধমান জেলাও।রাজনৈতিক সংঘর্ষ এড়াতে পারেনি বর্ধমান ১ নং পঞ্চায়েত সমিতির বেলকাশ গ্রাম পঞ্চায়েতের মিল্লিক পাড়া এলাকা।রাজনৈতিক সংঘর্ষের ফলে মিল্লিক পাড়া এলাকায় ভেঙ্গে ফেলা হয় প্রায় ১২ টি দোকান ঘর।ভাংচুরের পাশাপাশি দোকানের জিনিসপত্র লুট করার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ভাঙ্গা হয় একটি মুড়ির কারখানা।বিশাল অঙ্কের টাকা লোন নিয়ে তৈরী এই মুড়ির কারখানা, ও কাপরের দোকানের পাশাপাশি মুদিখানা দোকানের লোনের টাকা পরিশোধ করতে না পাড়ায় দিশে হারা ব্যবসায়ীরা।এই বিষয়ে বর্ধমান সদর থানায় অভিযোগ দ্বায়ের করেন মিল্লিক পাড়া এলাকার ব্যবসায়ীরা।


আজ ভাঙ্গা দোকানঘড় দেখতে মিল্লিক পাড়ায় আসে জেলা শাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা,জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন, ডি এস পি হেড কোয়ার্টার সৌভিক পাত্র,বর্ধমান সদর থানার আই সি পিন্টু সাহা সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।আধিকারিকরা সরেজমিনে পরিদর্শন করে সরকারী নানা স্কিম থেকে ক্ষয়ক্ষতির অর্থ পায়িয়ে দেবার আশ্বাস দেন বলে জানান বেলকাশ গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সহদেব মল্লিক। সহদেব বাবু বলেন ভোটের রেজাল্ট বেরনোর পর এই এলাকার একটি মুড়ির কারখানা সহ বেশ কয়েকটি দোকান ঘর ভাংচুর করা হয়েছিল,তার পরিদর্শনে এসেছিলেন জেলাশাসক, জেলা পুলিশ সুপার সহ অন্যান্য আধিকারিকরা তারা সব কিছু দেখেছেন।সরকারী নানা স্কিম থেকে ক্ষয়ক্ষতির অর্থ পাওয়া যায় তার একটা আশ্বাস দিয়েগেলেন।


মুড়ির কারখানা মালিক অপু মল্লিক বলেন সব মিলিয়ে প্রায় ১৪-১৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আজ জেলা শাসক, জেলা পুলিশ সুপার, এস ডি পি ও,ডি এস পি,আই সি সাহেব এসেছিলেন তারা সব দেখে গেলেন,এবং আগামী কাল আসবেন কতো কি ক্ষতি হয়েছে তা দেখে সরকারী নানা স্কিম থেকে এই ক্ষয়ক্ষতির অর্থ পাযিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন বলে জানিছেন,বলে বলেন অপু মল্লিক। অপু বাবু আরো বলেন তিন লক্ষ টাকা লোন নিয়ে এই মুড়ির কারখানা করেছি। লোনের টাকা শোধের জন্য চাপ সৃষ্টি করেছেন। আমরা সকলেই হতাস। লোন শোধ করতে না পারলে বড়ো সমস্যায় পড়তে হবে।

No comments:

Post a Comment