উচ্চমাধ্যমিক ৪র্থ সেমিস্টার: সংবাদ একলব্যের বাংলা সাজেশনে ১০০% বাজিমাত!
নিজস্ব সংবাদদাতা, ডিজিটাল ডেস্ক: মাধ্যমিকের সম্ভাব্য প্রশ্নের পর এবার পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের প্রবর্তিত নতুন সেমিস্টার পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের দ্বাদশ শ্রেণির (চতুর্থ সেমিস্টার) বাংলা পরীক্ষায় বড়সড় চমক দিল জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল ‘সংবাদ একলব্য’ (Sangbad Ekalavya)। পরীক্ষার্থীদের ভীতি দূর করতে জানুয়ারি মাসে পোর্টালটির পক্ষ থেকে যে বিশেষ সাজেশন প্রকাশ করা হয়েছিল, চূড়ান্ত প্রশ্নপত্রে তা কার্যত হুবহু মিলে গেল।
নতুন সিলেবাস ও সেমিস্টার পদ্ধতি নিয়ে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে যে উদ্বেগ ছিল, প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার পর তা অনেকটাই কেটে যায়। বিশেষ করে যারা সংবাদ একলব্যের সাজেশনটি অনুসরণ করেছিলেন, তাঁরা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর আত্মবিশ্বাসের সাথে লিখতে পেরেছেন।
সাজেশন বনাম প্রশ্নপত্র: সাফল্যের খতিয়ান
আমাদের প্রতিনিধি প্রশ্নপত্র ও পোর্টালের প্রকাশিত সাজেশনের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে দেখেছেন যে, গদ্য, পদ্য, নাটক এবং প্রবন্ধ—প্রতিটি বিভাগেই প্রশ্ন কমন পড়েছে:
১. গদ্য (মান ৫): মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘হলুদ পোড়া’ গল্প থেকে পরীক্ষায় ‘নবীন’ চরিত্র সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। সংবাদ একলব্যের সাজেশনেও ‘হলুদ পোড়া’ অংশের ৩ নম্বর প্রশ্নে নবীন চরিত্রটি আলোচনার জন্য রাখা হয়েছিল।
২. কবিতা (মান ৫): কবিতার ক্ষেত্রে সাফল্য আরও নজরকাড়া। প্রশ্নপত্রে ‘তিমির হননের গান’ থেকে “মধ্যবিত্তমদির জগতে...” এবং ‘কেন এল না’ কবিতা থেকে “মৃত্যুর পাশ কাটিয়ে...” পংক্তিগুলি তুলে প্রশ্ন করা হয়েছে। আশ্চর্যের বিষয়, পোর্টালে প্রকাশিত সাজেশনেও ঠিক এই পংক্তিগুলিই উল্লেখ করা ছিল।
৩. নাটক (মান ৫): নানা রঙের দিন থেকে ‘এই তো জীবনের সত্য কালীনাথ’ — জীবনের সত্য কী? বক্তা কীভাবে এই সত্যে উপনীত হলেন? এই প্রশ্নটি সম্ভাব্য প্রশ্নের ৭ নাম্বার প্রশ্ন হিসাবে ছিল।
৪. সহায়ক গ্রন্থ (মান ১০): রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ডাকঘর’ নাটক থেকে পরীক্ষায় ‘সুধা চরিত্র’ এবং ‘নাটকের নামকরণ’ নিয়ে প্রশ্ন এসেছে। সংবাদ একলব্যের সাজেশনেও এই দুটি প্রশ্নকেই অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে রাখা হয়েছিল।
৫. শিল্প ও সংস্কৃতি (মান ৫): বাঙালির চিত্রকলা বিভাগে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান সংক্রান্ত প্রশ্নটিও সাজেশনে ছিল, যা পরীক্ষায় ৫(A) নং প্রশ্নে এসেছে।
৬. প্রবন্ধ রচনা (মান ১০): ১০ নম্বরের প্রবন্ধ রচনায় পরীক্ষার্থীদের জন্য ‘পরিবেশ ও বিপন্ন মানুষ’ বিষয়টি সাজেশনের ১ নম্বরে রাখা হয়েছিল। পরীক্ষায় হুবহু সেই বিষয়টিই এসেছে, যা পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় স্বস্তির কারণ হয়েছে।
অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পরামর্শ এবং নতুন পাঠ্যক্রমের খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ করেই এই সাজেশন তৈরি করা হয়েছিল। ছাত্রছাত্রীদের এই সাফল্যে পোর্টাল কর্তৃপক্ষ উচ্ছ্বসিত এবং আগামীদিনেও শিক্ষামূলক খবরের মাধ্যমে পড়ুয়াদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে তারা।
Sangbad Ekalavya Digital Desk
প্রতিদিনের ব্রেকিং নিউজ থেকে শুরু করে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনীতি এবং স্থানীয় সমস্যার বস্তুনিষ্ঠ খবর তুলে আনে সংবাদ একলব্য ডিজিটাল ডেস্ক। সমাজ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে সঠিক তথ্যটি দ্রুততম সময়ে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের এই এডিটোরিয়াল টিমের প্রধান উদ্দেশ্য। সত্য ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতাই আমাদের মূলমন্ত্র।
ইমেইল: editor@sangbadekalavya.in

0 মন্তব্যসমূহ