‘জনগণ নেতাকে নিয়োগ করতে পারলে, ছাঁটাই কেন করতে পারবে না?’ RIGHT TO RECALL-এর অধিকার নিয়ে সরব রাঘব চাড্ডা
নয়াদিল্লি: ভারতীয় গণতন্ত্রে ভোটারদের হাতে প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষমতা থাকলেও, অযোগ্য প্রতিনিধিকে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে সরিয়ে দেওয়ার কোনো ক্ষমতা নেই। এই পরিপ্রেক্ষিতেই এবার ‘রাইট টু রিকল’ বা জনপ্রতিনিধি প্রত্যাহারের অধিকারের দাবিতে জোরালো সওয়াল করলেন আম আদমি পার্টির সাংসদ রাঘব চাড্ডা। তাঁর মতে, ভোটারদের যদি প্রতিনিধি নির্বাচন করার অধিকার থাকে, তবে তাঁদের ‘ডি-ইলেক্ট’ বা নির্বাচিত প্রতিনিধিকে ফিরিয়ে নেওয়ার অধিকারও থাকা উচিত।
রাঘব চাড্ডা বলেন, “যদি ভোটাররা একজন নেতাকে ‘হায়ার’ (নিয়োগ) করতে পারেন, তবে তাঁদের ওই নেতাকে ‘ফায়ার’ (বরখাস্ত) করার ক্ষমতাও থাকা উচিত।” তিনি যুক্তি দেন যে, রাষ্ট্রপতি, উপ-রাষ্ট্রপতি বা বিচারপতিদের ইমপিচমেন্টের ব্যবস্থা থাকলে এবং নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার সুযোগ থাকলে, অকর্মণ্য সাংসদ বা বিধায়কদের কেন পুরো পাঁচ বছর সহ্য করতে হবে? তাঁর মতে, “পাঁচ বছর অনেক লম্বা সময়। এমন কোনো পেশা নেই যেখানে কেউ পাঁচ বছর ধরে অদক্ষতার পরিচয় দেবেন এবং তার কোনো পরিণাম হবে না।”
চাড্ডা উল্লেখ করেন যে, আমেরিকা ও সুইজারল্যান্ডসহ বিশ্বের ২৪টিরও বেশি গণতান্ত্রিক দেশে কোনো না কোনো ফর্মে ‘রিকল’ বা ভোটারদের দ্বারা প্রতিনিধি প্রত্যাহারের ব্যবস্থা রয়েছে। ভারতীয় ভোটারদেরও এই অধিকার দেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।
তবে এই আইনের যাতে অপব্যবহার না হয়, সেদিকেও নজর দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। রাঘব চাড্ডার মতে, ‘রাইট টু রিকল’ বাস্তবায়নের জন্য কিছু নির্দিষ্ট রক্ষাকবচ (Safeguards) থাকা প্রয়োজন:
রাঘব চাড্ডার মতে, এই পদক্ষেপ নাগরিকদের ক্ষমতায়ন করবে। রাজনৈতিক দলগুলি যোগ্য ও পারফর্মারদের প্রার্থী করতে বাধ্য হবে, দুর্নীতি কমবে এবং গণতন্ত্রে প্রকৃত জবাবদিহিতা ফিরে আসবে।
Sangbad Ekalavya Digital Desk
প্রতিদিনের ব্রেকিং নিউজ থেকে শুরু করে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনীতি এবং স্থানীয় সমস্যার বস্তুনিষ্ঠ খবর তুলে আনে সংবাদ একলব্য ডিজিটাল ডেস্ক। সমাজ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে সঠিক তথ্যটি দ্রুততম সময়ে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের এই এডিটোরিয়াল টিমের প্রধান উদ্দেশ্য। সত্য ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতাই আমাদের মূলমন্ত্র।
ইমেইল: editor@sangbadekalavya.in

0 মন্তব্যসমূহ