Latest News

6/recent/ticker-posts

Ad Code

১১০ দিন অতিক্রান্ত, সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার রায়দানে বিলম্ব নিয়ে ক্ষোভ ও অনাস্থা বাড়ছ সরকারি কর্মীদের

১১০ দিন অতিক্রান্ত, সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার রায়দানে বিলম্ব নিয়ে ক্ষোভ ও অনাস্থা বাড়ছ সরকারি কর্মীদের

DA Case West Bengal, Supreme Court Verdict, DA Arrears, Justice Sanjay Karol, Malay Mukhopadhyay, ডিএ মামলা, সুপ্রিম কোর্ট, পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা (DA Case West Bengal) মামলার শুনানি শেষ হওয়ার পর তিন মাসেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়ে গিয়েছে, তবুও সুপ্রিম কোর্ট থেকে কোনো রায় (Supreme Court Verdict) ঘোষণা করা হয়নি। ১১০ দিন পেরিয়ে গেলেও রায় না মেলায় রাজ্যের সরকারি কর্মচারী এবং বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের মধ্যে হতাশা ও বিচারব্যবস্থার প্রতি অনাস্থা তৈরি হচ্ছে।

কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ-এর সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukhopadhyay) একটি সাক্ষাৎকারে জানান, গত সেপ্টেম্বর মাসে মামলার শুনানি এবং লিখিত বয়ান জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণত কোনো মামলা রিজার্ভ রাখার তিন মাসের মধ্যে রায় ঘোষণা (Supreme Court Verdict) করা হয়ে থাকে, যা এই ক্ষেত্রে মানা হয়নি।

বিচারপতি সঞ্জয় কারোল (Justice Sanjay Karol) রাজ্য সরকারকে বকেয়া ডিএ-র অন্তত ২৫ শতাংশ মিটিয়ে আদালতে আসার নির্দেশ দিয়েছিলেন। রাজ্য সরকার সেই নির্দেশ পালন করেনি, উল্টে মডিফিকেশন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে সময় নষ্ট করেছে। তবুও আদালত তাদের বক্তব্য শোনার জন্য 'ম্যারাথন শুনানি'র আয়োজন করেছিল।

কর্মীদের একাংশের মনে প্রশ্ন উঠছে, তবে কি বিধানসভা নির্বাচন পার করিয়ে রাজ্য সরকারকে সুবিধা করে দেওয়ার জন্যই এই বিলম্ব?। মলয় বাবু ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার চাইবে ভোট পার করতে, কিন্তু সর্বোচ্চ আদালত যদি সেই সুযোগ করে দেয়, তবে মানুষের অনাস্থা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের মাঝে অনেক অবসরপ্রাপ্ত কর্মী ইতিমধ্যেই মারা গিয়েছেন। জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও ন্যায্য পাওনা না পেয়ে অনেকেই হতাশায় ভুগছেন।

মলয় মুখোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, রাজ্যের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমগুলি (যেমন এবিপি আনন্দ, আনন্দবাজার) এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে কোনো খবর করছে না বা প্রশ্ন তুলছে না।

বিচারপতি সঞ্জয় কারোল (Justice Sanjay Karol) এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ দ্রুত শুনানি শেষ করায় কর্মীদের মধ্যে আশা জেগেছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে মলয় বাবুর আশঙ্কা, নির্বাচনের আগে রায় বেরোবে কি না তার কোনো নিশ্চয়তা নেই, এবং সরকার নির্বাচন পর্যন্ত সময় টেনে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code