Latest News

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Seema Anand: অবশেষে FIR করলেন প্রখ্যাত সেক্স এডুকেটর এবং ইন্টিমেসি কোচ সীমা আনন্দ

সীমা আনন্দ এবং এআই ডিপফেক বিতর্ক, সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি

Seema Anand, AI Deepfake Video, Cyber Crime India, Women Safety, Deepfake Controversy, Seema Anand Reaction, Viral Video
photo credit: seema anand instagram

প্রখ্যাত সেক্স এডুকেটর এবং ইন্টিমেসি কোচ সীমা আনন্দ (Seema Anand) সম্প্রতি এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) ব্যবহার করে তৈরি তার একটি বিকৃত 'ডিপফেক' ভিডিও নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ৬৩ বছর বয়সী এই লেখিকা ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যক্তিত্ব একটি ভিডিও বার্তায় জানান যে, প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তার ছবিকে অশ্লীলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেছে।

সীমা আনন্দ (Seema Anand) জানান যে, তার একটি সাধারণ শাড়ি পরা ছবিকে এআই-এর মাধ্যমে বিকৃত করে শর্টস ও টি-শার্ট পরা একটি অশ্লীল ছবিতে রূপান্তর করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, মূল ছবিতে তিনি শাড়ি পরেছিলেন, কিন্তু এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তার মুখটি অন্য একটি স্বল্পবসনা নারীর শরীরের ওপর বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি এই ঘটনায় এফআইআর (FIR) দায়ের করেছেন বলে ভিডিওতে নিশ্চিত করেছেন।

ভিডিওতে সীমা আনন্দ (Seema Anand) তীব্র ভাষায় এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "লোকেরা আমাকে বলছে যে ছবিটি 'এতটা খারাপ নয়'। কিন্তু এটি সম্মতির প্রশ্ন। শাড়ি থেকে শর্টসে পরিবর্তন করে কী অর্জন হলো?"। তিনি একে "ধর্ষণকামী মানসিকতা" বা 'Rapist Mentality' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মতে, সমাজ যেন এই বার্তা দিচ্ছে যে, নারী তার ইচ্ছেমতো পোশাক পরলে সমস্যা, কিন্তু জোর করে পোশাক খুলিয়ে দিলে তা মেনে নেওয়া যায়।

সীমা আনন্দের (Seema Anand) এই পদক্ষেপ ভারতে সেলিব্রিটি এবং সাধারণ নারীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান ডিপফেক অপরাধের একটি অংশ। ২০২৪ এবং ২০২৫ সালে রাশমিকা মান্দানা, আলিয়া ভাট এবং ক্যাটরিনা কাইফের মতো তারকাদের ডিপফেক ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ভারত সরকার এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। সীমা আনন্দের এই প্রতিবাদ আবারও প্রমাণ করে যে, কেবল তরুণীরাই নয়, যেকোনো বয়সের নারীরাই এই সাইবার অপরাধের শিকার হতে পারেন।

সম্প্রতি, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতেও, 'এক্স' (সাবেক টুইটার)-এর এআই চ্যাটবট 'গ্রোক' (Grok)-এর বিরুদ্ধে সম্মতিবিহীন ছবি তৈরির অভিযোগ উঠেছে, যার প্রেক্ষিতে ভারত সরকার কড়া সতর্কতা জারি করেছে। সীমা আনন্দের ঘটনাটি এই বৃহত্তর সমস্যারই একটি জ্বলন্ত উদাহরণ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code