'চাকরি চায় বাংলা'—রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কোচবিহারে পোস্টকার্ড গণস্বাক্ষর অভিযানের ডাক বিজেপি যুব মোর্চার
নিজস্ব সংবাদদাতা, কোচবিহার: রাজ্যে কর্মসংস্থান ও স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে এবার পথে নামল ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা (BJYM)। "চাকরি চায় বাংলা, নিয়োগ চায় বিজেপি"—এই স্লোগানকে সামনে রেখে কোচবিহার জেলাতেও শুরু হলো বিজেপির বিশেষ কর্মসূচি। রবিবার কোচবিহার জেলা বিজেপি কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন বিজেপির কোচবিহার জেলা যুব মোর্চা সভাপতি কুমার চন্দন নারায়ন।
বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে কর্মসংস্থানের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ ক্রমশ পিছিয়ে পড়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে কুমার চন্দন নারায়ন বলেন, "গত ২২শে জানুয়ারি কলকাতায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ 'চাকরি চায় বাংলা' কর্মসূচির সূচনা করেছেন। আজ আমরা কোচবিহার জেলা থেকে এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করলাম।"
যুব মোর্চার দাবি, গত এক দশকে রাজ্যে প্রায় ৭ হাজার কল-কারখানা এবং ৮ হাজার স্কুল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এমনকি সাম্প্রতিক সময়ে আদালতের নির্দেশে ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের ঘটনা রাজ্যের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আর চাকরির আবেদন নয়, বরং সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর 'বরখাস্ত' চেয়ে অভিনব প্রতিবাদের পথ বেছে নিয়েছে গেরুয়া শিবির।
জেলা সভাপতি জানিয়েছেন, ২৬শে জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস হওয়ার কারণে, আগামী ২৭শে জানুয়ারি থেকে এই কর্মসূচি পুরোদমে শুরু হবে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ক্যাম্প করে বেকার যুবক-যুবতীদের সই সম্বলিত পোস্টকার্ড সংগ্রহ করা হবে। যুব মোর্চার লক্ষ্য, কোচবিহার জেলা থেকে প্রায় ২০ হাজার এবং সমগ্র রাজ্য থেকে মোট ১০ লক্ষ পোস্টকার্ড সংগ্রহ করা। এই কার্ডগুলিকে তাঁরা 'বরখাস্ত পত্র' হিসেবে অভিহিত করছেন।
আগামী ৩০শে জানুয়ারি সংগৃহীত সমস্ত কার্ড নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হবে বলে দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে। দুর্নীতিমুক্ত নিয়োগ এবং শিল্পায়নের দাবিতে এই কর্মসূচি আগামী দিনে জেলায় বড় আকার নেবে বলে আশাবাদী বিজেপি নেতৃত্ব।
.webp)
0 মন্তব্যসমূহ
Thank you so much for your kindness and support. Your generosity means the world to me. 😊