Latest News

6/recent/ticker-posts

Ad Code

মিষ্টির প্রলোভনে নাবালিকাকে ধর্ষণ: জলপাইগুড়িতে দোষীর ২০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

মিষ্টির প্রলোভনে নাবালিকাকে ধর্ষণ: জলপাইগুড়িতে দোষীর ২০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

Rape of minor girl lured with sweets: Convict sentenced to 20 years rigorous imprisonment in Jalpaiguri



জলপাইগুড়ি: নাবালিকাকে মিষ্টি খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত পৌঢ়কে ২০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিল জলপাইগুড়ির বিশেষ পকসো (POCSO) আদালত। একই সঙ্গে, নির্যাতিতা নাবালিকার পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তার নির্দেশও দিয়েছেন মাননীয় বিচারক।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছিল জলপাইগুড়ি বন বস্তি এলাকায়। জানা গেছে, বাবা মারা যাওয়ার পর মাও ছেড়ে চলে যাওয়ায় ওই নাবালিকা তার ঠাকুমার কাছেই থাকত এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণীতে পড়াশোনা করত।

অভিযোগ, ঘটনার দিন বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এলাকারই এক পৌঢ়, যার নাম বিদুর প্রধান, ওই নাবালিকাকে মিষ্টি খাওয়ানোর নাম করে প্রলোভন দেয়। এরপর সে নাবালিকাকে বন বস্তির একটি পরিত্যক্ত ঘরে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।

ঘটনাটি স্থানীয় লোকজনের নজরে আসতেই তারা অভিযুক্ত পৌঢ়কে হাতেনাতে ধরে ফেলে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো আইনের ৪ ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ার পর, এদিন আদালতে মোট আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারক অভিযুক্ত বিদুর প্রধানকে দোষী সাব্যস্ত করেন। আদালত তাকে ২০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে।

এর পাশাপাশি, আদালত নির্যাতিতা নাবালিকা এবং তার পরিবারের দিকে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তার নির্দেশও দিয়েছে, যা নাবালিকার ভবিষ্যৎ সুরক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আদালতের এই কড়া রায় অপরাধীদের কাছে একটি কঠোর বার্তা হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code