Latest News

6/recent/ticker-posts

Ad Code

TET: শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষা বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘিরে একাধিক রাজ্যের আপত্তি

TET: শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষা বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘিরে একাধিক রাজ্যের আপত্তি

TET mandatory qualification, Supreme Court TET ruling, teacher eligibility test India, Article 21A education, RTE Act teacher rules, Kerala Tamil Nadu UP review petition, in-service teacher TET, NCTE guidelines 2010, retrospective effect TET, SC ruling teacher qualification


২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর, সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ (বিচারপ দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি মনমোহন) ঘোষণা করেন যে শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষা (TET) শুধুমাত্র একটি প্রক্রিয়াগত ধাপ নয়, বরং এটি সংবিধানিকভাবে বাধ্যতামূলক যোগ্যতার অংশ।
রায়ে বলা হয়, “একজন শিক্ষকের মানের সঙ্গে আপস করলে শিক্ষার মানের সঙ্গে আপস করতে হয়, যা শিশুদের মৌলিক অধিকারকে হুমকির মুখে ফেলে।”

এই রায় পূর্বপ্রযোজ্য (retrospective) হওয়ায়, বহু চাকরিরত শিক্ষক, যারা RTE আইন কার্যকর হওয়ার আগেই নিয়োগ পেয়েছেন, তাদের চাকরি অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।
শিক্ষক সংগঠনগুলো বলছে, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও TET না থাকায় অনেক শিক্ষককে অযোগ্য বলে বিবেচনা করা হবে।

রাজ্যগুলোর প্রতিক্রিয়া

কেরালা, তামিলনাড়ু ও উত্তরপ্রদেশ ইতিমধ্যে রিভিউ পিটিশন দাখিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তাদের দাবি:

  • চাকরিরত শিক্ষকদের TET থেকে ছাড় দেওয়া হোক
  • অথবা দীর্ঘ অভিজ্ঞতাকে যোগ্যতার বিকল্প হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক

TET-এর পটভূমি

  • ২০০৯ সালের RTE আইনের ২৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী কেন্দ্র সরকার শিক্ষক নিয়োগের জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণ করে
  • ২০১০ সালে NCTE নির্দেশ দেয় যে, I–VIII শ্রেণির শিক্ষক হতে হলে TET উত্তীর্ণ হওয়া আবশ্যক
  • ২০১৭ সালের সংশোধনী অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত যাদের ন্যূনতম যোগ্যতা ছিল না, তাদের চার বছরের মধ্যে তা অর্জন করতে হবে
সুপ্রিম কোর্টের রায় শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে হলেও, বাস্তব পরিস্থিতিতে বহু শিক্ষক ও রাজ্য সরকারের জন্য এটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন দেখার বিষয়, রিভিউ পিটিশনের ভিত্তিতে আদালত তার অবস্থান পুনর্বিবেচনা করে কি না।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code