স্বামীকে ছুঁড়ে ফেলে র্যাপার ফ্রেঞ্চ মন্টানার সঙ্গে বাগদান দুবাইয়ের রাজকুমারী মাহরার
দুবাইয়ের রাজপরিবারে এক অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটেছে। রাজকুমারী শেখ মাহরা মহম্মদ রাসেদ আল মাকতউম ইনস্টাগ্রামে মাত্র কয়েকটি বাক্য লিখে স্বামী শেখ মানা বিন মহম্মদকে ডিভোর্স দেন। পোস্টে তিনি লেখেন, “ডিয়ার হাসব্যান্ড, তুমি তোমার অন্য সঙ্গীদের নিয়ে থাক। আমি তোমায় ডিভোর্স দিচ্ছি, ডিভোর্স দিচ্ছি, ডিভোর্স দিচ্ছি।” এই পোস্ট সামনে আসতেই তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন শুরু হয়।
২০২৩ সালে শেখ মাহরার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল শেখ মানার। তাঁদের একটি সন্তানও রয়েছে। তবে মাত্র দুই বছরের দাম্পত্য জীবনের পর মাহরা অভিযোগ করেন, তাঁর স্বামী পরস্ত্রীতে আসক্ত এবং বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তিনি বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন।
বিচ্ছেদের পরপরই মাহরাকে দেখা যায় ফ্রেঞ্চ র্যাপার ফ্রেঞ্চ মন্টানার সঙ্গে। জানা যায়, ২০২৪ সাল থেকেই তাঁরা ডেট করছিলেন। ২০২৫ সালের জুনে প্যারিস ফ্যাশন উইকে তাঁরা একসঙ্গে হাজির হন এবং তাঁদের সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। এরপরই তাঁরা বাগদান সেরে ফেলেন বলে মন্টানার প্রতিনিধি নিশ্চিত করেছেন।
মাহরা ও মন্টানাকে একসঙ্গে দেখা গেছে মরক্কো, দুবাই, প্যারিসসহ একাধিক বিলাসবহুল স্থানে। তাঁরা একসঙ্গে মসজিদ পরিদর্শন, রেস্তোরাঁয় ডিনার এবং ছুটি কাটানোর মুহূর্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।
শেখ মাহরা শুধু রাজকুমারী নন, তিনি একজন উদ্যোক্তা, সমাজসেবী এবং নারীর ক্ষমতায়নের পক্ষে সক্রিয়। বিচ্ছেদের পর তিনি “Divorce” নামে একটি পারফিউম ব্র্যান্ডও চালু করেছেন, যা নারীর আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
শেখ মাহরার এই পদক্ষেপ শুধু ব্যক্তিগত নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক স্তরেও তাৎপর্যপূর্ণ। ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ্য বিচ্ছেদ এবং পরবর্তী বাগদান মধ্যপ্রাচ্যের রাজপরিবারে নারীর অবস্থান ও স্বাধীনতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
0 মন্তব্যসমূহ
Thank you so much for your kindness and support. Your generosity means the world to me. 😊