Latest News

6/recent/ticker-posts

Ad Code

কোচবিহার জেলা তৃণমূলের সভাপতি পদেই থাকছেন পার্থ প্রতিম রায়

কোচবিহার জেলা তৃণমূলের সভাপতি পদেই থাকছেন পার্থ প্রতিম রায়






কোচবিহার জেলা তৃণমূলের সভাপতি পদে পার্থ প্রতিম রায়কেই বহাল রাখলো তৃণমূল কংগ্রেস। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর আজ দুই দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা। তাঁতেই নেওয়া একাধিক সিদ্ধান্ত। রাজ্যের আট জেলার সভাপতি পরিবর্তন করা হয় বলে খবর। দুপুরে তৃণমূলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হয়। এরপর মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, পুর প্রশাসক এবং শাখা সংগঠনের প্রধানদের নিয়ে হয় কোর-কমিটির বৈঠক। একটি বৈঠক হয় সরাসরি, আর একটি বৈঠক হয় ভার্চুয়ালি। দলত্যাগীদের তৃণমূলে ফেরা প্রসঙ্গেও হয়েছে আলোচনা।




প্রসঙ্গত, একুশের নির্বাচনে বাংলায় সর্বকালীন রেকর্ড গড়ে মসনদে বসেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ঘাসফুলের রইরই হলেও উত্তরবঙ্গে ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। পরিবর্তে গেরুয়া শিবিরের আদিপত্য বেড়েছে। কোচবিহার জেলার নয়টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে সাতটিতেই জয় লাভ করেছে বিজেপি শুধু মাত্র দুইটি আসনে জিতেছে তৃণমূল। মেখলিগঞ্জ বিধানসভা থেকে তৃণমূল প্রার্থী পরেশ চন্দ্র অধিকারী ও সিতাই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। এমনকি কোচবিহার জেলা তৃণমূল সভাপতি পার্থ প্রতিম রায় নিজ আসন শীতলকুচিতেই হেরে যান। এরপরেই রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছিল জেলা সভাপতি থেকে সরানো হতে পারে পার্থ কে । কিন্তু সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে জেলা সভাপতি পদেই রাখা হল পার্থ প্রতিম রায়কে।




আজ পার্থ প্রতিম রায় জানিয়েছেন, "আমাদের প্রানপ্রিয় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ সোস্যাল মিডিয়ায় কেউ কোনো দলবিরোধী বা বিভ্রান্তমূলক পোস্ট করবেন না।। কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আমাদের জেলার সকল নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকদের কাছে অনুরোধ নেত্রীর নির্দেশ মানুন আর বিভ্রান্তিকর পোস্ট থেকে সকলে বিরত থাকুন। বেশ কিছুদিন যাবত আমরা কিছু বিভ্রান্তিকর পোস্টের সাক্ষী থেকেছি।। আর জেলার কোনো রদবদল হয়নি।"




এদিনের বৈঠকে ভাবমূর্তি স্বচ্ছ রাখতে হবে, নেতৃত্বকে কড়া বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে কড়া বার্তা দিয়ে বললেন, ‘গরু-কয়লা কেলেঙ্কারিতে যেন কেউ না জড়িয়ে পড়েন। কথায় কথায় লালবাতি লাগানো গাড়ি ব্যবহার নয়।’ তৃণমূলের সর্বভারতীয় স্তরে গুরুত্ব বাড়ল অভিষেকের। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে মহিলা সভানেত্রী হিসেবে মনোনয়ন। সায়নী ঘোষকে যুব তৃণমূলের সভানেত্রী পদে মনোনয়ন। বঙ্গ জননী বাহিনীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মালা রায়কে। তৃণমূলের কৃষক সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পূর্ণেন্দু বসুকে। শ্রমিক সংগঠনের রাজ্য সভাপতি করা হচ্ছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শ্রমিক সংগঠনের সর্বভারতীয় সভানেত্রী হচ্ছেন দোলা সেন। রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক হলেন কুণাল ঘোষ। তৃণমূলের কালচারাল সেলের প্রধান হচ্ছেন রাজ চক্রবর্তী।’

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code