CBI -র বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের তৃণমূল বিধায়ক চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের
এবার সিবিআই-এর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করলেন তৃণমূল বিধায়ক চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। জানা যাচ্ছে গড়িয়াহাট থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তৃণমূল বিধায়ক চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এদিন ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৬৬, ১৬৬ এ, ১৮৮ ও ৩৪ নম্বর ধারায় দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি বিপর্যয় মোকাবিলা আইনেও এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
জানা যাচ্ছে গত সোমবার লালবাজারে অভিযোগ করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এরপর তা গড়িয়াহাট থানায় পাঠানো হয় অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এফআইআর করা হয়েছে। নারদ মামলায় নেতা-মন্ত্রীদের গ্রেফতারি বেআইনি এই অভিযোগেই এফআইআর।
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের অভিযোগ, গত ১৭ মে রাজ্যের দুই মন্ত্রী, এক বিধায়ক এবং প্রাক্তন মেয়রকে যে ভাবে গ্রেফতার করেছে সিবিআই তা বেআইনি। বিধানসভার অধ্যক্ষের অনুমতি না নিয়েই তিন বিধায়ককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার রাজ্য শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের এক বিধায়ক মদন মিত্র, দুই মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিম এবং প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে সিবিআই। এরপরেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ক্ষোভে ফেটে পড়ে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। নিজাম প্যালেসে পৌঁছে যান স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।
দিনভর টানাপোড়নের পর বিকেলে সিবিআই-য়ের বিশেষ আদালত ব্যাঙ্কশাল কোর্টে ধৃতদের শুনানি হলে ব্যাঙ্কশাল কোর্ট চারজনের জামিন মঞ্জুর করে। কিন্তু, সিবিআই পনেরোদিনের জেল হেফাজতের আর্জি জানায়। নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে যায় সিবিআই। সোমবার রাতেই কলকাতা হাইকোর্টে নিম্ন আদালতের জামিনের নির্দেশে স্থগিতাদেশ জারি করে বুধবার পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠায় চারজনকেই। সেদিন মধ্যরাতেই প্রেসিডেন্সি জেলে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের। সেখানেই অসুস্থ হয়ে মঙ্গলবার ভোররাতে এসএসকেএমে ভর্তি হন মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়। এরপর মঙ্গলবার, সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেও ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। এদিকে, প্রেসিডেন্সি জেলের হাসপাতালেই ভর্তি ফিরহাদ হাকিম।
আজ কলকাতা হাইকোর্টে নারদ কাণ্ডের জোড়া মামলার শুনানি। একদিকে সিবিআই এই মামলা স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছে সেই মামলার শুনানি। চার হেভিওয়েট নেতার জামিনের ওপর হাইকোর্ট যে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল, তারও শুনানি হবে বুধবারই। অন্যদিকে ধৃত চার হেভিওয়েট নেতার তরফে জামিনের ওপর স্থগিতাদেশের নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন জানানো হয়েছে। তারও শুনানি হবে এদিনই। ধৃতদের তরফে হাইকোর্টের সওয়াল অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি, সিদ্ধার্থ লুথরা ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। প্রধান বিচারপতির এজলাসে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিন আইনজীবী। পুনর্বিবেচনার আর্জি পেশে অনুমোদন দিয়েছে হাইকোর্ট। এরপরেই আজ এই মামলার শুনানি।
Sangbad Ekalavya Digital Desk
প্রতিদিনের ব্রেকিং নিউজ থেকে শুরু করে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনীতি এবং স্থানীয় সমস্যার বস্তুনিষ্ঠ খবর তুলে আনে সংবাদ একলব্য ডিজিটাল ডেস্ক। সমাজ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে সঠিক তথ্যটি দ্রুততম সময়ে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের এই এডিটোরিয়াল টিমের প্রধান উদ্দেশ্য। সত্য ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতাই আমাদের মূলমন্ত্র।
ইমেইল: editor@sangbadekalavya.in
0 মন্তব্যসমূহ