Latest News

6/recent/ticker-posts

Ad Code

দিনহাটায় বাংলাদেশী সন্দেহে গ্রেফতার ওমর ফারুক ব্যাপারী, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

দিনহাটায় বাংলাদেশী সন্দেহে গ্রেফতার ওমর ফারুক ব্যাপারী, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

Omar Faruk Bepari arrested, Bangladeshi citizen suspect, Dinhata news, Sahebগঞ্জ Police Station, Cooch Behar news, TMC panchayat conspiracy allegation, SIR enumeration fraud, Foreigners Act case, দিনহাটা, ওমর ফারুক ব্যাপারী, বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী, তৃণমূল কংগ্রেস
ওমর ফারুক ব্যাপারী

বাংলাদেশী নাগরিক সন্দেহে দিনহাটার সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ ওমর ফারুক ব্যাপারী নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েন তিনি। আজ তাঁকে দিনহাটা মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওমর ফারুক ব্যাপারীর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণের চেষ্টা এবং জাল নথি তৈরির অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে, 'এসআইআর' (SIR - Special Investigation Report) প্রক্রিয়া চলাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশী নাগরিক হওয়ার তথ্য প্রকাশ্যে আসে।

তদন্তে উঠে এসেছে যে, ওমর ফারুক দিনহাটার নাগরের বাড়ি এলাকার এক স্থানীয় বাসিন্দাকে নিজের বাবা হিসেবে দেখিয়ে এসআইআর এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে ওই ব্যক্তির স্ত্রী নিজেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে জানান যে ওমর ফারুক তাঁদের সন্তান নন।

এর পাশাপাশি, স্থানীয় দুই তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য জেলাশাসকের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছিলেন যে ওমর ফারুক আসলে একজন বাংলাদেশী নাগরিক। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখার পরই পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। তাঁর বিরুদ্ধে বৈদেশিক আইনের (Foreigners Act) নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

গ্রেফতারের পর ওমর ফারুক ব্যাপারী সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলে দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্যরা চক্রান্ত করে তাঁকে ফাঁসিয়েছেন। তাঁর দাবি, "এখানে সব চক্রান্ত... দুলাল পঞ্চায়েত এবং টিএমসির (TMC) তিন-চারটে পঞ্চায়েত মিলে আমাকে ফাঁসাচ্ছে"।

তিনি আরও বলেন যে, তিনি দীর্ঘ দিন ধরে এখানে ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন এবং তাঁর পরিবারও এখানেই থাকে। তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ, "ওরা গাঁজার ব্যবসা করে, ফেন্সিডিলের ব্যবসা করে... ওরা আইসি (IC) এবং ওসির (OC) সাথে টাকা দেয়, সেই টাকা খেয়েই আজ আমার এই অবস্থা"। তিনি দাবি করেন যে তাঁর জীবন আজ বিপন্ন।

সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ জানিয়েছে, সমস্ত অভিযোগ এবং প্রমাণের ভিত্তিতেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ধৃতকে আজ আদালতে পেশ করা হয়েছে এবং পুলিশি তদন্ত চলছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code