এসআইআর হেয়ারিংয়ে একাশি বছরের বৃদ্ধের হয়রানির অভিযোগ, গোপালগঞ্জ বিডিও অফিসে দিনভর অপেক্ষা
এসআইআর হেয়ারিংকে ঘিরে একাশি বছরের বৃদ্ধের হয়রানির অভিযোগ উঠল কুমারগঞ্জ ব্লকের দিওর পাঁচপুকুর এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দা পামোর বর্মণ বুধবার সকাল থেকে সারাদিন গোপালগঞ্জ বিডিও অফিসে লাইনে দাঁড়িয়ে এসআইআর হেয়ারিংয়ে অংশ নেন। দীর্ঘ অপেক্ষা ও কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতায় পড়ে ভোগান্তির শিকার হন তিনি।
পামোর বর্মণের জীবনের গল্পই আজ তাঁর সমস্যার মূল কারণ। কিশোর বয়সেই তিনি বাড়ি ছেড়ে বৃন্দাবনে চলে যান। সেখানেই দীর্ঘদিন অবস্থান করে কাজকর্ম ও ভগবানের নামকীর্তনে সময় কাটান। প্রায় বাইশ-তেইশ বছর আগে জেলায় ফিরে এসে তিনি নিজের নাম ভোটার তালিকায় নথিভুক্ত করেন। তবে তাঁর বাবা-মা ২০০২ সালের অনেক আগেই মারা যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই শেষ এসআইআর তালিকায় তাঁদের নাম নেই। সেই কারণেই বর্তমান হেয়ারিংয়ে সমস্যায় পড়েছেন বলে অভিযোগ।
হেয়ারিং শিবিরে তিনি হাতে করে ১৯৬২ সালের একটি জমির দলিল নিয়ে ঘুরে বেড়ান। পামোর বর্মণ বলেন, 'আমি দীর্ঘদিন বৃন্দাবনে ছিলাম। ফিরে এসে ভোটার তালিকায় নাম তুলেছিলাম। এখন হেয়ারিংয়ের চিঠি এসেছে। বাবা-মা ২০০২ সালের আগেই মারা গিয়েছেন, তাই তালিকায় তাঁদের নাম নেই। সকাল থেকে এখানে ঘুরছি।'
এই ঘটনাকে অমানবিক বলে মন্তব্য করেছেন তৃণমূল নেতা মফিজুদ্দিন মিঞা ও উজ্জ্বল বসাক। তাঁদের বক্তব্য, 'একাশি বছরের একজন বৃদ্ধকে এভাবে হয়রানি করা অনভিপ্রেত।' এদিকে বিডিও শ্রীবাস বিশ্বাস জানান, 'নির্দিষ্ট টেবিলের এইআরও বিষয়টি বিস্তারিত বলতে পারবেন। তবে বিষয়টি আমি দেখছি।'
Sangbad Ekalavya Digital Desk
প্রতিদিনের ব্রেকিং নিউজ থেকে শুরু করে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনীতি এবং স্থানীয় সমস্যার বস্তুনিষ্ঠ খবর তুলে আনে সংবাদ একলব্য ডিজিটাল ডেস্ক। সমাজ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে সঠিক তথ্যটি দ্রুততম সময়ে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের এই এডিটোরিয়াল টিমের প্রধান উদ্দেশ্য। সত্য ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতাই আমাদের মূলমন্ত্র।
ইমেইল: editor@sangbadekalavya.in
0 মন্তব্যসমূহ