Latest News

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Siliguri Mahakal Temple: শিলিগুড়িতে বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তির শিলান্যাস করলেন মুখ্যমন্ত্রী, জানুন মন্দিরের বিশেষত্ব

Siliguri Mahakal Temple: শিলিগুড়িতে বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তির শিলান্যাস করলেন মুখ্যমন্ত্রী, জানুন মন্দিরের বিশেষত্ব

Siliguri Mahakal Temple, Mamata Banerjee, World's Tallest Mahakal Statue, Matigara, North Bengal Tourism, 12 Jyotirlinga Replica, Mahakal Mahatirtha, শিলিগুড়ি মহাকাল মন্দির, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, উত্তরবঙ্গ সংবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদন, শিলিগুড়ি: ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনিতে মুখরিত উত্তরবঙ্গ। শুক্রবার শুভ তিথিতে শিলিগুড়ির মাটিগাড়ার লক্ষ্মী টাউনশিপ এলাকায় বহু প্রতীক্ষিত ‘মহাকাল মহাতীর্থ’-এর শিলান্যাস করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শিলিগুড়ির পর্যটন মানচিত্র এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন, আগামী দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যেই এই মন্দিরের নির্মাণ কাজ শেষ করতে হবে।

প্রকল্পটির সবথেকে বড় আকর্ষণ হতে চলেছে বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি। জানা গেছে, মোট ১৭.৪১ একর জমির ওপর গড়ে উঠবে এই বিশাল মন্দির চত্বর। কমপ্লেক্সে মূল মন্দিরের সঙ্গে থাকবে মহাদর্শনের জন্য সুবিশাল মহাকাল মূর্তি। যার মোট উচ্চতা হবে ২১৬ ফুট। এর মধ্যে ১০৮ ফুট ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো হবে ১০৮ ফুটের মূল ব্রোঞ্জ মূর্তিটি। রাস্তা থেকেই এই মন্দির ও মূর্তি দর্শন করা যাবে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন মন্দিরের রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি জানান, এই মহাতীর্থ চত্বরে মূল মন্দিরের পাশাপাশি থাকবে একটি মহাকাল মিউজিয়াম ও সাংস্কৃতিক হল। এছাড়াও থাকছে:
দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ: মন্দিরের সীমানা বরাবর ভারতের ১২টি বিখ্যাত জ্যোতির্লিঙ্গের প্রতিরূপ বা অভিষেক লিঙ্গ মন্দির তৈরি করা হবে।
চার ধাম: মন্দিরের চার কোণে চার দেবতার অধিষ্ঠান থাকবে। দক্ষিণ-পশ্চিমে গণেশ, উত্তর-পশ্চিমে কার্তিক, উত্তর-পূর্বে শক্তি এবং দক্ষিণ-পূর্বে বিষ্ণু-নারায়ণ।
নন্দীগৃহ ও প্রদক্ষিণ পথ: মন্দিরের পূর্ব ও পশ্চিম দিকে দুটি নন্দীগৃহ থাকবে। দুটি প্রদক্ষিণ পথ দিয়ে একসঙ্গে প্রায় ১০ হাজার ভক্ত যাতায়াত করতে পারবেন।
সভামণ্ডপ: দুদিকে দুটি সভামণ্ডপ থাকবে, যেখানে প্রতিদিন ৬ হাজারেরও বেশি মানুষ বসতে পারবেন।

প্রতিদিন অন্তত ১ লক্ষ দর্শনার্থীর সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভক্তদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে মন্দির চত্বরেই প্রসাদ বিতরণ কেন্দ্র, ক্যাফেটেরিয়া, স্যুভেনিয়ার শপ এবং ডালা কমপ্লেক্স তৈরি করা হবে। থাকছে পুরোহিতদের থাকার ব্যবস্থাও। এছাড়া রুদ্রাক্ষ ও অমৃত কুণ্ড থাকবে, যেখান থেকে ভক্তরা অভিষেকের পবিত্র জল বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন। মন্দিরে মহাকালের কাহিনি ও মহিমা তুলে ধরা হবে।

এদিন শিলান্যাস মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী নিজের প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “বাংলাকে এক নম্বরে করব বলেছি, করেই ছাড়ব।” এই মন্দির উত্তরবঙ্গের অর্থনীতি ও পর্যটনে এক নতুন জোয়ার আনবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code