নিজের জন্মদিনে কেক নয়, কান্না মুছলেন জিয়ারুল রহমান
দিনহাটা
বৃহস্পতিবার দিনটি ছিল আনন্দের হওয়ার কথা। কেক কাটার, শুভেচ্ছার, হাসির। কিন্তু দিনহাটা হেল্পিং হ্যান্ডস-এর কর্ণধার তথা সভাপতি জিয়ারুল রহমান নিজের জন্মদিনের আনন্দকে উৎসর্গ করলেন সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত মানুষগুলোর জন্য।
হাড় কাঁপানো শীতের রাতে, রাস্তার পাশে কাঁপতে থাকা ৫০ জন ভবঘুরে ও দরিদ্র শিশুর শরীরে নিজ হাতে তুলে দিলেন শীতের বস্ত্র। কারও চোখে জল, কারও মুখে লাজুক হাসি এই ছিল আজকের জন্মদিনের সবচেয়ে বড় উপহার।
একটি শিশু কাঁপা গলায় বলল, “আজ প্রথমবার শীতে গায়ে গরম জামা পেলাম…” সেই মুহূর্তে উপস্থিত অনেকের চোখই ভিজে ওঠে।
জিয়ারুল রহমান বলেন “আমার জন্মদিন তখনই সার্থক, যখন একজন অসহায় মানুষের মুখে একটু হাসি ফোটাতে পারি।” ১০ বছরের নিরলস সমাজসেবার পথচলায়, রক্তদান থেকে শুরু করে শিক্ষা, বস্ত্র, খাদ্য ও মানবিক শেষকৃত্য দিনহাটা হেল্পিং হ্যান্ডস আজ মানবতার এক উজ্জ্বল নাম।
আজকের এই জন্মদিন যেনো মনে করিয়ে দিল মানুষ বড় হয় পদবিতে নয়, মানুষ বড় হয় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে। দিনহাটার আকাশে আজ আতশবাজি নয়, জ্বলেছে মানবতার আলো।

0 মন্তব্যসমূহ
Thank you so much for your kindness and support. Your generosity means the world to me. 😊