Latest News

6/recent/ticker-posts

Ad Code

SIR-এ নথিপত্র হিসেবে আর গ্রাহ্য নয় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট! কমিশনের নয়া নির্দেশে বাড়ল ভোটারদের হয়রানি

SIR-এ নথিপত্র হিসেবে আর গ্রাহ্য নয় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট! কমিশনের নয়া নির্দেশে বাড়ল ভোটারদের হয়রানি

Election Commission of India, SIR Process, Voter List Revision West Bengal, Madhyamik Admit Card, ECI Notification, Manoj Agarwal, Voter Harassment, নির্বাচন কমিশন, ভোটার তালিকা সংশোধন, মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড, এসআইআর

সংবাদ একলব্য ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) কাজে ফের বড়সড় রদবদল আনল নির্বাচন কমিশন। নাগরিকত্বের প্রমাণ বা বয়স সংক্রান্ত নথিপত্র হিসেবে মাধ্যমিক বা দশম শ্রেণির অ্যাডমিট কার্ড আর গ্রহণযোগ্য হবে না। বৃহস্পতিবার দিল্লির নির্বাচন কমিশন থেকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি পাঠিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই নির্দেশ। কমিশনের এই আকস্মিক ‘ফতোয়া’য় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও বিভ্রান্তি—দুই-ই চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে বাংলা-সহ দেশের ১২টি রাজ্যে চলছে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ। ২০২৫ সালের অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া। নিয়ম অনুযায়ী, ২০০২ সালের ভোটার তালিকার ভিত্তিতে এই কাজ চলছে। যাদের নাম ২০০২-এর তালিকায় নেই, তাদের শুনানিতে যথাযথ নথিপত্র দেখিয়ে নাম তোলার আবেদন করতে হচ্ছে। নাম তোলা ছাড়াও তালিকার যে কোনও ভুল সংশোধনের জন্য নির্দিষ্ট নথিপত্র জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

কমিশন প্রাথমিকভাবে নাম তোলার জন্য নির্দিষ্ট ১৩টি নথির উল্লেখ করেছিল, যার মধ্যে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডের উল্লেখ ছিল না। তবে এই নথিটি রাজ্যের অধিকাংশ মানুষের কাছে সহজলভ্য এবং বয়স বা পরিচিতির প্রমাণ হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায়, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে এটিকে গ্রাহ্য করার জন্য আবেদন জানানো হয়েছিল। বিভিন্ন স্তর থেকে এই দাবি ওঠায় ধরে নেওয়া হয়েছিল যে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গৃহীত হবে। সেই ইঙ্গিত পেয়ে ইতিপূর্বে শুনানিতে ডাক পাওয়া বহু মানুষ এবং বিএলও-রা (BLO) অ্যাডমিট কার্ড জমা নিয়েছিলেন।

কিন্তু বৃহস্পতিবার দিল্লির নির্দেশে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই নথি গ্রাহ্য নয়। এখানেই তৈরি হয়েছে বড় প্রশ্ন। এতদিন ধরে যারা অ্যাডমিট কার্ড জমা দিয়ে নিশ্চিন্ত ছিলেন, তাদের ভবিষ্যৎ কী হবে? তাদের কি নতুন করে অন্য কোনও নথি জমা দিতে হবে? নাকি তাদের আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে? প্রশাসনিক স্তরে এবং সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এই প্রশ্ন ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। Breaking: কাজের চাপে অতিষ্ঠ! গণইস্তফার ডাক দিয়ে পঞ্চায়েত অফিসে তালা ঝোলালেন ১৭ জন BLO

Election Commission of India, SIR Process, Voter List Revision West Bengal, Madhyamik Admit Card, ECI Notification, Manoj Agarwal, Voter Harassment,


অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, প্রক্রিয়াটি শুরু হওয়ার এতদিন পর কেন এই নির্দেশিকা এল? যদি এই নথি বাতিল করারই ছিল, তবে গোড়াতেই তা স্পষ্ট করা হলো না কেন? কমিশনের এই দেরিতে নেওয়া সিদ্ধান্তের জেরে রাজ্যের বহু মানুষকে নতুন করে হয়রানির শিকার হতে হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code