Latest News

6/recent/ticker-posts

Ad Code

'বাংলায় আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি ভালো নয়', জলপাইগুড়িতে দাঁড়িয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

'বাংলায় আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি ভালো নয়', জলপাইগুড়িতে দাঁড়িয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

Arjun Ram Meghwal, Jalpaiguri Circuit Bench, West Bengal Law and Order, BJP West Bengal, Trinamool Congress, PM Narendra Modi, Supreme Court Observation, Beldanga Incident, West Bengal Politics.

জলপাইগুড়ি: রাজ্যে এসে একদিকে আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন, অন্যদিকে জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দিলেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের কড়া সমালোচনা করেন।

জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ তৈরি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের কৃতিত্ব দাবির পাল্টা জবাব দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, সার্কিট বেঞ্চ তৈরির সিদ্ধান্ত বা কৃতিত্ব পুরোপুরি কেন্দ্র সরকারের। তিনি তথ্য তুলে ধরে বলেন, "৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট এই সিদ্ধান্ত নেয় এবং ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।"

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় কেন্দ্র টাকা দিলেও কাজ রাজ্য সরকার বা তার এজেন্সিকে দিয়েই করাতে হয়। কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং মানুষকে সুরাহা দেওয়ার মূল কাণ্ডারি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদীই। তৃণমূলের প্রচার বা ফ্লেক্স লাগানোকে তিনি আমল দিতে চাননি।

রাজ্যের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিশেষ করে বেলডাঙার ঘটনা এবং আর জি কর কাণ্ড নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন এবং সর্বোচ্চ আদালতও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে। তিনি বলেন, "সুপ্রিম কোর্ট বলেছে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই হবে, না হলে অরাজকতা ছড়িয়ে পড়বে। এটা রাজ্য সরকারের দায়িত্ব।"

রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর সাফ কথা, "বাংলায় আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি একেবারেই ভালো নয়।"

এদিন বিজেপির লিগ্যাল সেলের আইনজীবী এবং বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁরা দুটি প্রধান দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি জমা দেন:

১. জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চকে 'স্থায়ী বেঞ্চ'-এর মর্যাদা দেওয়া।

২. এর আওতাভুক্ত জেলার সংখ্যা বৃদ্ধি করা (আরও ৩টি জেলা যুক্ত করার প্রস্তাব)।

-মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে তিনি এই দাবিগুলি উচ্চস্তরে নিয়ে যাবেন এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করবেন। আসন্ন ২০২৬ সালের নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে, রাজ্যের মানুষ সব দেখছে এবং নির্বাচনের মাধ্যমেই তারা এর জবাব দেবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code