খুটামারী প্রাথমিক স্কুলে পানীয় জলের প্রকল্প অকেজো, ক্ষোভে ফুঁসছে ছাত্র-শিক্ষক ও গ্রামবাসী
চার বছর আগে দিনহাটা ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে লক্ষাধিক টাকা খরচ করে খুটামারী প্রাথমিক স্কুলে বসানো হয়েছিল সোলার চালিত পানীয় জলের প্রকল্প। স্কুলটি চৌধুরীহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত খাটামারী গ্রামে অবস্থিত। সোলার প্যানেল, ট্যাংকি, মোটর—সবই বসানো হয়েছে, কিন্তু অভিযোগ, আজ পর্যন্ত সেই প্রকল্প থেকে একফোঁটাও বিশুদ্ধ জল মেলেনি।
শিক্ষক ও গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রকল্প উদ্বোধনের দিন কিছুটা জল মিললেও তারপর থেকে পানীয় জলের সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ। ফলে খরতাপে বিদ্যালয়ের প্রায় দেড়শো পড়ুয়া ও আশপাশের বাসিন্দারা বঞ্চিত বিশুদ্ধ জলের অধিকার থেকে। বাধ্য হয়েই তারা আয়রনযুক্ত, স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর জল পান করছেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইমরান হোসেন বলেন, “এই বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই দেখি সোলার চালিত জলের প্রকল্পটি সম্পূর্ণ অকেজো। এটা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক, যেখানে সরকারের তরফে বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে সর্বত্র, সেখানে একটি সরকারি স্কুলেই পড়ুয়াদের এমন ভোগান্তি মেনে নেওয়া যায় না।”
তিনি আরও বলেন, “প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, দ্রুত এই প্রকল্পটি সচল করা হোক। শুধু আমাদের স্কুল নয়, এলাকার বাসিন্দারাও এতে উপকৃত হবেন।”
এ বিষয়ে দিনহাটা ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুবাসিনী বর্মন বলেন, “যদি প্রকল্পটি পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে করা হয়ে থাকে, তাহলে সেটি রিপেয়ারিং করে ঠিক করে দেওয়া হবে। তবে আজ পর্যন্ত কেউ কোনও অভিযোগ জানায়নি। অভিযোগ পেলে আমরা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।”
এলাকার বাসিন্দাদের প্রশ্ন, “লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে যদি জলই না মেলে, তাহলে সেই প্রকল্পের মানেটা কোথায়? দায়ী কারা?”
এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের তরফে আদৌ দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না।
Sangbad Ekalavya Digital Desk
প্রতিদিনের ব্রেকিং নিউজ থেকে শুরু করে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনীতি এবং স্থানীয় সমস্যার বস্তুনিষ্ঠ খবর তুলে আনে সংবাদ একলব্য ডিজিটাল ডেস্ক। সমাজ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে সঠিক তথ্যটি দ্রুততম সময়ে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের এই এডিটোরিয়াল টিমের প্রধান উদ্দেশ্য। সত্য ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতাই আমাদের মূলমন্ত্র।
ইমেইল: editor@sangbadekalavya.in

0 মন্তব্যসমূহ