৫১৫ বছরের জলপাইগুড়ির ঐতিহ্যবাহী বৈকুন্ঠপুর রাজবাড়ীর মনসা পুজো
৫১৫ বছরের মনসা পূজা জলপাইগুড়িতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যা জলপাইগুড়ির ঐতিহ্যবাহী বৈকুন্ঠপুর রাজবাড়ীর মনসা পুজো।
এবার এই পুজো ৫১৫ বছরে পদার্পণ করল।রাজবাড়ী সদস্যদের কথায়, রাজবাড়িতে মা অষ্টমূর্তিতে পুজিত হন। রয়েছে অষ্টনাগের মূর্তি। বেহুলা, লখিন্দর, গোদা-গোদানির মূর্তিও আছে। আর সেই ঐতিহ্যবাহী পুজোর সাক্ষী থাকতে উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ, অসম, বিহার থেকেও প্রচুর মানুষ আসেন এখানে। এই পূজার বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে উত্তরবঙ্গের প্রাচীন বিষহরির গান এবং সাত দিনব্যাপী মেলা।
বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ির পুজোয় মূর্তির যে চালচিত্র ব্যবহার করা হয়, তাতে মনসামঙ্গলের রীতিনীতির স্পষ্ট ছাপ আছে। বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়িতে যে মূর্তিতে পুজো করা হয়, সেরকম উত্তরবঙ্গের কোথাও নেই বলে দাবি করেছেন অনেকে।
পুজোর তিনদিন ভিন্ন রকমের ভোগ তৈরি করা হয়। পুজো শুরুর দিনে ভোগ হিসেবে থাকে সাদা ভাত। দ্বিতীয় দিনে খিচুড়ি তৈরি করা হয়। শেষদিনে ভোগ হিসেবে দেওয়া হয় মিষ্টি। সেইসঙ্গে ভোগে পাঁচ ধরনের মাছও (ইলিশ, বোয়াল, চিতল, শোল এবং পুঁটি) থাকে।
ঐতিহ্যবাহী সেই পুজোর পাশাপাশি বৈকুণ্ঠপুরের রাজবাড়িতে অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হল প্রাচীন বিষহরির গান। পুজোর তিনদিন সেই গান হয়। আজ সেই বিখ্যাত জলপাইগুড়ি ঐতিহ্যবাহী মনসা পূজো সম্পন্ন হল রাজপুরোহিত সদস্যদের উপস্থিতি । সকাল থেকেই শুরু হয়েছিল পূজো। পুজো দেখতে অসংখ্য মানুষ এখানে প্রতিবছর এসে থাকে । তবে মেলা এখনো জমেনি, জমবে আগামী কাল থেকে।
Sangbad Ekalavya Digital Desk
প্রতিদিনের ব্রেকিং নিউজ থেকে শুরু করে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনীতি এবং স্থানীয় সমস্যার বস্তুনিষ্ঠ খবর তুলে আনে সংবাদ একলব্য ডিজিটাল ডেস্ক। সমাজ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে সঠিক তথ্যটি দ্রুততম সময়ে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের এই এডিটোরিয়াল টিমের প্রধান উদ্দেশ্য। সত্য ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতাই আমাদের মূলমন্ত্র।
ইমেইল: editor@sangbadekalavya.in

0 মন্তব্যসমূহ