Breaking

Tuesday, May 11, 2021

করোনা নিয়ে আশার আলো দেখালো DRDO-র ওষুধ 2-DG

করোনা নিয়ে আশার আলো দেখালো DRDO-র ওষুধ 2-DG 




দেশে ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ। এমন পরিস্থিতির মাঝেই আশার আলো দেখালো ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের নতুন করোনার ঔষধ ২-ডিজি। ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই) মাঝারি থেকে গুরুতর কোভিড -১৯ রোগীদের অ্যাডজানেক্ট থেরাপি হিসাবে ড্রাগ 2-ডিওক্সি-ডি-গ্লুকোজ (2-DG) জরুরী ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে।




ড. রেড্ডির ল‍্যাবরেটোরি ও ডিআরডিও এর The Institute of Nuclear Medicine and Allied Sciences (INMAS) যৌথ উদ‍্যোগে তৈরি হয়েছে এই ড্র‍্যাগ। 'ক্লিনিকাল পরীক্ষার ফলাফলগুলি দেখিয়েছে যে এই অণু হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের দ্রুত পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে এবং পরিপূরক অক্সিজেন নির্ভরতা হ্রাস করে। জেনেরিক অণু এবং গ্লুকোজের অ্যানালগ হওয়ার কারণে এটি সহজেই উত্পাদন এবং প্রচুর পরিমাণে উপলব্ধ করা যায়। 2-ডিজির চিকিত্সা করা রোগীদের উচ্চ অনুপাত কোভিড রোগীদের মধ্যে আরটি-পিসিআর নেতিবাচক এসেছে', ডিআরডিও-র এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। 




Centre for Cellular and Molecular Biology (CCMB)-র সহযোগিতায় INMAS-DRDO -এর যৌথ উদ‍্যোগে ২০২০-র এপ্রিলে করোনারপ্রথম ঢেউয়ে পরীক্ষা নিরিক্ষা শুরু হয়।জানা গেছে, পাওয়া গেছে যে এই অণু SARS-CoV-2 ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে কাজ করে এবং ভাইরাল বৃদ্ধি রোধ করে। সেই ফলের ওপর ভিত্তি করে DCGI Central Drugs Standard Control Organization (CDSCO) ২০২০-র মে-তে রোগীর ওপর ট্রায়ালের অনুমতি দেয়। 




২০২০ সালের মে থেকে অক্টোবরের মধ্যে পরিচালিত দ্বিতীয় ধাপের ট্রায়ালে (ডোজ রেঞ্জ সহ) ওষুধটি কোভিড -১৯ রোগীদের মধ্যে নিরাপদ ছিল এবং তাদের পুনরুদ্ধারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখানো হয়েছিল। জানা যাচ্ছে, দ্বিতীয় ট্রায়ালে প্রথম দফায় ৬টি ও দ্বিতীয় দফায় ১২টি হাসপাতালে এই ট্রায়াল হয়। 




সেই ফলের ওপর ভিত্তি করেই ২০২০-র নভেম্বরে তৃতীয় ট্রায়ালে অনুমতি দেয় DCGI । পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র, গুজরাতসহ একাধিক রাজ‍্যের ২৭টি কোভিড হাসপাতালে তৃতীয় ট্রায়াল ২০-র নভেম্বর থেকে ২১-র মার্চ পর্যন্ত চলে। ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই) মাঝারি থেকে গুরুতর কোভিড -১৯ রোগীদের অ্যাডজানেক্ট থেরাপি হিসাবে ড্রাগ 2-ডিওক্সি-ডি-গ্লুকোজ (2-DG) জরুরী ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে।




এই ওষুধ প্যাকেটে পাউডার আকারে মিলবে। খেতে হবে জলে গুলে। প্রতি প্যাকেটের দাম ৫০০-৬০০ টাকা।

No comments:

Post a Comment

পৃষ্ঠা