ধূপগুড়িতে আগুনে ভস্মীভূত বেশ কয়েকটি দোকান
ধূপগুড়ি,জয়ন্ত বর্মন :
সাতসকালে বিধ্বংসী আগুন। আগুনে পুড়ে ছাঁই হল দোকানঘর। শনিবার ভোরবেলা আগুন নেভাতে গিয়ে আহত হয় এক ব্যবসায়ী । ঘটনাটি ঘটেছে ধূপগুড়ি পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাসপাতাল পাড়া এলাকায়। আবারো ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা থেকে রক্ষা পেল ধূপগুড়ি। অগ্নিকান্ডে ভষ্মীভূত হয়েছে ৫ টি দোকান। আগুনে ক্ষতিগ্ৰস্ত হয়েছে পাশ্ববর্তী বেশ কয়েকটি দোকানও। আগুন নেভাতে গিয়ে গিয়ে আহত হয়েছেন এক ব্যবসায়ী।
জানা গেছে শনিবার ভোর সাড়ে চারটা নাগাদ ধূপগুড়ি পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের হাসপাতাল পাড়ার একটি দোকান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেন প্রাতঃভ্রমণকারী কয়েকজন ব্যাক্তি। এরপর তাদের চিৎকার চেঁচামেচিতে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে আসে। কিন্তু ততক্ষণে আগুন বড় আকার ধারণ করে। মূহুর্তেই দুটি দোকান পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়ে আগুন।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে ধূপগুড়ি থানায় ফোন করে দমকল কর্মীদের পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু পরেও দমকলকর্মীরা দীর্ঘসময় না এলে স্থানীয় বাসিন্দারা টোল ফ্রি নাম্বার ১০০ এবং ১০১ নম্বরে ফোন করেন তাতেও কোনো সারা মেলেনি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের ।এরপর সংবাদমাধ্যমের কর্মীরাই খবর দেয় দমকলকর্মী কে। এরপরে ছুটে আসে দমকল বাহিনী।
ধূপগুড়ি- ফালাকাটা ৩১ নং জাতীয় সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। খবর দেওয়া হয় দমকল বাহিনীকে। দমকলের দুটি ইঞ্জিন ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু ততক্ষণে পাঁচটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন ধূপগুড়ির বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী মিতালী রায়, বিজেপি কাউন্সিলর কৃষ্ণদেব রায়, পুরসভার ভাইস-চেয়ারম্যান রাজেশ কুমার সিং। ক্ষতিগ্ৰস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন তারা এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
স্থানীয় বাসিন্দা জানান," পৌনে পাঁচটা নাগাদ আগুন লাগে। কিন্তু প্রথমে ভুল করে ফালাকাটা দমকলকে ফোন করা হয়। এরপর ধূপগুড়ি দমকল বাহিনীর কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।"
তবে ঠিক কি কারণে আগুন লেগেছে তা এখনো পরিষ্কার নয়।
Sangbad Ekalavya Digital Desk
প্রতিদিনের ব্রেকিং নিউজ থেকে শুরু করে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনীতি এবং স্থানীয় সমস্যার বস্তুনিষ্ঠ খবর তুলে আনে সংবাদ একলব্য ডিজিটাল ডেস্ক। সমাজ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে সঠিক তথ্যটি দ্রুততম সময়ে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের এই এডিটোরিয়াল টিমের প্রধান উদ্দেশ্য। সত্য ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতাই আমাদের মূলমন্ত্র।
ইমেইল: editor@sangbadekalavya.in

0 মন্তব্যসমূহ