🔴 LATEST NEWS
খবর লোড হচ্ছে...
Advertisement

'Hello world' মহাকাশ থেকে গুগলের প্রথম এআই-এর হাইকু! 'প্রজেক্ট সানক্যাচার'-এর সাফল্যে উচ্ছ্বসিত সুন্দর পিচাই

Advertisement
Google space AI first haiku hello world project suncatcher Sundar Pichai
Photo: File/Reuters

ক্যালিফোর্নিয়া: মহাকাশ গবেষণায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক ছুঁল গুগল (Google)। চলতি মাসের শুরুতে উৎক্ষেপণ করা গুগলের একটি প্রোটোটাইপ স্যাটেলাইট মহাকাশ থেকে তার প্রথম এআই-জেনারেটেড (AI-generated) বার্তা পাঠিয়েছে পৃথিবীতে। বার্তাটি হলো মহাকাশজীবন নিয়ে লেখা একটি ছোট কবিতা বা 'হাইকু' (Google space AI haiku)। মহাকাশে ডেটা সেন্টার-শ্রেণির টেনসর প্রসেসিং ইউনিট (TPU) থেকে আসা এটিই বিশ্বের প্রথম সফল মেশিন লার্নিং প্রতিক্রিয়া। গুগলের মূল সংস্থা অ্যালফাবেটের (Alphabet) সিইও সুন্দর পিচাই এই ঐতিহাসিক মাইলফলকের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন (Technology News Bengali)।

কীভাবে লেখা হলো এই হাইকু?

গুগলের 'প্রজেক্ট সানক্যাচার' (Project Suncatcher hello world)-এর অধীনে এই সাফল্যকে প্রযুক্তি মহলে তাদের 'হ্যালো ওয়ার্ল্ড' মুহূর্ত বলে আখ্যা দেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে গুগল জানিয়েছে, নরওয়ের স্যালবার্ডের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় গ্রাউন্ড-স্টেশন থেকে স্যাটেলাইটটিতে থাকা 'জেম্মা ৪' (Gemma 4) এআই মডেলকে মহাকাশে থাকার বিষয়ে একটি হাইকু লেখার নির্দেশ (Prompt) দেওয়া হয়েছিল। এরপরই সফলভাবে সেই কবিতাটি পৃথিবীতে পৌঁছায়।

এআই-এর লেখা সেই কবিতাটি হলো:

"Blue marble below
Data streams in silent grace
Starlight feeds my core."

(অর্থাৎ: নীচে নীল মার্বেল বা পৃথিবী, নীরব মহিমায় বইছে ডেটার স্রোত, তারার আলোয় পুষ্ট হচ্ছে আমার কেন্দ্র।)

কী এই 'প্রজেক্ট সানক্যাচার'?

মহাকাশে বিশালাকার মেশিন লার্নিং পরিকাঠামো বা এআই ডেটা সেন্টার তৈরি করা সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখতেই গুগলের এই দীর্ঘমেয়াদী গবেষণা হলো 'প্রজেক্ট সানক্যাচার' (Sundar Pichai AI satellite)। এই প্রোটোটাইপ স্যাটেলাইটটিতে চারটি টেনসর প্রসেসিং ইউনিট (TPU) রয়েছে, যা গুগল মূলত পৃথিবীতে নিজেদের ডেটা সেন্টারে ব্যবহার করে। এটিতে জেম্মা (Gemma) এআই মডেলের একটি অনবোর্ড সংস্করণ চলছে।

ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ ও গুগলের পরিকল্পনা

মহাকাশের চরম তাপমাত্রার কারণে বর্তমানে এই চিপগুলো একটানা মাত্র ১৫ মিনিটের জন্য চালানো সম্ভব এবং এরা কেবল সাধারণ নির্দেশই পালন করতে সক্ষম। পরবর্তী ধাপে গুগল মহাকাশের বিকিরণ (Radiation) এবং তাপমাত্রার চাপের মধ্যে এই প্রসেসরগুলোর কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করবে। মহাকাশে বিকিরণের কারণে 'বিট ফ্লিপস' (bit flips) বা ডেটা নষ্ট হওয়ার প্রবল ঝুঁকি থাকে, যা সাধারণ মনিটরিং সিস্টেমে ধরা পড়ে না। এই বাধাগুলো অতিক্রম করতে গুগল ২০২৭ সালে মহাকাশে দুটি সংযুক্ত (interconnected) স্যাটেলাইট পরীক্ষা করার পরিকল্পনা করেছে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. গুগলের 'প্রজেক্ট সানক্যাচার' আসলে কী?

মহাকাশে মেশিন লার্নিং পরিকাঠামো বা এআই ডেটা সেন্টার তৈরি করা সম্ভব কি না, তা পরীক্ষা করে দেখার জন্য গুগলের একটি দীর্ঘমেয়াদী গবেষণা প্রকল্প হলো 'প্রজেক্ট সানক্যাচার' (Project Suncatcher)।

২. মহাকাশ থেকে আসা প্রথম এআই-এর বার্তাটি কী ছিল?

স্যাটেলাইটে থাকা এআই 'জেম্মা ৪' (Gemma 4) মহাকাশজীবন নিয়ে তিন লাইনের একটি ছোট কবিতা বা 'হাইকু' পৃথিবীতে পাঠিয়েছে, যা মেশিন লার্নিংয়ের প্রথম সফল প্রতিক্রিয়া।

৩. মহাকাশে এই এআই চিপগুলো বর্তমানে কতক্ষণ চালানো সম্ভব?

মহাকাশের চরম বিকিরণ ও তাপমাত্রার কারণে বর্তমানে গুগলের এই চিপগুলো একটানা মাত্র ১৫ মিনিটের জন্য চালানো সম্ভব হচ্ছে।

Advertisement
Sangbad Ekalavya Logo

Sangbad Ekalavya Digital Desk

প্রতিদিনের ব্রেকিং নিউজ থেকে শুরু করে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনীতি এবং স্থানীয় সমস্যার বস্তুনিষ্ঠ খবর তুলে আনে সংবাদ একলব্য ডিজিটাল ডেস্ক।

editor@sangbadekalavya.in

মন্তব্যসমূহ