BREAKING
আজকের গুরুত্বপূর্ণ খবর • জেলার খবর • রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ খবর • দেশের বড় খবর • আন্তর্জাতিক খবর • বিনোদনের খবর • চাকরির আপডেট • সরকারি প্রকল্পের খবর •

জাতীয় রাজনীতিতে মহানাটক! NCPI দলে মিশলেন তৃণমূলের ২০ জন ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ, দলটির শিকড় এ রাজ্যেই

20 tmc mp join npci
জাতীয় রাজনীতিতে মহানাটক! NCPI দলে মিশলেন তৃণমূলের ২০ জন ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দিল্লির বুকে এক নজিরবিহীন রাজনৈতিক নাটকের সাক্ষী থাকল দেশ। তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন ‘বিদ্রোহী’ বা বিক্ষুব্ধ সাংসদ যোগ দিলেন একবারে অপরিচিত দল ‘NCPI’ বা ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া-তে। রবিবার সন্ধ্যায় লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করার পর প্রবীণ নেত্রী তথা সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার স্পষ্ট জানান, “আমরা তৃণমূল সাংসদরা NCPI-এর সঙ্গে জুড়ে যাচ্ছি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে এনডিএ (NDA) জোটের শরিক হিসেবে কাজ করব।” এই মেগা দলবদলের পর রাতারাতি জাতীয় রাজনীতির পাদপ্রদীপে চলে এসেছে এনসিপিআই (NCPI) নামের এই দলটি।



হাওড়ার সাঁকরাইলেই এনসিপিআই-এর রেজিস্টার্ড অফিস:


তৃণমূলের এই বড়সড় ভাঙন এবং দলবদলের পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কী এই এনসিপিআই? কোথা থেকে এল এই রাজনৈতিক দল? এই কৌতূহলের মাঝেই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের নথি অনুযায়ী, উত্তর-পূর্বের রাজ্য ত্রিপুরার দল হিসেবে পরিচিতি থাকলেও এই দলটির প্রধান নিবন্ধিত কার্যালয় বা রেজিস্টার্ড অফিস রয়েছে এ রাজ্যের হাওড়া জেলার সাঁকরাইলের বাণীপুর এলাকায়। হাওড়ার একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা 'জাগো বিশ্ব'-র কার্যালয় থেকেই মূলত পরিচালিত হয় এই এনসিপিআই-এর অফিস।



বাঙালি দম্পতির হাতেই রয়েছে রাশ:

ভারতের নির্বাচন কমিশনের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা যাচ্ছে, ২০২৩ সালের ২০ জানুয়ারি এটি একটি ‘Registered Unrecognised Political Party’ (RUPP) হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এই দলের রাশ রয়েছে মূলত এক বাঙালি দম্পতির হাতে। দলের সভাপতি হলেন উত্তীয় কুণ্ডু এবং তাঁর স্ত্রী শিউলি কুণ্ডু হলেন এই দলের কোষাধ্যক্ষ। ২০২৩ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে এই দল প্রথম অংশ নেয়। সেখানে তারা ৭টি আসনে লড়ার পরিকল্পনা করলেও ৪টি আসনে মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায় এবং বাকি ২টি আসনে লড়ে মাত্র কয়েকশো ভোট পায় তারা। নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, এই দলটির মোট সংগৃহীত অনুদানের পরিমাণ ছিল মাত্র ১.১৩ লক্ষ টাকা।




তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সঙ্কটে নয়া মোড়:

যে রাজনৈতিক দলটি ২০২৩ সালের ভোটে লড়ে খাতা খুলতে পারেনি এবং রাজ্যে কার্যত কোনও অস্তিত্বই ছিল না, সেই স্বল্প পরিচিত দলটির নামেই এখন লোকসভার ভেতরে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ ২০ জন সাংসদ নিজেদের পরিচয় নথিভুক্ত করলেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, তৃণমূলের অন্দরের তীব্র কোন্দল ও বিদ্রোহকে আইনি ও প্রযুক্তিগতভাবে টিকিয়ে রাখতেই অত্যন্ত কৌশলে এই দলটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে, যাতে দলত্যাগ বিরোধী আইনের (Anti-Defection Law) খাঁড়া এড়ানো যায়। এই ঘটনার পর এ রাজ্যেও তৃণমূলের অন্দরে ও রাজ্য রাজনীতিতে এক বিশাল তোলপাড় শুরু হয়েছে।

সংশোধন ও অভিযোগ: এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল, কপিরাইট সমস্যা বা আপত্তিকর তথ্য থাকলে অনুগ্রহ করে আমাদের Corrections Policy অনুসরণ করে জানান।

Sangbad Ekalavya Digital Desk

প্রতিদিনের ব্রেকিং নিউজ থেকে শুরু করে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনীতি এবং স্থানীয় সমস্যার বস্তুনিষ্ঠ খবর তুলে আনে সংবাদ একলব্য ডিজিটাল ডেস্ক।

editor@sangbadekalavya.in

সর্বশেষ প্রকাশিত খবর

লোড হচ্ছে...

🔥 Trending News

Loading...
Facebook WhatsApp X Copy