'লক্ষ্মীর' পর এবার 'অন্নপূর্ণা' ভাণ্ডার! জলপাইগুড়িতে ১৩ পাতার ফর্ম নিয়ে বাড়ি বাড়ি ছুটছেন সুপারভাইজাররা, খুশির হাওয়া সাধারণ মানুষের মধ্যে
নিজস্ব প্রতিবেদন, জলপাইগুড়ি: এতদিন সরকারের সমস্ত রকম সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। তবে এবার সেই সমস্ত দুস্থ ও বঞ্চিত মানুষদের মুখে হাসি ফোটাতে শুরু হলো 'অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার'-এর ফর্ম বিলি। জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন পাতকাটা কলোনির ২১০ এবং ২১১ নম্বর বুথে এই ফর্ম বিতরণের কাজ জোরকদমে শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বিজেপি।
জানা গিয়েছে, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের এই ফর্মটি মোট ১৩ পাতার। সাধারণ মানুষের পক্ষে এই বিশাল ফর্ম পূরণ করা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও জটিল। তাই সাধারণ মানুষের হয়রানি রুখতে সুপারভাইজাররা সরাসরি বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই ফর্ম পৌঁছে দিচ্ছেন এবং নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে তা পূরণ করে দিচ্ছেন।
কী বলছেন উপভোক্তা ও সুপারভাইজাররা?
- উপভোক্তাদের স্বস্তি: পাতকাটা কলোনির বাসিন্দা মুন্টি মহন্ত জানান, তিনি এতদিন সরকারি কোনও ভাতাই পাননি। এখন সুপারভাইজাররা বাড়িতে এসে ফর্ম দিয়ে যাওয়ায় এবং নিজেরা তা পূরণ করে দেওয়ায় তিনি অত্যন্ত খুশি। ১৩ পাতার ফর্মের কথা শুনে প্রথমে ভয় পেলেও, সাহায্য পাওয়ায় সেই চিন্তা কেটেছে।
- সুপারভাইজারদের বক্তব্য: পাহাড়পুর অঞ্চলের সুপারভাইজার তনুশ্রী কর্মকার জানান, যে সমস্ত মানুষ এখনও কোনো ভাতা পাননি, বাড়ি বাড়ি ঘুরে তাঁদের চিহ্নিত করে ফর্ম পূরণ করানোই তাঁদের মূল লক্ষ্য। তিনি এও আশ্বস্ত করেন যে, যারা বর্তমানে 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' পাচ্ছেন, পরবর্তীকালে তাঁদের জন্যও 'অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার'-এর ফর্ম আসবে, তাই হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই।
বহু বছর ধরে বঞ্চিত থাকা মানুষজন এই অভিনব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। প্রশাসনের সাহায্য এবং সুপারভাইজারদের এই আন্তরিকতায় এলাকায় খুশির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
জলপাইগুড়ি সহ উত্তরবঙ্গের সমস্ত স্থানীয় খবর ও লেটেস্ট ব্রেকিং আপডেট সবার আগে পেতে চোখ রাখুন সংবাদ একলব্য-তে
🌐 sangbadekalavya.inসংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ (Disclaimer): এই প্রতিবেদনটি ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত তথ্য এবং স্থানীয় উপভোক্তা ও সুপারভাইজারদের নিজস্ব বিবৃতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। ফর্ম বিলি সংক্রান্ত যাবতীয় নিয়মনীতি সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনের নিজস্ব সিদ্ধান্ত।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন