Latest News

6/recent/ticker-posts

Ad Code

জঙ্গলে ঘেরা লাটাগুড়ি থেকে হাতেনাতে পাকড়াও ‘জ্যান্ত পেত্নী’! দেখুন ভিডিও

জঙ্গলে ঘেরা লাটাগুড়ি থেকে হাতেনাতে পাকড়াও ‘জ্যান্ত পেত্নী’! দেখুন ভিডিও 

লাটাগুড়ির জঙ্গলে জ্যান্ত ভূত


ভূত আছে কী না তাই নিয়ে আজও হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসা বিতর্ক বহমান। ভূত থাক আর নাই থাক, ভুয়ো ভূত ধরা পড়েছে অনেকবার, অনেক জায়গাতেই। যেমনটা ধরা পড়ল এবার। 


ভুয়ো আইপিএস, ভুয়ো বিচারপতি এমনকি ভুয়ো মানবাধিকার কমিশনের সদস্যের পর এবার ভুয়ো ভূতকে ঘিরে সরগরম বাংলা।পরনে সাদা শাড়ি, মুখে বিকট শব্দ, লাটাগুড়ির জঙ্গলে পর্যটকের গাড়ির সামনে দাপাদাপি ‘জ্যান্ত পেত্নী’র ।


রবিবার রাতে স্থানীয়রা তাকে ধরে ফেলে। ভূতের ভয় দেখিয়ে পর্যটকদের থেকে মানুষরূপী ওই ‘পেত্নী’ ছিনতাই করত বলেই অভিযোগ। 


ভূতবেশী ওই মহিলা কোনও ছিনতাইবাজ চক্রের সঙ্গে জড়িত বলেই মনে করা হচ্ছে।চুল এলোমেলো, পরনে সাদা শাড়ি, হাতে সাদা রঙের বালা। মাঝেমধ্যেই শোনা যেত লাটাগুড়ির জঙ্গলে এমনই এক ‘পেত্নী’ ঘুরে বেড়ায়। অনেক পর্যটক তো দাবি করেন, তাঁরা নাকি সেই ‘পেত্নী’র সাক্ষাতও পেয়েছেন। আবার অতি সাহসীরা যদিও সেকথা মানতে নারাজ। পরিবর্তে ভূত দেখা পর্যটকদের সঙ্গে কার্যত বিবাদে জড়িয়ে পড়তেন তাঁরা। 



রবিবার রাতে অতি সাহসী পর্যটকদের কথাই যেন একশো শতাংশ মিলে গেল। কারণ, লাটাগুড়ির জঙ্গল থেকে হাতেনাতে পাকড়াও ‘মানুষরূপী পেত্নী’। সেই ‘জ্যান্ত পেত্নী’কে হাতেনাতে ধরে ফেললেন জলপাইগুড়ির এক দম্পতি। রবিবার রাত ন’টা নাগাদ জলপাইগুড়ি শহরের বাসিন্দা ওই দম্পতি জঙ্গল পেরনোর সময় ‘পেত্নী’ দেখা দেয়। 


দম্পতির দাবি, ওই মহিলা প্রথমে শাড়ির আঁচল হাওয়ায় উড়িয়ে দেয়। গাড়ির বনেটের উপর লাফিয়ে বসে সে। মুখ দিয়ে বীভৎস শব্দ করতে থাকে। প্রথমে কার্যত ভয় পেয়ে যান দম্পতি। 


পরে যদিও সাহস করে গাড়ি থামান তাঁরা। ‘জ্যান্ত ভূত’কে হাতেনাতে ধরে ফেলেন দম্পতি। সেই সময় যদিও ওই মহিলা নিজেকে ভূত বলে দাবি করে বলেই জানান দম্পতি।

সংবাদ একলব্য লোগো

Sangbad Ekalavya Digital Desk

প্রতিদিনের ব্রেকিং নিউজ থেকে শুরু করে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনীতি এবং স্থানীয় সমস্যার বস্তুনিষ্ঠ খবর তুলে আনে সংবাদ একলব্য ডিজিটাল ডেস্ক। সমাজ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে সঠিক তথ্যটি দ্রুততম সময়ে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের এই এডিটোরিয়াল টিমের প্রধান উদ্দেশ্য। সত্য ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতাই আমাদের মূলমন্ত্র।

ইমেইল: editor@sangbadekalavya.in

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code