মিহির সরকারঃ
এরকম ই অভিনব ব্যবসা নিয়ে এলো দূষণে জেরবার দিল্লির একটি মল। গত কয়েক মাস থেকেই দিল্লিতে দূষণ মাত্রা ছাড়িয়েছে। বন্ধ রাখতে হচ্ছে স্কুল কলেজ। যমুনার জল ও রাসায়নিক বয়সে পরিণত। এই পরিস্থিতিতে সাকেত এলাকায় সিটি ওয়াক মলের অক্সিজেন বার ‘অক্সিপিওর’-এ ভরসা রাখছেন দিল্লিবাসী। খোলা জায়গা ছেড়ে, বদ্ধ বারের ভিতরে গিয়ে নাকে নল লাগিয়ে অক্সিজেন টানছেন তাঁরা। দিল্লিতে তো বটেই এই দেশেও এমন বার এই প্রথম। লেমনগ্রাস, অরেঞ্জ, সিনামন, স্পিয়ারমিন্ট, পেপারমিন্ট, ইউক্যালিপ্টাস এবং ল্যাভেন্ডার– এই সাতটি ফ্লেভারে অক্সিজেন টানতে পারবেন মানুষ।
স্টোর অপারেটর অজয় জনসন জানিয়েছেন, প্রতিদিন কাস্টমারের সংখ্যা বাড়ছে। এখানে এসে ১৫ মিনিট বা ৩০ মিনিট ধরে অক্সিজেন নিচ্ছেন তাঁরা। এছাড়া অনেকে পোর্টেবেল অক্সিজেন সিলিন্ডারও কিনছেন, যা সব সময় সঙ্গে নিয়ে ঘোরা যায় এবং যে কোনও জায়গায় ব্যবহার করা যায়।
মানুষকে আকৃষ্ট করতে খুব সুন্দর ভাবে সাজানোও হয়েছে এই বার। ভিতরে সবুজ গাছপালা লাগিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। আরামদায়ক নাতিশীতোষ্ণ পরিবেশে বুক ভরে অক্সিজেন নিচ্ছেন মানুষ। এই ভয়াবহ দূষণের তাড়নায় বিশুদ্ধ অক্সিজেনের চাহিদা এত বাড়ছে, যে দিল্লি বিমানবন্দরেও একটি বার খোলা হবে বলেও জানানো হয়েছে অক্সিপিওরের তরফে। তথ্য বলছে, কলকাতা-সহ দেশের অন্য শহরগুলিও দূষণের দিক থেকে পিছিয়ে নেই খুব একটা। সেক্ষেত্রে কি অন্য শহরেও এই বার খোলার পরিকল্পনা রয়েছে? সে বিষয়ে এখনই কিছু জানায়নি অক্সিপিওর।
নিয়মিত আপডেট পেতে নজর রাখুন আমাদের ফেসবুক পেজে -
like our facebook page for more update
Sangbad Ekalavya Digital Desk
প্রতিদিনের ব্রেকিং নিউজ থেকে শুরু করে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনীতি এবং স্থানীয় সমস্যার বস্তুনিষ্ঠ খবর তুলে আনে সংবাদ একলব্য ডিজিটাল ডেস্ক। সমাজ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে সঠিক তথ্যটি দ্রুততম সময়ে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের এই এডিটোরিয়াল টিমের প্রধান উদ্দেশ্য। সত্য ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতাই আমাদের মূলমন্ত্র।
ইমেইল: editor@sangbadekalavya.in

0 মন্তব্যসমূহ