আজকের তাজা খবর

Madhyamik । সমাস চেনার সহজ ট্রিকস, মাধ্যমিকের বিগত বছরের প্রশ্ন ও ৫০ নম্বরের লাইভ MCQ মক টেস্ট

মাধ্যমিক সমাস ও ব্যাসবাক্য: চেনার সহজ ট্রিকস, বিগত বছরের প্রশ্ন ও ৫০ নম্বরের লাইভ MCQ মক টেস্ট – সংবাদ একলব্য
সংবাদ একলব্য — শিক্ষা ও মাধ্যমিক প্রস্তুতি বিভাগ
সংবাদ একলব্য শিক্ষা পোর্টাল

আপনার মুখপত্র, আপনার ইস্তাহার | মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বিশেষ গাইড

Advertisement
🎓 মাধ্যমিক ও দশম শ্রেণি স্পেশাল • সম্পূর্ণ স্টাডি নোটস + ৫০টি লাইভ MCQ

বাংলা ব্যাকরণ: সমাস (আদ্যোপান্ত আলোচনা ও প্র্যাকটিস সেট)

সমাস কাকে বলে, ব্যাসবাক্য ও পদের বিশ্লেষণ, ছয় প্রকার সমাস ও তাদের উপবিভাগ, উপমান-উপমিত-রূপক চেনার জাদুকরী শর্টকাট সূত্র, ১০০+ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাসবাক্য অভিধান এবং মাধ্যমিকের বাছাই করা ৫০টি প্রশ্নের লাইভ মক টেস্ট।

৬+
প্রধান ও উপ-শ্রেণিবিভাগ
১০০+
ব্যাসবাক্য অভিধান
১৫+
মাধ্যমিক SAQ উত্তর
৫০টি
লাইভ MCQ প্র্যাকটিস
১

সমাস কাকে বলে, প্রয়োজনীয়তা ও মৌলিক পরিভাষা

মৌলিক ধারণা

সমাস (Samas) কাকে বলে?

‘সমাস’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো সংক্ষেপ বা মিলন (সম্ + অস্ + ঘঞ্)। ব্যাকরণের পরিভাষায়, পরস্পর অর্থসম্বন্ধযুক্ত দুই বা ততোধিক পদের এক পদে পরিণত হওয়াকে সমাস বলে।

উদাহরণ:

  • সপ্ত অহের সমাহার = সপ্তাহ (সপ্ত, অহ)
  • নীল যে আকাশ = নীলাকাশ (নীল, আকাশ)
  • মোহ রূপ নিদ্রা = মোহনিদ্রা (মোহ, নিদ্রা)
  • রান্নার ঘর = রান্নাঘর (রান্না, ঘর)
গুরুত্ব ও ভূমিকা

বাংলা ভাষায় সমাসের প্রয়োজনীয়তা কী?

  • ✔ পদ সংক্ষেপণ: ‘সিংহ চিহ্নিত আসন’ না লিখে সংক্ষেপে ‘সিংহাসন’ লিখলেই চলে। ফলে বাক্যের আকার ছোট ও আঁটসাঁট হয়।
  • ✔ শ্রুতিমধুরতা ও সৌন্দর্য: সমাস পদকে শ্রুতিমধুর, সহজবোধ্য এবং ভাষাকে অলঙ্কৃত করে বাক্যের শ্রীবৃদ্ধি ঘটায়।
  • ✔ গতিশীলতা ও শব্দভাণ্ডার বৃদ্ধি: বাক্যকে জটিলতামুক্ত করে গতিশীলতা আনে এবং নতুন নতুন শব্দ গঠন করে বাংলা শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে।
ইন্টারঅ্যাক্টিভ ল্যাব (Interactive Breakdown)

সমাসের বিভিন্ন অঙ্গ বা পরিভাষা চিনে নিন (ক্লিক করে দেখুন)

ব্যাসবাক্য থেকে সমস্তপদ গঠনের প্রক্রিয়া:

১. সমস্তপদ (সমাসবদ্ধ পদ)

দুই বা ততোধিক পদের মিলনে যে নতুন একটি পদ গঠিত হয়, তাকে সমস্তপদ বলে।
উদা: উপলখণ্ড, নবযৌবন, জনমানব, মোহনিদ্রা, অনাশ্রিত।

২. সমস্যমান পদ

যেসব পদের মিলনে সমস্তপদ গঠিত হয়, সেসব পদের প্রত্যেকটিকে পৃথকভাবে সমস্যমান পদ বলে।
উদা: উপল / খণ্ড (উপলখণ্ড), জন / মানব (জনমানব)।

৩. পূর্বপদ ও পরপদ (উত্তরপদ)

সমস্তপদের প্রথম পদকে পূর্বপদ (যেমন: ‘নব’) এবং শেষ পদকে পরপদ বা উত্তরপদ (যেমন: ‘যৌবন’) বলে।

৪. ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহ বাক্য

সমস্যমান পদসমূহের সম্পর্ক নির্ধারণ বা সমস্তপদকে বিশ্লেষণ করার জন্য যে বাক্যাংশ ব্যবহার করা হয়।
উদা: নব যে যৌবন (নবযৌবন), উপলের খণ্ড (উপলখণ্ড)।

৫. উপমান পদ (পরোক্ষ বস্তু)

যে পদের (বিখ্যাত বস্তুর) সাথে অন্য কোনো পদের তুলনা করা হয়, তাকে উপমান পদ বলে।
উদা: চাঁদ (চাঁদমুখ), ওল (ওলকপি), সিংহ (সিংহপুরুষ)।

৬. উপমেয় পদ (প্রত্যক্ষ বস্তু)

প্রত্যক্ষ যে পদকে অন্য কোনো পদের সাথে তুলনা করা হয়, তাকে উপমেয় পদ বলে।
উদা: মুখ (চাঁদমুখ), কপি (ওলকপি), পুরুষ (সিংহপুরুষ)।

২

সমাসের শ্রেণিবিভাগ ও বিস্তারিত উপবিভাগ

📌 বিশেষজ্ঞ ও ভাষাচার্যদের মতে সমাসের শ্রেণিবিভাগ (মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ):

১. বৈয়াকরণ পাণিনির মতে (৪ প্রকার) ও অর্থের প্রাধান্য:

  • উভয় পদের অর্থপ্রধান: দ্বন্দ্ব সমাস।
  • পরপদের অর্থপ্রধান: তৎপুরুষ, কর্মধারয় ও দ্বিগু সমাস (পাণিনি দ্বিগু ও কর্মধারয়কে তৎপুরুষের অন্তর্ভুক্ত ধরেছেন)।
  • পূর্বপদের অর্থপ্রধান: অব্যয়ীভাব সমাস।
  • তৃতীয় বা ভিন্ন পদের অর্থপ্রধান: বহুব্রীহি সমাস।

২. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে (৩টি বিভাগ):

  • এক. সংযোগমূলক সমাস: দ্বন্দ্ব সমাস।
  • দুই. বর্ণনামূলক সমাস: বহুব্রীহি সমাস।
  • তিন. ব্যাখ্যামূলক সমাস: তৎপুরুষ, কর্মধারয়, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব সমাস।
  • * এছাড়া নিত্য সমাস ও অলুক সমাস-ও বিশেষ প্রকৃতি হিসেবে পঠিত হয়।
১. উভয় পদ প্রধান সংযোগমূলক

দ্বন্দ্ব সমাস

প্রতিটি সমস্যমান পদের অর্থ প্রাধান্য বজায় রেখে সমবিভক্তিবিশিষ্ট দুই বা ততোধিক বিশেষ্য/বিশেষণ পদের মিলনে যে সমাস হয়। (ব্যাসবাক্যে ও, এবং, আর থাকে)।

জনমানব: জন ও মানব
দম্পতি: জায়া ও পতি
অহিনকুল: অহি ও নকুল
২. পরপদ প্রধান ব্যাখ্যামূলক

কর্মধারয় সমাস

পরপদের অর্থ প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের মিলনে যে সমাস হয়।

নীলাকাশ: নীল যে আকাশ
মহাজন: মহান যে জন
গিন্নিমা: যিনি গিন্নি তিনিই মা
৩. পরপদ প্রধান বিভক্তি লোপ

তৎপুরুষ সমাস

পরপদের অর্থ প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করে এবং ব্যাসবাক্যে পূর্বপদের সাথে সংযুক্ত দ্বিতীয়াদি (২য়া–৭মী) কারক বা সম্বন্ধ বিভক্তি লুপ্ত হয়ে যে সমাস হয়।

রথচালন: রথকে চালন (২য়া)
মেঘলুপ্ত: মেঘ দ্বারা লুপ্ত (৩য়া)
গাছপাকা: গাছে পাকা (৭মী)
৪. তৃতীয় অর্থ প্রধান বর্ণনামূলক

বহুব্রীহি সমাস

যে সমাসের সমস্তপদ দ্বারা সমস্যমান পদসমূহের কোনোটিরই নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়।

বীণাপাণি: বীণা পাণিতে যার (সরস্বতী)
দশানন: দশ আনন যার (রাবণ)
নদীমাতৃক: নদী মাতা যার
৫. পরপদ প্রধান সমাহার অর্থ

দ্বিগু সমাস

পরপদের অর্থ প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করে সমাহার বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক পূর্বপদের সাথে বিশেষ্য পরপদের মিলনে যে সমাস হয়।

চৌরাস্তা: চার রাস্তার সমাহার
অষ্টধাতু: অষ্ট ধাতুর সমাহার
পঞ্চনদ: পঞ্চ নদের সমাহার
৬. পূর্বপদ প্রধান অব্যয় যোগে

অব্যয়ীভাব সমাস

পূর্বপদে অব্যয় বা উপসর্গ যোগে এবং পূর্বপদের (অব্যয়ের) অর্থ প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করে যে সমাস গঠিত হয় (সামীপ্য, অভাব, সাদৃশ্য, পর্যন্ত, অতিক্রম)।

হাভাত: ভাতের অভাব (অভাব অর্থে)
উপকণ্ঠ: কণ্ঠের সমীপে (সামীপ্য)
উদ্বেল: বেলাকে অতিক্রান্ত

🔍 সমাসের গুরুত্বপূর্ণ উপবিভাগ ও বিশেষ শ্রেণি (ট্যাবে ক্লিক করে বিস্তারিত পড়ুন)

১. মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস

ব্যাসবাক্যে ব্যবহৃত বাক্যাংশের মধ্যবর্তী পদসমূহ লুপ্ত হয়ে যে কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়।

উদাহরণ: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন, পল মিশ্রিত অন্ন = পলান্ন, অন্ন যোগাড়ের চিন্তা = অন্নচিন্তা, সন্ধ্যা কালের প্রদীপ = সন্ধ্যাপ্রদীপ, শিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী = শিক্ষামন্ত্রী, বাষ্প চালিত যান = বাষ্পযান, জ্যোৎস্না শোভিত রাত = জ্যোৎস্নারাত。

২. উপমান কর্মধারয় সমাস

উপমেয় পদের উল্লেখ না করে সাধারণ গুণ বা ধর্মবাচক পদের (বিশেষণ) সাথে উপমান পদের (বিশেষ্য) মিলনে যে সমাস হয়।

উদাহরণ: ভ্রমরের ন্যায় কৃষ্ণ = ভ্রমরকৃষ্ণ, তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র, কুসুমের ন্যায় কোমল = কুসুমকোমল, কাজলের ন্যায় কালো = কাজলকালো, মিশির ন্যায় কালো = মিশকালো, সিঁদুরের ন্যায় রাঙা = সিঁদুররাঙা。

৩. উপমিত কর্মধারয় সমাস

সাধারণ গুণ বা ধর্মবাচক পদ উল্লেখ না করে উপমেয় পদের (বিশেষ্য) সাথে উপমান পদের (বিশেষ্য) মিলনে যে সমাস হয়।

উদাহরণ: মুখ চাঁদের ন্যায় = চাঁদমুখ/চন্দ্রমুখ, পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ, কপি ওলের ন্যায় = ওলকপি, কর পল্লবের ন্যায় = করপল্লব, বাহু লতার ন্যায় = বাহুলতা, কুমারী ফুলের ন্যায় = ফুলকুমারী。

৪. রূপক কর্মধারয় সমাস

উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের অভিন্নতা কল্পনা করে যে সমাস গঠিত হয় (ব্যাসবাক্যে মাঝে 'রূপ' শব্দটি বসে)।

উদাহরণ: মন রূপ মাঝি = মনমাঝি, ক্রোধ রূপ অনল = ক্রোধানল, প্রাণ রূপ পাখি = প্রাণপাখি, জীবন রূপ প্রদীপ = জীবনপ্রদীপ, শোক রূপ অনল = শোকানল, বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু, ভব রূপ নদী = ভবনদী。

৩

সমাস নির্ণয়ের জাদুকরী শর্টকাট সূত্র (Smart Cheat-Sheet)

সবচেয়ে বেশি ভুল হওয়া অংশ

উপমান, উপমিত ও রূপক কর্মধারয় চেনার ৩ সেকেন্ডের ফর্মুলা!

সূত্র ১: উপমান কর্মধারয়
১টি বস্তু (বিশেষ্য) + ১টি গুণ/ধর্ম (বিশেষণ)
  • 🔹 সাধারণ ধর্ম বা গুণটি উল্লেখ থাকে।
  • 🔹 ব্যাসবাক্যে ‘ন্যায়’ শব্দটি সাধারণত মাঝখানে বসে।
  • 🔹 উদাহরণ: তুষার (বিশেষ্য) + শুভ্র (বিশেষণ) = তুষারশুভ্র (তুষারের ন্যায় শুভ্র)।
  • 🔹 আরও: কাজলকালো, কুসুমকোমল, ভ্রমরকৃষ্ণ, সিঁদুররাঙা।
সূত্র ২: উপমিত কর্মধারয়
১টি বস্তু (বিশেষ্য) + ১টি বস্তু (বিশেষ্য)
  • 🔹 সাধারণ গুণ বা ধর্ম উল্লেখ থাকে না (উভয় পদই বিশেষ্য)।
  • 🔹 ব্যাসবাক্যে ‘ন্যায়’ শব্দটি সাধারণত শেষে বসে।
  • 🔹 উদাহরণ: মুখ (বিশেষ্য) + চাঁদ (বিশেষ্য) = চাঁদমুখ (মুখ চাঁদের ন্যায়)।
  • 🔹 আরও: সিংহপুরুষ, করপল্লব, বাহুলতা, ওলকপি, ফুলকুমারী।
সূত্র ৩: রূপক কর্মধারয়
উপমেয় (অমূর্ত) + ‘রূপ’ + উপমান
  • 🔹 উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হয়।
  • 🔹 ব্যাসবাক্যে দুই পদের মাঝখানে ‘রূপ’ শব্দটি বসে।
  • 🔹 উদাহরণ: মন রূপ মাঝি = মনমাঝি, ক্রোধ রূপ অনল = ক্রোধানল।
  • 🔹 আরও: প্রাণপাখি, জীবনপ্রদীপ, শোকানল, বিষাদসিন্ধু, মোহনিদ্রা।

⚠️ পরীক্ষায় আসা জোড়া শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্য (সতর্কতা):

হাভাত বনাম হাভাতে:
• হাভাত (ভাতের অভাব) = অব্যয়ীভাব
• হাভাতে (ভাতের অভাব যার) = বহুব্রীহি
চন্দ্রমুখ বনাম চন্দ্রমুখী:
• চন্দ্রমুখ (মুখ চন্দ্রের ন্যায়) = উপমিত কর্মধারয়
• চন্দ্রমুখী (চন্দ্রের ন্যায় মুখ যার) = মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
তেপান্তর বনাম তেপায়া:
• তেপান্তর (তিন প্রান্তরের সমাহার) = দ্বিগু সমাস
• তেপায়া (তিন পায়া যার) = সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি
Advertisement
৪

ব্যাসবাক্য ও সমাস নির্ণয় অভিধান (১০০+ গুরুত্বপূর্ণ পদ)

লাইভ সার্চ ও ফিল্টার
🔍
মোট ১০৫টি গুরুত্বপূর্ণ সমাস প্রদর্শিত হচ্ছে
সমস্তপদ ব্যাসবাক্য / বিগ্রহ বাক্য সমাসের নাম
৫

মাধ্যমিক পরীক্ষায় আসা সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (SAQ প্রস্তুতি)

Advertisement
লাইভ অ্যাসেসমেন্ট টেস্ট

সমাস প্র্যাকটিস সেট: ৫০টি বাছাই করা MCQ প্রশ্ন

প্রতিটি প্রশ্নের মান ১ (মোট মান: ৫০)। সবকটি প্রশ্নের উত্তর সিলেক্ট করে নিচে ‘সাবমিট করুন’ বাটনে ক্লিক করলেই সাথে সাথে আপনার প্রাপ্ত মান ও সঠিক উত্তরপত্র দেখতে পাবেন।

উত্তর দেওয়া হয়েছে: ০ / ৫০

সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া শেষ হয়েছে?

সাবমিট বাটনে ক্লিক করার সাথে সাথেই আপনার প্রাপ্ত নম্বর এবং সঠিক উত্তরপত্র প্রদর্শিত হবে।