কলকাতা: রাজ্য শিক্ষা দফতরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ 'বাংলার শিক্ষা' (Banglar Shiksha) পোর্টাল দীর্ঘদিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে থাকায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রাজ্যের শিক্ষক-শিক্ষিকারা (West Bengal teachers issue)। এই প্রযুক্তিগত ত্রুটির জেরে দ্বিতীয় সামেটিভ (দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন) পরীক্ষার নম্বর অনলাইনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা দিতে পারেননি বহু শিক্ষক। গত ১৫ অক্টোবর নম্বর জমা দেওয়ার শেষ দিন থাকলেও, পোর্টাল না খোলায় গোটা প্রক্রিয়াটি কার্যত থমকে রয়েছে। এর ফলে ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ মূল্যায়ন নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রবল অনিশ্চয়তা ও জটিলতা (Education News Bengali)।
দীর্ঘ ২ মাস ধরে বিকল সার্ভার, পোর্টালে লগ-ইন সমস্যা
রাজ্যের স্কুলগুলিতে নিয়ম অনুযায়ী বছরে তিনটি সামেটিভ পরীক্ষা নেওয়া হয় এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই পরীক্ষার নম্বর শিক্ষকদের অনলাইনে আপলোড করতে হয়। শিক্ষা দফতরের মূল বা 'মাদার' পোর্টাল হলো 'বাংলার শিক্ষা' (Banglar Shiksha portal login problem)। এর অধীনে থাকা 'এসএসএম' (SSM) পোর্টালেই মূলত ছাত্রছাত্রীদের প্রাপ্ত নম্বর আপলোড করার কাজটি করে থাকেন শিক্ষকরা। কিন্তু শিক্ষকদের একাংশের অভিযোগ:
- গত প্রায় দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে এই পোর্টালগুলো ঠিকমতো কাজ করছে না।
- সার্ভার ডাউন (SSM portal server down) বা লগ-ইন সমস্যার কারণে নম্বর আপলোড করা একপ্রকার অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- বারবার চেষ্টা করা সত্ত্বেও ওয়েবসাইটের পেজ লোড হচ্ছে না, যার ফলে কাজের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হচ্ছে।
নম্বর জমা দেওয়ার সময়সীমা পার, বাড়ছে দুশ্চিন্তা
দ্বিতীয় সামেটিভের নম্বর জমা দেওয়ার সময়সীমা (১৫ অক্টোবর) পেরিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তায় পড়েছেন শিক্ষকরা (2nd summative marks upload)।
তাঁদের আশঙ্কা, এই নম্বর যদি সিস্টেমে সময়মতো আপলোড না করা যায়, তবে বছর শেষে ফাইনাল বা তৃতীয় সামেটিভ পরীক্ষার রেজাল্ট তৈরির সময় ছাত্রছাত্রীদের বড়সড় সমস্যার মুখে পড়তে হতে পারে।
শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে দ্রুত এই প্রযুক্তিগত ত্রুটি সমাধান করে সার্ভার স্বাভাবিক করার দাবি তুলছেন ভুক্তভোগী শিক্ষক-শিক্ষিকারা, যাতে পড়ুয়াদের মূল্যায়ন প্রক্রিয়া কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন