🔴 LATEST NEWS
খবর লোড হচ্ছে...
Advertisement

National Unity Day । ভারতের লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল! একনজরে জাতীয় ঐক্য দিবসে অখণ্ড ভারতের রূপকারের জীবন ও সংগ্রাম

Advertisement

নয়াদিল্লি: প্রতি বছর ৩১শে অক্টোবর সমগ্র ভারতবাসী এক পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করে এমন এক মহান নেতাকে, যাঁর দূরদর্শিতা, লৌহকঠিন সংকল্প এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞার ফলে আজকের অখণ্ড ভারতের মানচিত্রটি সম্ভব হয়েছে। তিনি হলেন ভারতের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল (Sardar Vallabhbhai Patel)। ২০১৪ সাল থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে তাঁর এই জন্মবার্ষিকীটি দেশজুড়ে ‘জাতীয় ঐক্য দিবস’ (National Unity Day) হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এই দিনটির মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের ঐক্য, অখণ্ডতা এবং নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং স্বাধীন ভারতের স্থপতি হিসেবে প্যাটেলের অবদানকে শ্রদ্ধা জানানো। তবে তিনি কীভাবে 'লৌহমানব' এবং 'সর্দার' হয়ে উঠলেন, সেই দীর্ঘ রাজনৈতিক ও জীবনসংগ্রামের ইতিহাস ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক গৌরবময় অধ্যায় (National News Bengali)।

Sardar Vallabhbhai Patel Iron Man of India National Unity Day integration
সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল (ছবি: culture.gov)

সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষাদীক্ষা

সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল ১৮৭৫ সালের ৩১শে অক্টোবর গুজরাটের নাদিয়াদে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম ছিল ঝাভেরভাই এবং মাতার নাম ছিল লাডবা। পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন চতুর্থ। তাঁর পরিবার মূলত গুজরাটের করমসাদ জেলার বাসিন্দা ছিল। ছোটবেলা থেকেই প্যাটেল অত্যন্ত মেধাবী ও দৃঢ়চেতা ছিলেন। তাঁর স্বপ্ন ছিল একজন সফল ব্যারিস্টার হওয়ার। এই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে তিনি ১৯১০ সালে ইংল্যান্ডে পাড়ি দেন। সেখানে তিনি মিডল টেম্পলে আইন নিয়ে পড়াশোনা করেন এবং অভাবনীয় মেধার পরিচয় দিয়ে ব্যারিস্টার পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন। ১৯১৩ সালে ভারতে ফিরে এসে তিনি আহমেদাবাদে আইন পেশা শুরু করেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি একজন তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন ও সফল ফৌজদারি আইনজীবী হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।

তবে প্যাটেলের লক্ষ্য শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য বা অর্থ উপার্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। দেশের মানুষের প্রতি তাঁর গভীর টান তাঁকে ধীরে ধীরে সমাজসেবা ও রাজনীতির দিকে আকৃষ্ট করে। ১৯১৫ সালে তিনি গুজরাট সভায় যোগদান করে জনজীবনে প্রবেশ করেন। এরপর ১৯১৭ সালে তিনি আহমেদাবাদ পৌরসভার সদস্য নির্বাচিত হন এবং তাঁর কাজের দক্ষতায় ১৯২৪ সালে তিনি এর সভাপতি পদে উন্নীত হন।

Sardar Vallabhbhai Patel and Mahatma Gandhi
সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল এবং মহাত্মা গান্ধী (ছবি: culture.gov)

স্বাধীনতা আন্দোলনে প্যাটেলের অসামান্য ভূমিকা

সর্দার প্যাটেলের রাজনৈতিক জীবন পুরোপুরি মোড় নেয় যখন তিনি মহাত্মা গান্ধীর সংস্পর্শে আসেন। গান্ধীর অহিংসার আদর্শ এবং সত্যাগ্রহ নীতি তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

১. খেড়া সত্যাগ্রহ (১৯১৮): ১৯১৮ সালে গুজরাটের খেড়া জেলায় মারাত্মক খরার কারণে কৃষকদের ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তা সত্ত্বেও ব্রিটিশ সরকার তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক কর আদায় করতে চেয়েছিল। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে গান্ধীজির সহযোগী হিসেবে প্যাটেল কৃষকদের সংগঠিত করেন। তিনি কৃষকদের বোঝান যে, অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করে ঐক্যবদ্ধভাবে এই করদানে অস্বীকার করতে হবে। তাঁর নেতৃত্বে কৃষকরা কর না দেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশ সরকার পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং এই আন্দোলনের মাধ্যমেই প্যাটেল কৃষকদের অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

২. আহমেদাবাদে জনসেবা ও বন্যা ত্রাণ (১৯২৭): আহমেদাবাদ পৌরসভার সভাপতি হিসেবে প্যাটেল শহরের প্রশাসন ও জনকল্যাণমূলক কাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। ১৯২৭ সালে গুজরাটে এক ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। সেই দুর্যোগের সময় প্যাটেল নিজে দাঁড়িয়ে ত্রাণকার্যের দায়িত্ব নেন। তিনি দ্রুত একটি তহবিল সংগ্রহ অভিযান শুরু করেন এবং স্বেচ্ছাসেবকদের একটি দল গঠন করেন। সরকারি সাহায্য পৌঁছানোর আগেই তাঁর স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী বন্যা কবলিত এলাকায় খাবার, পানীয় এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিয়ে হাজার হাজার মানুষের জীবন বাঁচায়।

৩. বারডোলি সত্যাগ্রহ ও 'সর্দার' উপাধি (১৯২৮): সর্দার প্যাটেলের রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিল ১৯২৮ সালের বারডোলি সত্যাগ্রহ। সেই সময় ব্রিটিশ সরকার গুজরাটের বারডোলিতে কৃষকদের জমির রাজস্ব বিপুল পরিমাণে বাড়িয়ে দিয়েছিল। টানা কয়েক বছর ধরে খরা ও চরম আর্থিক সংকটে থাকা কৃষকদের পক্ষে এই বর্ধিত কর পরিশোধ করা ছিল অসম্ভব। প্যাটেল সেখানে কৃষকদের সংগঠিত করে একটি শক্তিশালী "কর বিরোধী" আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। সরকার আন্দোলনরত কৃষকদের জমি বাজেয়াপ্ত করতে শুরু করলেও প্যাটেলের নেতৃত্বে কৃষকরা অহিংস পথে অবিচল থাকেন। অবশেষে সরকার তাঁর সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়। বাজেয়াপ্ত জমি কৃষকদের ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং বর্ধিত কর প্রত্যাহার করা হয়। এই অভূতপূর্ব সাফল্যের পর বারডোলির আপামর কৃষক জনতা ভালোবেসে তাঁকে "সর্দার" (অর্থাৎ নেতা বা প্রধান) উপাধিতে ভূষিত করে। সেই থেকেই তিনি সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত হন।

৪. আইন অমান্য ও ভারত ছাড়ো আন্দোলন: বারডোলি সত্যাগ্রহের পর প্যাটেল জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম শীর্ষ নেতা হয়ে ওঠেন। ১৯৩০ সালে গান্ধীজির ডান্ডি মার্চ শুরু হওয়ার ঠিক আগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। কারামুক্তির পর তিনি ১৯৩১ সালে করাচিতে অনুষ্ঠিত কংগ্রেস অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। এই অধিবেশনে মৌলিক অধিকার এবং অর্থনৈতিক নীতি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পাস করা হয়। তিনি ১৯৩২ থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত ইয়েরওয়াড়া জেলে বন্দী ছিলেন, যেখানে গান্ধীজিও তাঁর সহবন্দী ছিলেন। এরপর ১৯৪০ সালের ব্যক্তিগত সত্যাগ্রহ এবং ১৯৪২ সালের ভারত ছাড়ো আন্দোলনেও তিনি নেতৃত্ব দেন এবং কারাবরণ করেন। ১৯৪৫ সালে কারামুক্তির পর তিনি ভারতের স্বাধীনতার চূড়ান্ত রূপরেখা নির্ধারণে কংগ্রেসের শীর্ষ আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

Sardar Vallabhbhai Patel addressing gathering
সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল এবং মহাত্মা গান্ধী (ছবি: culture.gov)

স্বাধীন ভারতের স্থপতি: একীকরণের রূপকার

১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করে। কিন্তু সেই স্বাধীনতা ছিল খণ্ডিত ও রক্তাক্ত। দেশভাগের ভয়াবহতা এবং দেশের ভেতরে থাকা ছোট-বড় অসংখ্য দেশীয় রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাব সদ্য স্বাধীন ভারতের সামনে এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। স্বাধীন ভারতের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সর্দার প্যাটেল এই কঠিন দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন।

১. ৫৬০টি দেশীয় রাজ্যের অন্তর্ভুক্তি: স্বাধীনতার সময় ভারতের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে প্রায় ৫৬০টি দেশীয় রাজ্য (Princely States) ছিল। ব্রিটিশরা ভারত ছাড়ার সময় এই রাজ্যগুলোকে ভারত বা পাকিস্তানে যোগদানের অথবা স্বাধীন থাকার বিকল্প দিয়েছিল। এর ফলে ভারত একাধিক টুকরোয় বিভক্ত হওয়ার চরম ঝুঁকির মুখে পড়ে। সর্দার প্যাটেল তাঁর সচিব ভি.পি. মেননকে সঙ্গে নিয়ে এক অসাধ্য সাধনে ব্রতী হন। তিনি অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে কূটনীতি, প্রলোভন, বোঝানো এবং প্রয়োজনে কঠোর প্রশাসনিক ও সামরিক পদক্ষেপ (যেমন- হায়দ্রাবাদে 'অপারেশন পোলো') গ্রহণ করে একের পর এক দেশীয় রাজ্যকে ভারতীয় ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্ত করেন। জুনাগড়, হায়দ্রাবাদ এবং কাশ্মীরের অন্তর্ভুক্তি ছিল সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং। তাঁর এই একক প্রচেষ্টার ফলেই আজকের অখণ্ড ভারতের মানচিত্র তৈরি সম্ভব হয়েছে।

Sardar Vallabhbhai Patel integration of India
সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল (ছবি: culture.gov)

২. দেশভাগের ক্ষত নিরাময় ও পুনর্বাসন: ভারত বিভাজনের ফলে সৃষ্ট সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এবং লক্ষ লক্ষ দেশত্যাগী মানুষের ঢল দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে প্যাটেল অত্যন্ত কঠোর হাতে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার পদক্ষেপ নেন। পাশাপাশি পাকিস্তান থেকে আসা লক্ষ লক্ষ ছিন্নমূল রিফিউজি বা শরণার্থীদের পুনর্বাসনের বিশাল কর্মযজ্ঞও তিনি সুচারুভাবে পরিচালনা করেন।

৩. সংবিধান রচনায় অবদান: স্বাধীন ভারতের সংবিধান রচনার ক্ষেত্রেও সর্দার প্যাটেলের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। তিনি গণপরিষদের উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মৌলিক অধিকার, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং প্রাদেশিক সংবিধান সম্পর্কিত বিষয়ে তাঁর সুচিন্তিত পরামর্শ সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়। ধর্ম, বর্ণ, জাতি ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকারের নীতি প্রতিষ্ঠায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন।

৪. প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালীকরণ (IAS ও IPS): সর্দার প্যাটেল বিশ্বাস করতেন যে, একটি বিশাল ও বৈচিত্র্যময় দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে গেলে একটি নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী প্রশাসনিক পরিকাঠামো প্রয়োজন। তিনি সর্বভারতীয় পরিষেবাগুলিকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন। ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস (IAS) এবং ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিস (IPS)-কে তিনি দেশের প্রশাসনিক কাঠামোর "স্টিল ফ্রেম" বা ইস্পাতের কাঠামো বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। ১৯৪৭ সালের ২১শে এপ্রিল প্রথমবারের মতো আইএএস অফিসারদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি তাঁদের জনসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দেন।

কেন তাঁকে 'লৌহমানব' বলা হয়?

সর্দার প্যাটেলকে ভারতের 'লৌহমানব' (Iron Man of India) বলার পেছনে তাঁর চারিত্রিক দৃঢ়তা এবং আপসহীন নীতিই প্রধান কারণ। চরম সংকটের মুহূর্তে মাথা ঠান্ডা রেখে কঠিনতম সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা, শৃঙ্খলাপরায়ণতা এবং দেশীয় রাজ্যগুলিকে একীভূত করার ক্ষেত্রে তাঁর ইস্পাতকঠিন সংকল্প তাঁকে এই আখ্যা এনে দিয়েছিল। বাহ্যিকভাবে তাঁকে অত্যন্ত কঠোর মনে হলেও, লর্ড মাউন্টব্যাটেনের ভাষায়, "তাঁর হৃদয় ছিল অত্যন্ত উষ্ণ।" জওহরলাল নেহেরু তাঁকে "নতুন ভারতের স্থপতি ও ঐক্যবদ্ধকারী" হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।

১৯৫০ সালের ১৫ই ডিসেম্বর, ৭৫ বছর বয়সে মুম্বাইয়ে এই মহান নেতার জীবনাবসান ঘটে। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া অখণ্ড ভারত আজও তাঁর স্মৃতির প্রতি কৃতজ্ঞ। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জীবন ও কর্ম আগামী প্রজন্মের কাছে জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম এবং সংকল্পের এক চিরন্তন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল কবে ও কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল ১৮৭৫ সালের ৩১শে অক্টোবর গুজরাটের নাদিয়াদে জন্মগ্রহণ করেন।

২. তাঁকে কেন ভারতের 'লৌহমানব' বা Iron Man of India বলা হয়?

চরম সংকটের মুহূর্তে কঠিনতম সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং স্বাধীনতার পর প্রায় ৫৬০টি দেশীয় রাজ্যকে দৃঢ় সংকল্পের সাথে একীভূত করে অখণ্ড ভারত গড়ার জন্য তাঁকে ভারতের 'লৌহমানব' বলা হয়।

৩. জাতীয় ঐক্য দিবস কবে ও কেন পালিত হয়?

সর্দার প্যাটেলের দেশের প্রতি অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৪ সাল থেকে প্রতি বছর ৩১শে অক্টোবর তাঁর জন্মবার্ষিকীটি দেশজুড়ে ‘জাতীয় ঐক্য দিবস’ বা National Unity Day হিসেবে পালিত হয়।

Advertisement
Sangbad Ekalavya Logo

Sangbad Ekalavya Digital Desk

প্রতিদিনের ব্রেকিং নিউজ থেকে শুরু করে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনীতি এবং স্থানীয় সমস্যার বস্তুনিষ্ঠ খবর তুলে আনে সংবাদ একলব্য ডিজিটাল ডেস্ক।

editor@sangbadekalavya.in

মন্তব্যসমূহ