নতুন দিল্লি: শনিবার, ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar Protest) ককরোচ জনতা পার্টির (CJP/কজপা) প্রস্তাবিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজধানী দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণের কথা মাথায় রেখে দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (DMRC) শুক্রবার রাত ৯টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ৫৭টি মেট্রো স্টেশনের (Delhi Metro Station Closed) প্রবেশ ও প্রস্থানের গেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রভাবিত হওয়া প্রধান স্টেশনগুলির মধ্যে রয়েছে রাজীব চক, নতুন দিল্লি, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, প্যাটেল চক এবং কাশ্মীরি গেট (National News Bengali)।
সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ
এর পাশাপাশি, বিক্ষোভের আগে মেট্রো স্টেশন বন্ধ করা এবং দিল্লিগামী একাধিক ট্রেন বাতিলের পুলিশ-প্রশাসনের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court on Delhi Protest) একটি আবেদনের শুনানি হয়। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি. মোহনার বেঞ্চ এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়ে বলেছে যে,
"ট্রেন এবং মেট্রো পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ করা উচিত নয়।" সাধারণ মানুষকে যাতে অকারণে হয়রানির শিকার হতে না হয়, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
আইনজীবীদের যুক্তি ও মৌলিক অধিকার
শুনানি চলাকালীন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল, অভিষেক মনু সিংভি, প্রশান্ত ভূষণ, বৃন্দা গ্রোভার এবং গোপাল শঙ্করনারায়ণন তাঁদের যুক্তিতে বলেন যে, শুধুমাত্র বিক্ষোভের আশঙ্কায় গোটা শহরের স্বাভাবিক গতি এভাবে থামিয়ে দেওয়া যায় না। আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার। সুপ্রিম কোর্ট এতে সম্মতি জানিয়ে বলেছে, যেকোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগে সব পক্ষের বক্তব্য শোনা জরুরি।
প্রশাসনকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ
শীর্ষ আদালত আরও মন্তব্য করেছে যে, বিক্ষোভকারীদের নিরস্ত্র থাকার নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনকে (Delhi Police Metro Advisory) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যদিকে, আইনজীবীদের প্যানেল আদালতকে জানিয়েছে যে রাস্তা ব্যারিকেড করা এবং মেট্রো স্টেশন বন্ধ করার প্রশাসনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা একটি বিস্তারিত ও যথাযথ আবেদন নিয়ে ফের আদালতের দ্বারস্থ হবেন।