মা আসছে ...

শীতলকুচিতে বাইক চুরি চক্রের পর্দাফাঁস! গ্রেফতার ৩ পাণ্ডা, উদ্ধার ১২টি মোটরবাইক

sitalkuchi police
Picture: SE

সমীর হোসেন, কোচবিহার: কোচবিহার জেলার শীতলকুচি থানার পুলিশের বড়সড় সাফল্য। এলাকায় সংগঠিত মোটরবাইক চোর চক্রের পর্দাফাঁস করে পুলিশ তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে লাগাতার তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ১২টি চুরি যাওয়া মোটরবাইক উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।


ঘটনার প্রেক্ষাপট ও গ্রেফতারি

পুলিশ সূত্রের খবর, গত ২৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে শীতলকুচি থানায় নথিভুক্ত হওয়া একটি বাইক চুরির নির্দিষ্ট মামলার (মামলা নম্বর: ৩৫২/২৬, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩০৩(২)/৩১৭(৪) ধারা) তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথম সূত্র খুঁজে পায়। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ মূল সন্দেহভাজনদের ধরে ফেলে। ধৃতরা হলো সাগরডাঙার বাসিন্দা ২৫ বছর বয়সী আকাশ দে, ৩১ বছর বয়সী বাবলু দাস, মাথাভাঙ্গার আন্দারাম ফকিরহাগার বাসিন্দা অজয় দাস (২৭)। 


চুরি ও লিফটিং চক্রের কাজ

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, অজয় দাস মূলত চুরি যাওয়া মোটরবাইকের ‘লিফটার’ ও ‘রিসিভার’ হিসেবে কাজ করত। অর্থাৎ সে বাইক সরানোর মূল দায়িত্বে থেকে সংগৃহীত বাইকগুলো বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে রাখা বা বিক্রির বন্দোবস্ত করত।

ধৃত তিনজনকে আদালতে তুলে হেফাজতে নিয়ে কড়া জিজ্ঞাসাবাদ চালান তদন্তকারীরা। পরবর্তীতে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই শীতলকুচি থানার নানা প্রান্তে গোপন ডেরায় রাখা ১২টি চুরি হওয়া মোটরবাইক উদ্ধার করে পুলিশ।



পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ

এত বড় সংখ্যক চুরি যাওয়া বাইক উদ্ধার হওয়ায় স্বস্তিতে স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে এই আন্তঃথানা বাইক চুরি চক্রে আর কারা জড়িত রয়েছে, কিংবা উদ্ধার হওয়া গাড়িগুলো কার কার কাছে বিক্রি করার পরিকল্পনা ছিল—তা খতিয়ে দেখতে শীতলকুচি থানার পুলিশ তদন্ত জারি রেখেছে।

সাংবাদিক-সমীর হোসেন

বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী সমীর হোসেন ২০২১ সালে 'সংবাদ একলব্য'-এর মাধ্যমে সাংবাদিকতা জগতে পা রাখেন এবং বর্তমানে এই পোর্টালের একজন নির্ভরযোগ্য সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত।

editor@sangbadekalavya.in