জলপাইগুড়ি: রান্নার গ্যাসের (LPG Gas Cylinder) বেআইনি পাচার এবং কালোবাজারি রুখতে বড়সড় সাফল্য পেল জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে গ্যাস সিলিন্ডার বোঝাই দুটি টোটো আটক করেছে পুলিশ।
গ্যাস বোঝাই টোটো আটক: রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বোঝাই দুটি টোটো আটক করল জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ (Jalpaiguri Kotwali Police)। জানা গিয়েছে, হলদিবাড়ি থেকে জলপাইগুড়ির (Haldibari to Jalpaiguri) উদ্দেশ্যে আসছিল এই সন্দেহভাজন টোটো দুটি।
গোপন সূত্রে খবর ও চালকদের জিজ্ঞাসাবাদ: গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আচমকা রাস্তায় হানা দেয় পুলিশ। গ্যাস সিলিন্ডার বোঝাই টোটো দুটির চালকদের আটক করে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। তবে হলদিবাড়ি থেকে কেন এতগুলো রান্নার গ্যাস টোটো বোঝাই করে জলপাইগুড়িতে নিয়ে আসা হচ্ছিল, তা এখনও পুলিশের কাছে সম্পূর্ণ স্পষ্ট নয়।
বৈধ নথিপত্রের অভাব ও কালোবাজারির সন্দেহ: পুলিশি জেরার মুখে পড়ে টোটো চালকরা গ্যাস পরিবহনের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। কোন ডিস্ট্রিবিউটরের কাছ থেকে ওই গ্যাস সিলিন্ডারগুলি নেওয়া হয়েছে, বর্তমানে তার খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। এক্ষেত্রে রান্নার গ্যাসের কোনো কালোবাজারি (LPG Black Marketing) বা চোরাচালান হচ্ছিল কি না, সেটাও গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
১. জলপাইগুড়িতে পুলিশ কী আটক করেছে?
জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বোঝাই দুটি সন্দেহভাজন টোটো আটক করেছে।
২. গ্যাস বোঝাই টোটো দুটি কোথা থেকে আসছিল?
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, সিলিন্ডার বোঝাই টোটো দুটি হলদিবাড়ি থেকে জলপাইগুড়ির উদ্দেশ্যে আসছিল।
৩. পুলিশ কেন টোটো চালকদের আটক করল?
টোটো চালকরা বিপুল সংখ্যক গ্যাস পরিবহনের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। গ্যাসের কালোবাজারি বা পাচার হচ্ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতেই তাঁদের আটক করা হয়েছে।