যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সিতাইয়ের ৫ অঞ্চলে কার্যকরী সমিতি গঠন, নেতৃত্বে সুকুমার বর্মন
নিজস্ব প্রতিনিধি, দিনহাটা: রাজনৈতিক লড়াইকে সামনে রেখে সাংগঠনিক শক্তি মজবুত করতে অলআউট ঝাঁপালো শাসক দল বিজেপি। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কোচবিহারের সিতাই বিধানসভার অন্তর্গত ৫টি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের কার্যকরী সমিতি গঠন সম্পন্ন করল তারা। আজ, সিতাই বিধানসভার ইনচার্জ তথা কোচবিহার জেলা বিজেপি সাধারণ সম্পাদক সুকুমার বর্মনের উপস্থিতিতে ও নেতৃত্বেই এই নতুন কমিটিগুলি গঠন করা হয়।
যে ৫টি অঞ্চলে গঠিত হলো নতুন কমিটি
বিজেপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সাংগঠনিক রদবদল ও জনসংযোগকে আরও জোরালো করতে সিতাইয়ের যে ৫টি অঞ্চলে আজ নতুন কার্যকরী সমিতি গঠিত হয়েছে, সেগুলি হলো— চামটা, বিআর চাত্রা, আদাবাড়ি, সিতাই ১ নং এবং সিতাই ২ নং অঞ্চল।
কী বলছেন সুকুমার বর্মন?
কোচবিহার জেলা সাধারণ সম্পাদক তথা সিতাই বিধানসভা ইনচার্জ সুকুমার বর্মন জানান, "দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশ মেনে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ও সুশৃঙ্খলভাবে এই ৫টি অঞ্চলের নতুন কার্যকরী সমিতি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি অঞ্চলেই দলের যোগ্য ও লড়াকু কর্মীদের সামনের সারিতে নিয়ে আসা হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য একটাই— আগামী দিনে বুথ স্তর পর্যন্ত দলের সংগঠনকে আরও নিশ্ছিদ্র করা এবং সরকারের যাবতীয় উন্নয়নমূলক কাজ সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া।"
রাজনৈতিক মহলের পর্যবেক্ষণ
রাজনৈতিক মহলের মতে, সিতাই বিধানসভা এলাকায় দলের রাশ শক্ত রাখতে এবং কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করতেই ব্লক ও অঞ্চল স্তরের এই কমিটি গঠনে বাড়তি জোর দেওয়া হচ্ছে। নতুন কমিটি গঠনের খবর আসতেই সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বিজেপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। ওল্ড ও নিউ-এর মেলবন্ধন ঘটিয়ে এই কমিটিগুলি আগামী দিনে এলাকায় বিরোধীদের রাজনৈতিকভাবে কতটা কোণঠাসা করতে পারে, এখন সেটাই দেখার।
সিতাই বিধানসভার রদবদল সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন ১: সিতাই বিধানসভায় কোন কোন অঞ্চলে নতুন কমিটি গঠন করা হলো?
উত্তর: কোচবিহারের সিতাই বিধানসভার অন্তর্গত চামটা, বিআর চাত্রা, আদাবাড়ি, সিতাই ১ নং এবং সিতাই ২ নং অঞ্চলে নতুন কার্যকরী সমিতি গঠন করা হয়েছে।
প্রশ্ন ২: কার নেতৃত্বে এই নতুন কমিটিগুলি গঠন করা হয়েছে?
উত্তর: সিতাই বিধানসভার ইনচার্জ তথা কোচবিহার জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সুকুমার বর্মনের নেতৃত্বে এই কমিটিগুলি গঠন করা হয়।
প্রশ্ন ৩: বিজেপির এই নতুন কমিটি গঠনের মূল লক্ষ্য কী?
উত্তর: শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশ মেনে বুথ স্তর পর্যন্ত দলের সংগঠনকে আরও নিশ্ছিদ্র করা এবং সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়াই এই কমিটিগুলির মূল লক্ষ্য।