শিলিগুড়ি: শহরে বড়সড় ডাকাতির ছক বানচাল করল শিলিগুড়ির ভক্তিনগর থানার পুলিশ। গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া পাঁচ দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ডাকাতির কাজে ব্যবহারের জন্য মজুত রাখা একাধিক সরঞ্জাম। এই ঘটনায় শিলিগুড়ি শহর জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
কীভাবে এল পুলিশের সাফল্য?
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গভীর রাতে ভক্তিনগর থানার ওসি উদয় চক্রবর্তীর নেতৃত্বে সাদা পোশাকের পুলিশের কাছে একটি গোপন খবর আসে। খবর ছিল, শিলিগুড়ির পি.সি. মিত্তল বাস টার্মিনাস এলাকায় ১০ থেকে ১২ জনের একটি দুষ্কৃতী দল ডাকাতির উদ্দেশ্যে সন্দেহজনকভাবে জড়ো হয়েছে। এই খবর পাওয়া মাত্রই বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে পুলিশ ঘটনাস্থলে ঝটিকা অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন দুষ্কৃতী অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও, ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশের বিশেষ দল।
ধৃতদের পরিচয় ও পরবর্তী পদক্ষেপ
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচ দুষ্কৃতীর নাম মনজিৎ রায় (বাড়ি শালুগাড়া বাজার), অনিল রায় (বাড়ি বিবেকানন্দ নগর), সমীর বর্মন ও রনি দাস (উভয়েরই বাড়ি প্রধাননগরের সমন নগর এলাকায়) এবং পাপাই রায় (জলপাইগুড়ি জেলার কাদোবাড়ি এলাকার বাসিন্দা)।
ধৃতদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ধৃত পাঁচজনকে জলপাইগুড়ি আদালতে পেশ করা হয়েছে। পাশাপাশি, যে সমস্ত দুষ্কৃতীরা অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়েছে, তাদের খোঁজে জোরদার তল্লাশি শুরু করেছে ভক্তিনগর থানার পুলিশ।
শিলিগুড়িতে পুলিশের অভিযান (FAQ)
প্রশ্ন ১: শিলিগুড়িতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া দুষ্কৃতীদের কোথা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে?
উত্তর: শিলিগুড়ির পি.সি. মিত্তল বাস টার্মিনাস এলাকা থেকে ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া পাঁচ দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করেছে ভক্তিনগর থানার পুলিশ।
প্রশ্ন ২: ধৃতদের কাছ থেকে কী কী উদ্ধার হয়েছে?
উত্তর: পুলিশ ধৃত দুষ্কৃতীদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহারের জন্য মজুত রাখা একাধিক সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে।