দিনহাটা: আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের E-KYC-এর প্রশাসনিক চাপ বন্ধের দাবিতে সোমবার বামনহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি জমা দিলেন পশ্চিমবঙ্গ আশা কর্মী ইউনিয়ন (AIUTUC অনুমোদিত) দিনহাটা-২ ব্লক কমিটির আশা কর্মীরা।
অতিরিক্ত কাজের চাপে ব্যাহত স্বাস্থ্য পরিষেবা
তাঁদের অভিযোগ, মা ও শিশুর পরিষেবার পাশাপাশি অতিরিক্ত প্রশাসনিক কাজ চাপিয়ে দেওয়ায় স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। কম্পিউটার ও মোবাইলভিত্তিক E-KYC-এর মতো কাজ তাঁদের দিয়ে করানো উচিত নয় বলেও দাবি তোলেন তাঁরা।
এছাড়া, ভুল ও অসংগত তথ্যভিত্তিক ডেটা সরবরাহের অভিযোগও করেন আশা কর্মীরা। এদিন আয়ুষ্মান ভারতের E-KYC প্রশিক্ষণে যোগ না দিয়ে তাঁরা বিক্ষোভে সামিল হন। পশ্চিমবঙ্গ আশা কর্মী ইউনিয়নের সদস্যা জ্যোতিদক সরকার জানিয়েছেন যে, এই কাজের চাপের ফলে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে, তাই তাঁরা এই প্রশিক্ষণ নেবেন না এবং কাজও করবেন না।
স্থগিত E-KYC প্রশিক্ষণ
বামনহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত BMOH কেশব চন্দ্র রায় জানান, আশা কর্মীরা লিখিত স্মারকলিপি জমা দেওয়ায় এদিনের প্রশিক্ষণ স্থগিত রাখা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন যে, মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে E-KYC করার প্রক্রিয়াটি আশা কর্মীদের জন্য সমস্যাজনক হতে পারে, যা তাঁরা ডেপুটেশনের মাধ্যমে প্রশাসনকে জানিয়েছেন।
আশা কর্মীদের বিক্ষোভ (FAQ)
প্রশ্ন ১: দিনহাটায় আশা কর্মীরা কেন বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন?
উত্তর: আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের E-KYC-এর মতো মোবাইলভিত্তিক প্রশাসনিক কাজ চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে আশা কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, কারণ এতে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে।
প্রশ্ন ২: বিক্ষোভের জেরে স্বাস্থ্যকেন্দ্র কী পদক্ষেপ নিয়েছে?
উত্তর: আশা কর্মীরা স্মারকলিপি জমা দেওয়ায় স্বাস্থ্যকেন্দ্র এদিনের E-KYC প্রশিক্ষণ স্থগিত রেখেছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে।