বড় চক্রান্ত! গ্রেটার নেতা আশুতোষ বর্মার সাথে দেখা করতে গিয়ে গুলি-সহ আটক ৪
সমীর হোসেন, সিতাই: সিতাইয়ে চাঞ্চল্য! তৃণমূল বিধায়ক সংগীতার বিরুদ্ধে ভুয়ো এসসি সার্টিফিকেটের অভিযোগ জমা পড়ার আবহেই গ্রেটার নেতা আশুতোষ বর্মার বাড়িতে দেহরক্ষীর হাতে গুলি সহ আটক চারজন! ওই চারজন ব্যক্তির তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যোগ থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় সিতাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আশুতোষ বর্মার কেন্দ্রীয় দেহরক্ষী।
৩ রাউন্ড কার্তুজ সহ গ্রেফতার ৪
অভিযোগ, গতকাল রাত আনুমানিক ১১টা নাগাদ সদ্য বিধানসভা নির্বাচনে সিতাই কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হওয়া আশুতোষ বর্মার বাড়িতে যায় চার ব্যক্তি। এরপর আশুতোষ বর্মার সঙ্গে কথা বলতে চেয়ে তাদের মধ্যে চিরঞ্জিত নামে এক যুবক এগিয়ে যায় এবং বাকি তিনজন বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়েছিল। সেইসময় চিরঞ্জিতের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় দেহরক্ষীরা। তল্লাশিতে তার কাছ থেকে ৩ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়। পরবর্তীতে আশুতোষ বর্মার দেহরক্ষীরা বাড়ির বাইরে থাকা বাকি তিনজনকে আটক করে বিষয়টি তাঁকে জানান। তৎক্ষণাৎ সিতাই থানাকে এই বিষয়টি জানানো মাত্র পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চারজনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।
মামলা দায়ের ও আদালতে পেশ
জানা গিয়েছে, ধৃতরা হলেন ধুমেরখাতা এলাকার চিরঞ্জিত বর্মন, জগৎ চন্দ্র পাল, কায়েতের বাড়ি এলাকার বিষ্ণু চন্দ্র বর্মন ও জয়দেব বর্মন। ধৃতদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন, ১৯৫৯-এর ধারা ২৫(১) অনুযায়ী মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এদিন সকালে ধৃত চারজনকেই দিনহাটা মহকুমা আদালতে হাজির করে সিতাই থানার পুলিশ।
বড় চক্রান্তের অভিযোগ আশুতোষ বর্মার
আশুতোষ বর্মা অভিযোগ করে বলেন, যে চারজন গ্রেফতার হয়েছে তারা সকলেই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী। নিজের বিরুদ্ধে বড় চক্রান্তের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, "পুলিশকে জানিয়েছি এর পিছনে আসল মাথা কে, তাকে চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।" এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিতাইয়ের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে।
সিতাইয়ের ঘটনা সম্পর্কিত জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন: সিতাইয়ে আশুতোষ বর্মার বাড়িতে কী ঘটেছে?
উত্তর: গ্রেটার নেতা ও বিজেপি প্রার্থী আশুতোষ বর্মার বাড়িতে ৩ রাউন্ড কার্তুজ সহ ৪ জনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন তাঁর কেন্দ্রীয় দেহরক্ষীরা।
প্রশ্ন: গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয় কী?
উত্তর: ধৃতরা হলেন চিরঞ্জিত বর্মন, জগৎ চন্দ্র পাল, বিষ্ণু চন্দ্র বর্মন ও জয়দেব বর্মন। আশুতোষ বর্মার দাবি, এরা সকলেই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী।
প্রশ্ন: পুলিশ কী পদক্ষেপ নিয়েছে?
উত্তর: সিতাই থানার পুলিশ ধৃতদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের ২৫(১) ধারায় মামলা রুজু করে দিনহাটা মহকুমা আদালতে পেশ করেছে।