সমীর হোসেন, দিনহাটা: নির্বাচনের ডিউটির তালিকায় নিজের নাম দেখে ক্ষোভ প্রকাশ দিনহাটার এক শিক্ষিকা তথা ভোটকর্মীর। তাঁর মাত্র এক বছর চার মাসের এক শিশুসন্তান। বাড়িতে ৪ বছরের আরোও এক শিশু রয়েছে। তাদের কার কাছে রেখে, কীভাবে দুই-তিন দিনের জন্য ভোটকেন্দ্রে কাটাবেন, সেই দুশ্চিন্তায় দিশেহারা তিনি। সোমবার দিনহাটায় ভোটকর্মীদের ফেসিলিটেশন সেন্টারে এরকমই এক দৃশ্য ফুটে উঠল।
মহিলা ভোটকর্মীর ক্ষোভ ও আর্তি
কোলে ছোট শিশু নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এক ভোটকর্মী ক্ষোভের সাথে জানান, "আমি বারবার প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম। আমার বাচ্চা খুবই ছোট, আমাকে ছাড়া ও থাকবে কি করে? ডিএম অফিসে গিয়েছি, এসডিও-তে গিয়েছি। বলে ট্রেনিং করুন আমরা দেখছি এই টুকু আশ্বাস ছাড়া আর কিছুই মেলেনি।'
বিশেষ ছাড় দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসনের এই অনমনীয় মনোভাব নিয়ে ক্ষোভ
একদিকে ভোটের কাজের দায়বদ্ধতা, আর অন্যদিকে মাতৃত্বের টান, এখন কোন দিকে যাবেন ওই মা? ভোটের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে নারী শক্তিকে ব্যবহার করা হলেও, বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন স্তন্যদানকারী মা বা ছোট শিশুর অভিভাবক) ছাড় দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসনের এই অনমনীয় মনোভাব নিয়ে সহকর্মী মহলেও ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।
সাংবাদিক - সমীর হোসেন
বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী সমীর হোসেন ২০২১ সালে 'সংবাদ একলব্য'-এর মাধ্যমে সিটিজেন জার্নালিস্ট হিসেবে সাংবাদিকতা জগতে পা রাখেন। বর্তমানে তিনি এই পোর্টালের একজন নির্ভরযোগ্য সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত। কোচবিহার জেলার শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি থেকে শুরু করে রাজনীতির ময়দান— সব ধরনের খবর অত্যন্ত নিষ্ঠা ও বস্তুনিষ্ঠতার সাথে পাঠকের কাছে তুলে ধরাই তাঁর প্রধান কাজ।
ইমেইল: editor@sangbadekalavya.in
0 মন্তব্যসমূহ